Breaking News
Home / শিক্ষা / সাক্ষাৎকারঃ দুর্দান্ত ছয় গোয়েন্দা লেখক নাসিরুল আলম গণি’র

সাক্ষাৎকারঃ দুর্দান্ত ছয় গোয়েন্দা লেখক নাসিরুল আলম গণি’র

সাক্ষাৎকারঃ দুর্দান্ত ছয় গোয়েন্দা লেখক নাসিরুল আলম গণি’র

নাছিরুল আলম গণি গোয়েন্দা উপন্যাস লেখক। তার জনপ্রিয় গোয়েন্দা সিরিজ ‘দুর্দান্ত ছয় গোয়েন্দা’ পাঠক প্রিয়তা পেয়েছে। নাসিরুল আলম গণি চট্টগ্রাম জেলা পটিয়া থানাধীন হরিন খাইন গ্রামে গনি পরিবারে জন্মগ্রহণ। ১৯৮৭ সালে স্বাধীন পত্র লেখক সংঘ (স্বাপলেস) এর প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৩সালে বই মেলায় প্রকাশিত ভৌতিক লজিক গল্পগ্রন্থ স্বপ্ন ছায়া।
তিনটি বই প্রকাশিত হয়েছে। চতুর্থ নিখোঁজ উপন্যাস সহ নির্বাচিত গোয়েন্দা সমগ্র আগামী বইমেলায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।

নাসিরুল আলম গণি এর সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এম. এইচ সোহেল।

দেশ বার্তাঃ আপনার গোয়েন্দা সিরিজ লেখার আগ্রহ কিভাবে আসলো?

নাসিরুল আলম গণিঃ আমার ছোটকাল থেকে অজনা বিষয় জানার আগ্রহ বেশি ছিল, রহস্য গল্প, গোয়েন্দা কাহিনী পড়তে ভালো লাগতো। এইভাবে গোয়েন্দা সিরিজ লেখার আগ্রহ সৃষ্টি হয়।

দেশ বার্তাঃ আপনার দুর্দান্ত ছয় গোয়েন্দা সিরিজ সর্ম্পকে বলুন?

নাসিরুল আলম গণিঃ
দুর্দান্ত ছয় গোয়েন্দা ১ম খন্ড ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়।অপহরিত ঘটনা নিয়ে কাহিনি গড়ে উঠেছিল রামেন্দ্রপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।খুদে গোয়েন্দার দল তাদের দুরদর্শীতা ও দুঃসাহসীকতায় অপহরিত স্থান শনাক্ত করে গোয়েন্দা বিভাগের সমন্বয়ে অপহরিত প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে।তাদের মাঝে রামেন্দ্রপুর হাই স্কুলের দপ্তরি আবদুল মতিন ও গ্রেফতার হয়।আবদুল মতিন জামিনে মুক্তি পেয়ে তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিল।তার ধারাবাহিকতায় দুর্দান্ত ছয় গোয়েন্দার দ্বিতীয় খন্ড খুনের রহস্য অভিযান প্রকাশিত হয়।কাহিনি গড়ে উঠেছে দপ্তরি আব্দুল মতিন তার বাড়ির নিকটতম স্থানে আম গাছের নিচে আমগাছের ডাল ভাংগাসহ রাতের অন্ধকারে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকে।সকাল বেলা এলাকাবাসী দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায় এবং রামেন্দ্রপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করে।প্রধান শিক্ষক আবদুল মতিনকে আমগাছের ডাল ভাঙা দিয়ে বারি মেরে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করে।এদিকে ময়না তদন্তের পূর্বে সুরুতহাল রিপোর্টে আব্দুর মতিনের মাথার উপরিভাগে ছুরিকাঘাতে অধিক রক্ত ক্ষরনের তার মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় দৈনিক আজাদী পত্রিকায় প্রকাশিত হলে খুদে গোয়েন্দার দল আবারো মাঠে নামে(নেপথ্য খুনির) খুনের রহস্য উদঘাটন অভিযানে।কিভাবে অজ্ঞাত ব্যক্তি খুনিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে প্রধান শিক্ষককে নির্দোষ প্রমান করে মুক্ত করে তারই কাহিনি অবলম্বনে এই দুর্দান্ত লোম হর্ষক কিশোর উপন্যাস।
প্রচ্ছদ- নিয়াজ চৌধুরী তুলি।
প্রকাশক – মঈন মুরসালিন প্রতিভা প্রকাশক।মঈন মুরসালিন প্রতিভা প্রকাশ ২০১৮ সালে প্রকাশিত হয়।দুর্দান্ত ছয় গোয়েন্দা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বাংলাদেশের সকল বই মেলায় পাঠক প্রিয়তা পায়।

দেশ বার্তাঃ নতুন কি লিখছেনঃ
নাসিরুল আলম গণিঃ দুর্দান্ত ছয় গোয়েন্দা তৃতীয় সিরিজ “নিখোঁজ কিশোর উপন্যাস” ভিন্নধারার কাহিনী অবলম্বনে রহস্যময় সিরিজ লেখা চলছে।আগামী বইমেলায় নাছিরুল আলম গনির নির্বাচিত গোয়েন্দা সমগ্র প্রকাশ হতে যাচ্ছে।

দেশ বার্তাঃ আপনার প্রিয় গোয়েন্দা লেখক কারা?
নাসিরুল আলম গণিঃ আমার প্রিয় গোয়েন্দা লেখক : মাসুদ রানা ও ফেলুদা

Check Also

বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ আহমদ ছফার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ আহমদ ছফার মৃত্যুবার্ষিকী আজ টি রানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ “একটা মানুষের মধ্যেই গোঁজামিল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *