Breaking News
Home / অন্যান্য / এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী’র সাক্ষাৎকার

এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী’র সাক্ষাৎকার

এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী’র

সাক্ষাৎকার

বিশিষ্ট আইনজীবী কানিজ কাউসার চৌধুরী। চট্টগ্রাম আদালতের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী ও সাবেক এ.জিপি । তিনি সরকারি লিগ্যাল এইড, জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি ও BLAST এর প্যানেল ল’,ইয়ার। জাতীয়তাবাদী মহিলা প্যানেল লিগ্যাল এইড চট্টগ্রামের টিম লিডার। তিনি ফেমা নির্বাচন পর্যবেক্ষন সংস্হার সদস্য ছিলেন। বতর্মানে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম চট্টগ্রামে র সদস্য৷ এবং কাট্টলী নুরুল হক চৌধুরী সরকারি প্রাইমারী স্কুলের সহ – সভাপতি । এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী’র সাক্ষাৎকার নিলেন এম. এইচ সোহেল।
দেশবার্তা: আপনার আইন পেশা কখন থেকে শুরু?
কানিজ কাউসার চৌধুরী : আমি ২৯/১/২০০২ ইং তারিখ আইনজীবী হিসেবে তালিকা ভুক্ত হয়। নিয়মিত প্র্যাকটিস করছি ১৯ বছর হতে চলল।#দেশবার্তা: আপনার আইনজীবী হওয়ার প্রেরণা কিভাবে আসল?কানিজ কাউসার চৌধুরী: আইনজীবী হবার ব্যাপারে উৎসাহ পুরোটাই আমার আব্বা ও আম্মার। আমার আব্বার চাচা চট্টগ্রামে র ১ ম মন্ত্রী ( স্বরাষ্ট্র ও সংখ্যালঘু মন্ত্রী) জনাব নুরুল হক চৌধুরী ছিলেন হাইর্কোট বারের সভাপতি, আব্বা ওনার কথা বলে উৎসাহ দিতেন। আমাদের বাড়ীতে সাথে নানার বাড়ী তে মেয়েদের মধ্যে আমি ই প্রথম এ পেশায়। বাবা- মায়ের আগ্রহে এ পেশায় আসা। পরর্বতীতে হাজবেন্ডের উৎসাহ ও সহযোগিতা এখনো রয়েছে।

দেশবার্তা : আপনি লিগ্যাল এইড,BLAST, জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সাথে জড়িত। এই সংগঠন গুলোর সাথে অনেক দিন যাবৎ কাজ করেছে, অভিজ্ঞতা সসর্ম্পকে বলুন?
কানিজ কাউসার চৌধুরী: আমি সরকারি লিগ্যাল এইড, BLAST , জাতীয় মহিলা আইনজীবি সমিতির সাথে কাজ করছি। তাছাড়া আমি ২০০৭- ২০০৯ তও্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এ.জি.পি ছিলাম। এ.জি.পি নির্বাচিত হওয়া নিয়ে বেশ অন্যরকম অভিজ্ঞতা আছে। আমার সিনিয়র এডঃ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী বর্তমান বার কাউন্সিল সদস্য ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত জিপি ছিলেন। স্যারের এসোসিয়েট হিসেবে প্রচুর কাজ করার সুযোগ স্যার দিয়েছেন।স্যারের ছেলে চিকিৎসা র জন্য যার দেশের বাইরে থাকা কালিন আমরা সরকারি কাজ সহ অন্যান্য কাজ করছিলাম। সেই সূত্রে জেজা জজ আদালতে নিয়মিত ভাবে শুনানিতে অংশগ্রহন করার বিশাল সুযোগ পাই। স্যারদের সময় দেখেছি ৮থেকে ১০ বছর প্র্যাকটিস না থাকলে এ.জি.পি করা হতো না।রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে জিপি,এ.জিপি পরিবর্তন হয়।।সে সময় জেলা জজ ছিলেন বর্তমানে মহামান্য হাইকোর্টের বিচার পতি বশিরউল্লা স্যার। একদিন কোর্টে ২ জন সিনিয়র জানালেন বশিরউল্লা স্যার আমার প্র্যাকটিস সম্পর্কে ওনাদের কাছে জানতে চেয়েছেন। চেম্বারে এসে দেখি জেলা জজ স্যারের সেরেস্তা থেকে একজন এসেছেন, আমার যেন একটা বায়োডাটা রেডি করে জমা দেওয়া হয়। সবচেয়ে মজার ব্যপার তখন সবাই স্বইচ্ছায় বায়োডাটা জমা দিচ্ছিলো। আমি সহ মাএ ১০ জন এ.জিপি নির্বাচিত হয় এবং সিনিয়র কুদ্দুস স্যার জিপি হন। জিপি, পিপি এগুলো পলিটিকাল পোস্ট , তার বাইরে থেকে নির্বাচিত হওয়ার এবং আব্বা মৃত্যুর আগে তা দেখে যাওয়ায় তা আমার কাছে স্মরণীয় । বশির উল্যা স্যার কখনো ধন্যবাদ দেওয়া র সুযোগ হয় নি, আজ এ মাধ্যমে স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।সরকারি লিগ্যাল এইডের কাজের জায়গা অনেক ব্যাপক। এ মুর্হুর্তে আমি প্রাইভেট মামলা বাদ দিয়ে শুধুমাএ সরকারি লিগ্যাল এইডে আমার চলমান মামলা আছে ১০০ ওপর। দেনমোহর , ভরনপোষণ , অভিভাবকত্ব এবং দেওয়ানী মামলা সরকারি লিগ্যালএইডের মাধ্যমে পরিচালনা করছি। সরকারি লিগ্যাল এইড কর্তৃপক্ষ আমার প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখেছে। লিগ্যাল এইডের ১ টি মামলার বিবাদী ছিলেন চট্টগ্রামে এর এক প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকতা। তিনি বাদীনিকে নানা ভাবে হয়রানি করেছেন , দিনশেষে আল্লাহ রহমতে আমি মামলায় জয় লাভ করি এবং ২২ লক্ষ টাকার ডিক্রি বাদীনির অনুকূলে পায়। তেমনি আরেকটি মামলা যা কাবিন নামা ছিল না, বিবাহিত জীবন ছিলো ২৪ বছরের উপরে সেটি প্রমান করতে সক্ষম হয়। BLAST এর এক সময় অনেক বেশী কাজ ছিলো। বর্তমানে তাঁরা ৪০ পারসেন্ট মামলা লিগ্যাল এইডে পাঠিয়ে দেয়। তাই তাদের মামলা অনেক কমে গেছে,
BLAST এর পক্ষে এক মামলায় হিন্দু বাক প্রতিবন্দী শিশুর ভরণপোষণ আদায় একটি উল্লেখ যোগ্য ঘটনা। জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি র পক্ষে ২০০৩ সালে ফটিকছড়িতে একটি তদন্ত টিমের প্রধান হিসেবে তদন্ত করা আমার জীবনের অনেক উল্লেখ যোগ্য ঘটনা । তখন আমার প্রফেশন শুরুর দিক। রুমি আত্মহননের ঘটনা তখন চট্গ্রামে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। চাচা নানা ভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করায়, এ অসহায় মেয়েটি আত্মহনন করে। ঐ তদন্তের জন্য আমাদের ফটিকছড়ি তে যেতে হয়, ভিকটিমের পরিবারের সাথে, আসামীর পরিবার, থানা, এলাকাবাসী র সাথে কথা বলতে হয়। সেই তদন্ত রির্পোটের ওপর ভিওি করে মহিলা আইনজীবী সমিতি মামলা পরিচালনা করে। এটি আমার জীবনের স্মরণীয় স্মৃতি হয়ে থাকবে।
দেশবার্তা: আপনি অনেক পুরষ্কার পেয়েছেন,এই বিষয় কিছু বলুন?
কানিজ কাউসার চৌধুরী: আল্লাহ র দরবারে শুকরিয়া , আমি গরীব ও অসহায় মানুষের মানুষের মামলা পরিচালনা র স্বীকৃতি স্বরূপ মহত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক পদক, মাদার তেরেসা পদক, একুশ স্মৃতি সংসদ ঢাকা, কর্তৃক একুশে স্মৃতি সম্মাননা , বাংলাদেশ নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কল্যান সমিতি ঢাকা কর্তৃক আলোকিত নারী’২০ সম্মাননা লাভ করি।
দেশবার্তা ; ভার্চুয়াল কোর্ট নিয়ে আপনার অভিমত?
কানিজ কাউসার চৌধুরী;
ভার্চুয়াল কোর্ট কোন স্হায়ী ব্যবস্হা হতে পারে না। এটি মাএ ৫ পারসেন্টের ও কম আইনজীবী সম্পৃক্ত । বিচাপ্রার্থীর কথা বিবেচনা করে এবং ৯৫ ভাগ আইনজীবি র কথা বিবেচনা করে , সপ্তাহে অন্তত ২/৩ দিন নিয়মিত আদালত চালু করা দরকা।

দেশবার্তা : আপনি সমাজসেবার সাথে জড়িত,সে সসর্ম্পকে কিছু বলুন?
কানিজ কাউসার চৌধুরী: ( আলহামদুলিল্লাহ , আমার আব্বার নামে আমাদের একটি ট্রাষ্ট আছে। ভাষা সৈনিক বদিউল আলম চৌধুরী ট্রাষ্ট।২০০৭ সাল থেকে এর ট্রাষ্টের কার্যক্রম চলছে। এ ট্রাষ্টের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামে বেশ কিছু স্কুলে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃওি দিয়ে আসছি। এ

Check Also

কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতা মুহাম্মদ বদিউল আলমের নামে ফেইক আইডির প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা

কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতা মুহাম্মদ বদিউল আলমের নামে ফেইক আইডির প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা তসলিম উদ্দিন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *