Breaking News
Home / স্বাস্থ্য কথা / ১৪ দলের সম্বনয়ক,আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জননেতা নাসিম আর নেই

১৪ দলের সম্বনয়ক,আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জননেতা নাসিম আর নেই

১৪ দলের সম্বনয়ক,আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জননেতা নাসিম আর নেই-
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য,১৪ দলের সম্বনয়ক,সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী বর্ষীয়ান জননেতা মোহাম্মদ নাসিম ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রাব্বুল আলামীন নাসিম ভাইকে জান্নাতবাসী করুন, আমিন।
তার মৃত্যুতে রাষ্টপতি এডভোকেট আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,মিডিয়া,বুদ্ধিজীবী,
আইনজীবী ও বিভিন্ন মানুষ শোক জানান।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অবসান ঘটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন আওয়ামীলীগের আরেক উজ্জ্বল নক্ষত্র সাবেক বিপ্লবী ছাত্রনেতা, দূরসময়ের রণতূর্যের সৈনিক, রাজপথের লড়াকু সৈনিক জাতীয় চার নেতার একজন শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর সুযোগ্য সন্তান সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চোদ্দ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আল্লাহ্‌ উনাকে জান্নাত দান করুন আমিন ছুম্মা আমিন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্রেইন স্ট্রোকে সঙ্কটাপন্ন হয়ে উঠেছিল সাবেক মন্ত্রীর জীবন, সেই সঙ্কট আর কাটল না।

নাসিমের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলায় এম মনসুর আলী ও মা মোসাম্মৎ আমেনা মনসুরের ঘরে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মনসুর আলী স্বাধীনতা পরবর্তী বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

নাসিম জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি নেন।

১৯৮৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন নাসিম। তখন সংসদে বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপের দায়িত্বও পান তিনি। তখন তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক।

এরপর ১৯৯৬ ও ২০০১, ২০১৪, ২০১৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান নাসিম। পরের বছর মার্চে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তাকে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নাসিম এক সঙ্গে দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৯ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত। পরে মন্ত্রিসভায় রদবদলে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলেও সেবার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি নাসিমের। তবে পরের মেয়াদে ২০১৪ সালে তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করেন শেখ হাসিনা।

রাজনীতির পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন নাসিম। ঢাকাসহ নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন।
জননেতা মোহাম্মদ নাসিম সম্পর্কে সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামী লীগ উপ কমিটির সদস্য তসলিম উদ্দিন রানা বলেন নাসিম সাহেব জাতীয় নেতা ছিলেন। আগাগোড়া একজন আদর্শিক রাজনীতিবিদ।মুক্তিযুদ্ধে তার ও তার পিতা জাতীয় নেতা ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর ভুমিকা ছিল অতুলনীয়।সব গনতান্ত্রিক, সাম্প্রদায়িক ও স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলনের পুরোধা।আজীবন মানুষ তার অবদানের জন্য স্মরণ করবে।আমরা হারালাম জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান।যা দল ও দেশের জন্য অফুরনিয় ক্ষতি।

Check Also

স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবন ও অর্থনীতি উভয়ই রক্ষা করতে হবে : ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবন ও অর্থনীতি উভয়ই রক্ষা করতে হবে : ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন দৈনিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *