Breaking News
Home / লাইফ স্টাইল / শুধু মাত্র সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে টিকে আছে কতশত সংসার ভাবাই যাবেনা !!

শুধু মাত্র সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে টিকে আছে কতশত সংসার ভাবাই যাবেনা !!

ফেইসবুক ওয়ালঃ

শুধু মাত্র সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে টিকে আছে কতশত সংসার ভাবাই যাবেনা !!

স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের প্রতি না আছে কোনো ‌ভালোবাসা, না আছে কোনো আবেগ-অনুভূতি, না আছে কোনো পিছুটান !! নেই কারো সাথে কারো ভালো বোঝাপড়া। আছে শুধু নামমাত্র একটি পরিচয়। নামমাত্র একটি সম্পর্ক। নামমাত্র একটি সংসার !!

যখন দুজনের কোনো একজন স্যাক্রিফাইস করতে করতে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে, যখন কোনো কিছুতেই পাশের মানুষটিকে বোঝানো যায় না, যখন পাশের মানুষটির অনাদর-অবহেলা পেতে পেতে অসহ্য লেগে ওঠে, যখন মনে হয় পাশের মানুষটির কাছে আমি একেবারেই মূল্যহীন, একেবারেই জড়পদার্থ;

অথবা একের পর এক চেষ্টা করেও কারো সাথেই কারো বনিবনা হচ্ছে না, মতের মিল হচ্ছে না; তখন স্বামী বা স্ত্রীর কাছে সংসারটিকে মনে হয় নরক সমতুল্য ! পাশের মানুষটিকে মনে হয় একটি বিষাক্ত কীট !!

ভুক্তভোগী স্বামী বা স্ত্রী কিংবা উভয়ই এমন পরিস্থিতিতে একান্তে ভাবতে শুরু করে। একবার, দুবার করে বারবার ভাবে। নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তির পথ খোঁজে। ভাবে, পাশের মানুষটি আর এই সংসারটিকে ছেড়ে দিতে পারলেই বুঝি নরক যন্ত্রণা থেকে বাঁচা যাবে ! একটু স্বস্তি পাওয়া যাবে ! একটু ভালো থাকা যাবে !!

কিন্তু হায় ! এক বা একাধিক সন্তানের চেহারাটা তখন চোখের মধ্যে ভাসতে থাকে। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে। শেষমেশ সন্তানের মুখ, সন্তানের সুখের দিকে চেয়েই সবটুকু দুঃখ-কষ্ট জলাঞ্জলি দিতে হয়। দিনশেষে কেউ আর কাউকে ছেড়ে দিতে পারে না !!

একজন স্বামীর কাছে তার স্ত্রী আর একজন স্ত্রীর কাছে তার স্বামীর চাওয়া কিন্তু শুধুই জৈবিক চাহিদা পূরণ নয়। একে অন্যের কাছে একটু আশ্রয় খোঁজে, ভালোবাসা খোঁজে, নির্ভরশীলতা খোঁজে। চায়, দুঃখ-কষ্টে মানুষটি পাশে থাকুক, আমাকে একটু বুঝুক।

কোনভাবেই আমার চোখের জলের কারণ না হোক। অথচ অসংখ্য স্বামী-স্ত্রীর বেলায়ই সেই চাওয়াটি অপূর্ণ থেকে যায় !! কেনো এমন হয় ? কেনো একজন আরেকজনকে বুঝতে চায় না ? কেনো একজন আরেকজনকে সহ্য করতে পারে না ? হয়তো এই কেনোর- কোনো উত্তরই হয় না !!

পাশের মানুষটির জৈবিক চাহিদা পূরণের ঘাটতি থাকলে আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির ফলে সেটি কাটিয়ে ওঠা যায়। কিন্তু পাশের মানুষটির মনস্তাত্ত্বিক বিষয়গুলো বুঝতে পারার ঘাটতি থাকলে কিছুই করা যায় না ! না সহ্য করা যায়, না তাকে ছেড়ে চলে যাওয়া যায় !!

আবার ছেড়ে যেতে চাইলেও সন্তানের মুখ, সন্তানের ভবিষ্যত বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় !! আর এভাবেই কতশত দম্পতির পুতুলের বেশে সারাটি জীবন কেটে যায় !! সে হিসেব কারো জানা নেই। একদমই নেই !!

আপনি যদি ভেবে নেন যে, কি আর করবো, কি হবে, উপায় নেই। তাহলে আপনার কাছে প্রশ্ন, যুদ্বের ময়দানে দাড়িয়ে কোন সৈনিকের মুখে এমন কথা কেমন দেখাবে।

আর জীবনের চেয়ে বড় যুদ্ব আর কিছুই নেই।
আর সেই যুদ্বের এক সাহসী নির্ভিগ সৈনিক হলেন আপনি। আপনাকেই পারতেই হবে।
বিশ্বাস রাখুন আপনি অবশ্যই পারবেন।

মন ছোট করবেন না, সমাধান নিয়েই সমস্যার আগমন হয়। কথায় আছেনা
সমস্যা যত সমাধান ও তার তত।

 

ছৈয়দ মোহাম্মদমোকাররম বারী’র

ফেইসবুক ওয়াল হতে

Check Also

মানবতার ফেরিওয়ালা পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম।

মানবতার এক অনন্য নাম এম এ রহিম,জিরি ইউনিয়ন যুবলীগের অর্থ সম্পাদক মামুন দীর্ঘদিন যাবৎ কিডনি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *