Breaking News
Home / জানা অজানা / একজন সফল সমাজ সেবক ও মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি’র গল্প।

একজন সফল সমাজ সেবক ও মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি’র গল্প।

একজন সফল সমাজ সেবক ও মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি’র গল্প।

মোহাম্মদ মনির উদ্দিন মান্না :-
একটি গল্প দিয়েই আজকের লেখাটা শুরু করতে চাই
– ‘খুব ছোট্টবেলা থেকে লেখাপড়ায় ভাল, ধর্মকর্মে বিশ্বাসী, নীতি ও আদর্শে অবিচল এক চটপটে মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি । কথা খুব কম বলে, আচার আচরণে খুব মিষ্টি। বাবা-মায়ের প্রতি যেমন শ্রদ্ধাশীল তেমনি সমাজের ছোট-বড় সকলের কাছে সম আদরের। তার মা সব সময় সামনে এগিয়ে যাওয়ার গল্প শোনায়। আর সেই পথের সন্ধানে নিরবে কাজ করে যায় মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি। সবাই ভাবে ছেলেটি একদিন বিখ্যাত কিছু হবেই। সত্যি সত্যিই সকলের ভালবাসাকে মূল্য দিতে গিয়ে একদিন নিজেই ঠিক করে নেয় জীবনে কী হবে ? হতে চায় সমাজ বদলের নায়ক। অবাক সকলেই-সবাই। মানুষ হতে চায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা এই মানের কোন পদবির সদস্য। সমাজ বদলের কারিগর হওয়ার গল্পটাতো নতুন। হ্যাঁ মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি হতে চায় সমাজ বদলের কারিগর। এটি আবার কী ? পাঠক হয়ত এতক্ষণে আমার উপর মহা বিরক্ত। এই কোন আত্ন বিশ্বসের গল্প।তাহলে পড়ুন একজন সফল সমাজ সেবক ও মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি’র গল্প।
চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলায় একজন সফল সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে উঠেছেন। এলাকার সর্বত্রই এখন আলোচনা এই সমাজসেবককে নিয়ে। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আয়ের অর্থ দিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখ-দূর্দশা লাঘবে কাজ করে যাচ্ছেন।

মীরসরাই উপজেলার ২নং হিংগুলী ইউনিয়ের জামালপুর গ্রামের প্রয়াত দানবীর হাজী শাহ আলম ও মমতাময়ী নারীবাদ সুখিনা বেগমের সুযোগ্য বড় সন্তান
মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি।
ছোট বেলার বাবার ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন। পরে তিনি বাবার সহযোগীতায় নিজেই বিশাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়ে ব্যবসায় পরিচালনা করে আসছেন। এই সমাজ সেবক ছেলেবেলা থেকেই ছিল পরোপকারী। প্রতীবেশীর দূক্ষ-দূর্দশা দেখে তার মন কেঁদে উঠতো। তিনি সবসময় ভাবতেন প্রতিবেশী অসহায় মানুষদের নিয়ে। নিজের খাবার একজন ক্ষুধার্ত মানুষের হাতে তুলে দিয়ে তিনি তৃপ্তি পেতেন। এজন্য অবশ্য ছেলে বেলায় মা-বাবার অনেক বকুনি খেতে হয়েছে তাকে। ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার পর তিনি সংকল্প করেন। সাধারণ মানুষের সেবা করার। তাই ব্যবসায়ের প্রতিদিনের লাভের টাকার অর্ধেক জমা রাখেন সাধারণ মানুষের সেবায় বিলিয়ে দেবার জন্য।
একজন সমাজ সেবক হিসেবে এলাকায় মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি বিশেষ পরিচিতি লাভ করছেন। তিনি তার এলাকায় একজন সৎ, ন্যায়, নীতিবান, উদার সমাজ সংস্কারক হিসেবে সর্বোপরিচিত। ছাত্র জীবন থেকে তিনি অসহায় সহজ সরল ও দুঃখী মানুষের পাশে থেকে মানব সেবায় অভ্যস্ত ছিলেন।শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নই সুশীল সমাজ, তরুন-নবীন, যুব-প্রবীণ সমাজে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সুনাম। সমাজ সেবক ও একজন সফল ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি সামাজিক অবক্ষয় রোধ ও সমাজ সেবায় তৎপর রয়েছেন। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল, এতিমখানা ও মিসকিনদের আর্থিকভাবে তিনি সাহায্য করে থাকেন।মাদক থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখতে মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী সকল আবদার মিটিয়ে ইতি মধ্যে মাদকমুক্ত বিশাল তরুণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছেন।

এছাড়াও এলাকার তরুন ছেলেদের ফুটবল খেলায় সহযোগিতাসহ ক্রীড়াঙ্গনে রয়েছে তার বিশেষ অবদান। জনহিতৈশী, জননন্দিত, সহজ সরল, শান্ত সদা হাস্যময়, ভদ্র স্বভাব সুলভ আচরনের এ ব্যক্তিটি ঘুণে ধরা সমাজকে উন্নয়নের পথে আনতে চায়। এলাকার সচেতন মানুষদের সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, চুরি, ডাকাতি, মাদক, নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ ইভটিজিং রোধে সব সময় তিনি সোচ্চার।

মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি
একজন সৎ ও ন্যায় নিষ্ঠাবান ব্যক্তি, পর অর্থ লোভী নয়। সকলের সহযোগিতা নিয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ সহ গরীব, দুস্থ্য ও অসহায়দের পাশে থেকে সব সময় সহয়োগিতা করতে চান তিনি।
এই সমাজ সেবক নিজ এলাকার মানুষের গৃহহীন মানুষের মাঝে ঘর বিতরণ, বিদ্যালয়ের অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে মাঠ্যবই কিনে দেওয়া, নিজ খরচে ডাক্তার এনে এলাকার মানুষের চিকিৎসার জন্য ক্যাম্প করে চিকিৎসা দেওয়া, প্রাকৃতিক দূর্যোগের পূর্বাভাষ শুনে ঘরে ঘরে শুকনা খাবার বিতরণ সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন এই সমাজসেবক।
এ ব্যাপারে সমাজ সেবক ও মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি এর সাথে আলাপ হলে তিনি বলেন- মানুষ আল্লাহর সৃষ্টির সের জীব। আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) আমরা তাকে মানি অথচ তার পথকে অনুসরণ করিনা। আমাদের নবীও আটার বস্তা কাধে নিয়ে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে খাদ্য বিলিয়ে বেড়াতেন। আমি তার অনুসারী হয়ে কেন মানুষের সেবায় এগিয়ে আসবোনা। মহান আল্লাহ আজ যেটা আমাকে দিচ্ছেন তাহা আমার একার নয়। আমার প্রতিবেশী ও এলাকার মানুষও তার দাবীদার। আমি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রতিনি যে টাকা লাভ হয় তার অর্ধেক টাকা গরীব-দূঃখী মানুষের সেবায় ও এলাকার উন্নয়নে ব্যয় করে আসছি। আমার দ্বারা যদি অন্যের কোন উপকার হয় বা আমি সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে পারি তাহাই হবে আমার পরোপারের পাওয়া।
তোমরা যারা শিক্ষার্থী তাদের নিয়ে আমি গর্বিত। বাংলাদেশের সফল উদাহরণের মধ্যে আমাদের মাঝে উপস্থিত হন নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূচ। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের ধারাবাহিকতা যদি পরিবার থেকে শিক্ষার্থীকে জানানো হয় তাহলে শিক্ষার্থী মহান এই মানুষটির আর্দশ ও প্রেরণা গুলোকে তার নিজের জীবনের সাথে এক করে পরবর্তী জীবনে সে পথ চলতে শুরু করবে। এই একই অর্থে যেকোন সফল মানুষকে শিক্ষার্থীর পাঠ্যসূচির অংশ হিসাবে আসলে শিক্ষার্থী অবশ্যই তার জীবনকে সেইভাবেই তৈরী করার ক্ষেত্রে অধিক মনোসংযোগ করতে পারবে। ড. মুম্মদ ইউনূচ দারিদ্রকে যাদুঘরে পাঠাতে চান, দেশ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি চিরতরে দূর করতে চান। সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে তিনি সমাজকে বদলে দিতে চান। এগুলো তিনি দিনে দিনে কিভাবে করবেন, এটি একজন আদর্শ শিক্ষার্থীর জন্য প্রেরণা হয়ে দেখা দিতে পারে।

২য় অংশ

সেই ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে এই বিষয়গুলোর সাথে এক করে দিতে পারলে জীবনের শুরুটা সে ঠিক এইভাবে গড়ে উঠতে সক্ষম হবে। এখানেই সমাজ বলেন আর পরিবার বলেন উভয় স্বার্থক হবে।
প্রতিদিন শিক্ষার্থীকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করতে হবে। ছাত্রজীবন থেকে কর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে, মনোসংযোগ ঘটাতে হবে দায়িত্বের প্রতি। তবেই আস্তে আস্তে তুমি সফল হওয়ার প্রতিটি পথ পেরুতে পারবে।নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে নিজেকে সময় দিতে হবে, আত্নবিশ্বাসী হতে হবে। আত্নবিশ্বাসী হলে কর্মক্ষেত্রে বা পরিবারে উভয় স্থানে সমানভাবে সুযোগ পাবে। আমার ব্যক্তিগত সাহস নাই, আমি দৃঢ়তার সাথে সব কাজ করতে পারি না অথচ অন্যকে দোষ দিই। এই ক্ষেত্রে আমার সামাজিক উন্নয়ন তো সম্ভব না বরং সমাজের জন্য আমি হয়ে উঠব একটি বিপদ হিসাবে এই বিষয়টিও আমাদের ভাবতে হবে। উচ্চতর ডিগ্রী শুধু একজন মানুষের মূল সফলতা নয়-চাই আত্নপ্রত্যয়ী হওয়ার সুযোগটাও তাহলে কেবল একজন মানুষের জীবনের প্রতিটি কাজ হবে সুন্দর নিজেকে সফল মানুষ হিসাবে দাবি করা সম্ভব হবে।

Check Also

সম্পাদকীয়ঃ বঙ্গবন্ধুর শেষ গোসল ও দাফন!

বঙ্গবন্ধুর শেষ গোসল ও দাফন! সম্পাদকীয়ঃ বঙ্গবন্ধুর গায়ে ১৮টি গুলি লেগেছিল তবে মুখে কোন গুলি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *