Breaking News
Home / চট্টগ্রাম / কাট্টলীতে লকডাউনের নির্দেশনা না মানায় ১১ ব্যাক্তি ও ৭ দোকানীকে জরিমানা।

কাট্টলীতে লকডাউনের নির্দেশনা না মানায় ১১ ব্যাক্তি ও ৭ দোকানীকে জরিমানা।

কাট্টলীতে লকডাউনের নির্দেশনা না মানায় ১১ ব্যাক্তি ও ৭ দোকানীকে জরিমানা।

কমল চক্রবর্তী চট্টগ্রাম থেকে-     চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এর আওয়াতাধীন ১০ নং উত্তর কাট্টলি ওয়ার্ডে ১৬ জুন দিবাগত রাত ১২ঃ০১ লক ডাউন কার্যকর হয়।লক ডাউন চলাকালীন সময়ে লক ডাউন এলাকার জনসাধারনের বিনা প্রয়োজনে চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও অপ্রয়োজনে বের হওয়ায় ১১ ব্যাক্তিকে ও দোকান খোলা রাখায় ৭ দোকানীকে অর্থদন্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজকের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৮ টি মামলায় মোট ৮,৭০০ টাকা জরিমানা করা হয় ।

আজ বুধবার ১৭ জুন বিকাল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত নগরীর উত্তর কাট্টলিতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ওমর ফারুকের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক জানান, লকডাউন ঘোষনা করা হলে লোকজন সরকারি আদেশ অমান্য করে ও স্বাস্থবিধি না মেনে যেমন- মাস্ক বিহিন অযথা ঘুরাফিরা করছে যার ফলে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়।

তিনি আরও জানান, কিছু ক্ষেত্রে চা এর দোকান সহ গ্রোসারী দোকান খুলে মানুষের ভিড় বাড়িয়ে বেচাকেনা করছে।যার ফলে তাদেরকে এ অর্থদন্ড করা হয়। এবং ভবিষ্যতে দোকান খুলবে না মর্মে সতর্ক করা হয়। আজকের অভিযানে লকডাউন থাকলেও দেখা যায় কিছু মানুষ অহেতুক প্রয়োজনে রাস্তায় ঘুরাফেরা করছে।
পরে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে যৌক্তিক্ত কারন দেখাতে না পারায় ১১ ব্যাক্তিকে অর্থদন্ড করা হয়। দন্ড প্রাপ্তরা হলেন,উত্তর কাট্টলির বাসিন্দা রাকিব হোসেন আব্দুল হালিম,আব্দুল হামিদ, ফারহান, ইমজান,সোহেল,ইব্রাহিম, রফিক মিয়া,বাবলু মিয়া, সিরাজ মিয়া প্রত্যেক কে ২০০ টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়। এছাড়া দোকান খোলা রাখায় ৭ দোকানিকে অর্থদন্ড দেয়া হয়।

মিম স্টোরকে ১ হাজার টাকা, নবি স্টোরকে ১ হাজার টাকা,ইস্পা স্টোরকে ১ হাজার টাকা,লাক্সারি স্টোরকে ১ হাজার টাকা, জামান স্টোরকে ৫০০ টাকা, ফারিয়া স্টোরকে ৫০০ টাকা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখায় অসীম ফার্মেসীকে ৫০০ টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

এছাড়া অভিযান কালে দেখা যায় আসরের নামাজের সময় একটি মসজিদে প্রায় ৪০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করে,ফলে ইমাম ও মুয়াজ্জিন সাহেবকে অনুরোধ করা হয় যাতে,ইসলামি ফাইন্ডেশন নির্দেশ অনুযায়ী ৫ জনের জামাতে নামাজ পড়া হয়। মাইকিং এর মাধ্যমে সবাইকে লকডাউনের বিধি নিষেধ মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়।লকডাউন চলাকালীন সময়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ওমর ফারুক।

Check Also

মেজর সিনহা: চট্টগ্রামের রেঞ্জ ডিআইজি কক্সবাজারে

মেজর সিনহা: চট্টগ্রামের রেঞ্জ ডিআইজি কক্সবাজারে ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান খান: সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *