Breaking News
Home / জাতীয় / চন্দনাইশ দোহাজারীতে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন

চন্দনাইশ দোহাজারীতে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন

চন্দনাইশ দোহাজারীতে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন
কক্সবাজারসহ সারা বাংলাদেশের প্রত্যশা কক্সবাজার-ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রেলমন্ত্রী এড. নুরুল ইসলাম সুজন এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন দোহাজারী-কক্সবাজার-ঘুমধুম রেললাইন। প্রকল্পের মেয়াদের মধ্যে ২০২২ সালের জুন-জুলাই মাসে রেললাইনের কাজ সম্পন্ন করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, যেহেতু ২০২৩ সালে জাতীয় নির্বাচন, সে হিসেবে যে কোন কিছুর বিনিময়ে রেললাইন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এ রেললাইন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সাথে সারা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন ঘটবে। জমি অধিগ্রহণের সম্পূর্ণ টাকা রেলমন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকদের একাউন্টে জমা হয়েছে। জমির মালিকদের মধ্যে জটিলতার কারণে মামলা হওয়ায় যে সামান্য সমস্যা রয়েছে, তা মিঠে যাবে। দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০২ কি. মি. এ রেললাইনের কাজ ইতিমধ্যে ৪৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণ কাজ শেষ হলে পাল্টে যাবে দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ কক্সবাজারের চিত্র। অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটবে এসব এলাকায়। গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর বিকালে দোহাজারী-কক্সবাজার ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্যেশে তিনি উল্লেখিত কথাগুলো বলেছেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, রেলমন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দক্ষিণ আফরাজুল হক টুটুল, সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা) মফিজ উদ্দীন, থানা অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন সরকার, উপ-পরিচালক মো. সেলিম উদ্দিন, উপ-পরিচালক সৌরভ দাশ, তমা গ্রæপের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিক ভ‚ঁইয়া, প্রকল্প পরিদর্শন টিমের সদস্য স্টীম লেনসিনা, এ.এম.এম খসরু, তমা গ্রæপের প্রজেক্ট ম্যানেজার বিমল চন্দ্র সাহা, সহকারী ম্যানেজার নাজমুল হোসেন, ব্রিজ-কালভাট প্রকল্পের জিএম উদয়ন চক্রবর্তী, চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ, দোহাজারী পৌর আ’লীগের সভাপতি আবদুস শুক্কুর, কৃষকলীগ নেতা নবাব আলী, মেম্বার জামাল উদ্দিন, শাহ্ আলম প্রমুখ।
উল্লেখ্য যে, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ডুয়েল গেজ রেললাইনের কাজ ইতিমধ্যে ৪৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ৬৭ ব্রিজ-কালভাটের সাথে লেবেল ক্রসিংয়ের কারণে ২৬ টি আরও যুক্ত হয়েছে। ২১টি আন্ডার পাসের সাথে আরও ২টি সংযুক্ত হয়েছে, ১৯টি ব্রীজের মধ্যে দোহাজারী রেল ব্রীজসহ ১৫ টি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৫টি রেল স্টেশনের মধ্যে দোহাজারী, সাতকানিয়া, দোহাগাড়া, হারবাং চকরিয়া মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে, ভবন নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে ২৫ মার্চ থেকে আগষ্ট মাস পর্যন্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। এ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে সহ¯্রাধিক প্রকৌশলীর পাশাপাশি ৩ সহ¯্রাধিক জনবল কাজ করে যাচ্ছে। জীববৈচিত্র রক্ষার জন্য রেললাইনের উভয় পাশে বৃক্ষরোপনের পরিকল্পনা রয়েছে। জমি অধিগ্রহণের মধ্যে অনেকে ক্ষতিপুরণ না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পিজিসি, পিডিবি,আরইবি’র লাইনের কাজ তেমন এগিয়ে যায়নি। তবে আরইবি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অংশে ৪০ শতাংশ শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

Check Also

প্রবীণ রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরাইশি আর নেই

প্রবীণ রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরাইশি আর নেই টি রানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ বিশিষ্টসাংবাদিক, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *