Breaking News
Home / চট্টগ্রাম / অধিকমূল্যে পণ্য বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন;ভ্রাম্যমান আদালতের ২৩ হাজার টাকা জরিমানা

অধিকমূল্যে পণ্য বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন;ভ্রাম্যমান আদালতের ২৩ হাজার টাকা জরিমানা

অধিকমূল্যে পণ্য বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন;ভ্রাম্যমান আদালতের ২৩ হাজার টাকা জরিমানা

অধিকমূল্যে পণ্য বিক্রি যেন থামছেই না। সেই সাথে চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের অভিযানে বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়া অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি ও বেকারি পণ্য উৎপাদন করা ও অধিকমূল্যে পণ্য বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা।

আজ শনিবার ০৪ জুলাই সকাল ১০ টা থেকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরীর নেতৃত্ব ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন ১২ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন জানান, পাহাড়তলী এলাকায় আম্মান বেকারি ও ইলিয়াস বেকারির কারখানায় গিয়ে দেখা যায় বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়া অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি ও বেকারি পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে আম্মান বেকারিকে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা ও ইলিয়াস বেকারিকে ৩,০০০( তিন হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এসময় বিক্রেতা এবং কর্মীদের স্বাস্থ্য বিধি মেনে ও বিএসটিআই এর অনুমোদন সাপেক্ষে খাদ্য উৎপাদনের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

অন্যদিকে নগরীর কাজীর দেউড়ি বাজারে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয় ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী জানান, আজকের অভিযানে কাজীর দেউড়ি বাজারে গিয়ে দেখা যায় দোকানে মূল্য তালিকা নেই। আবার মূল্য তালিকায় প্রদর্শিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে পন্য বিক্রি করছে। মুল্য তালিকার অতিরিক্ত দামে আদা, রসুন বিক্রি করায় মেসার্স রুবেল স্টোর ও মেসার্স ইলিয়াস স্টোরকে ৫,০০০(পাঁচ হাজার ) করে মোট ১০,০০০ (দশ হাজার ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এছাড়া করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বাজারে আগত ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সচেতন করা হয়।

জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী ।

Check Also

মেজর সিনহা: চট্টগ্রামের রেঞ্জ ডিআইজি কক্সবাজারে

মেজর সিনহা: চট্টগ্রামের রেঞ্জ ডিআইজি কক্সবাজারে ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান খান: সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *