1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News Editor : News Editor
আদর্শিক ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির প্রবাদপুরুষ ছিলেন লায়ন এম শামসুল হক - তসলিম উদ্দিন রানা - DeshBarta
রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ায় সমাজসেবক নিপুর চৌধুরীর উদ্যোগে হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ পটিয়ায় মহিরা গ্রামের তরুন সমাজকর্মী জুয়েল সরকার এর অকাল মৃত্যুতে শোকসভা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী মোহাম্মদ সেলিমের মাতা’র ইন্তেকাল প্রেমের টানে কিশোর কিশোরী পালানোর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে. সংসারের হাল ধরতে অটোরিকশা চালায় শিশু জিসান সিএসটিআই ক্যাম্পাসে চপই, বিকেটিটিসি ও এমটিটিসি শিক্ষক মন্ডলীগনের অংশগ্রহনে মতবিনিময় সভা সম্পন্ন এক্সল প্রপার্টি লিমিটেড ও এসএসসি ৯৪ ব্যাচ এর মধ্যে আবাসন খাতে যৌথ চুক্তি স্বাক্ষর। ইউনিয়ন অফ এসএসসি ৯৪ বাংলাদেশ গ্রুপের হাঁস পার্টি আয়োজন ৭০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হচ্ছে দুই মেগাপ্রকল্পের কাজ বলিউডে অভিষেকের আগেই নতুন প্রস্তাব শেহনাজকে

আদর্শিক ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির প্রবাদপুরুষ ছিলেন লায়ন এম শামসুল হক – তসলিম উদ্দিন রানা

  • সময় বুধবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৬৬ পঠিত

আদর্শিক চেতনার ধারক ও বাতিঘর ছিলেন লায়ন শামসুল হক।স্বাধীনতা যুদ্ধে ও ৭৫ এর পরবর্তী তার অবদান অনস্বীকার্য।লায়ন শামসুল হক ছিলেন একজন আপদমস্তক রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক। তিনি ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে পদায়ন করেন।পটিয়ার ঐতিহ্যেবাহী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মেধাবী,আদর্শিক,সাংগঠনিক দক্ষতা, সমাজসেবক ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে চট্রগ্রাম জেলায় একজন অকুতোভয় বীর ছিলেন।চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি,সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,সাংগঠনিক সম্পাদক,সদস্য,পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি,জিরি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি,ফিরিঙ্গি বাজার ওয়ার্ড এর সাধারণ সম্পাদক ,চট্রগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য,কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন।

১৯৪৮ সালে ১ জানুয়ারী চট্রগ্রাম জেলা পটিয়া উপজেলা জিরি ইউনিয়ন কৈয়গ্রাম গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আহমদ হোসেন পোষ্টমাষ্টার ও মাতা মরহুমা চেমনা খাতুন।সরকারি মুসলিম হাই স্কুল থেকে এসএসসি, চট্রগ্রাম কমার্স কলেজ থেকে এইচএসসি,৬৮ সালে ডিগ্রি পাস করেন।পরে এলএলবি ভর্তি হয়ে শেষ করতে পারেননি।সরকারি মুসলিম হাই স্কুলে ১০ ম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালীন ৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলন করতে পুলিশ কর্তৃক নির্যাতন কারাভোগ করেন এবং ২ টি মামলার আসামি হন। স্কুল ছাত্রলীগের মাধ্যমে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে প্রথমে কারাভোগ করেন।পরবর্তী চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হয়ে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের পুরোধা ছিলেন।ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদান অনস্বীকার্য। ৬৯ গণ আন্দোলনে তিনি অসীম সাহসীকার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৯ সাল থেকে দল ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেও লায়ন এম শামসুল হক কখনো ক্ষমতার সাধ গ্রহণ করেনি।আজীবন বিরোধী দলের নেতার মত আদর্শ চেতনার মশাল জ্বেলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসাবে রাজপথে কাজ করেছেন। নিভৃত ও নীরবে ক্ষমতার বাইরে থেকেও নেতাকর্মীদের সাথে সম্পর্ক অটুট রেখে কাজ করেছেন। দলের প্রতি অভিমান থাকলেও কখনো তা প্রকাশ করেনি।কারো বিরুদ্ধে তার অভিযোগ ছিলনা এমনকি ক্ষমতার স্বাদ নেওয়ার জন্য অনেকে তাকে বললেও তিনি এড়িয়ে যেত।নিজে জীবনে কখনো ক্ষমতার স্বাদ পায়নি। ক্ষমতায় যখন একশ্রেণির লোক
নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত তখন লায়ন এম শামসুল হক তা পছন্দ করতেন না।ক্ষমতায় হাইব্রিড,দলচ্যুত ও
ব্যবসায়ীরা যখন হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা ন্যায় ব্যস্ত তখন আদর্শিক ও পরিচ্ছন্ন নেতা লায়ন এম শামসুল হক সাহেব ছিলেন নির্লোভ নিরহংকার মানুষ।তাকে অনেক লোক লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন রকমের কথা বললেও তিনি তা শুনত না এমনকি তাদেরকে সরাসরি এড়িয়ে যেত।

বঙ্গবন্ধু প্রেমিক ও আদর্শিক চেতনার ধারক ছিল বলে তিনি কিছুই করতে পারিনি। সারাজীবন দলের দুঃসময়ে কাজ করলেও দলের থেকে বিন্দু পরিমাণ কিছুই পায়নি এমনকি দলের মনোনয়ন পায়নি বলে অভিমান করে রাজনীতি থেকে সরে যায়।কেউ তাকে বিন্দু পরিমাণ অন্যায় কাজে জড়িত করতে পারিনি। সারাজীবন দল ও মানুষের জন্য রাজনীতির করে যান লায়ন এম শামসুল হক।
১৯৬৯ সালের দিকে চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু এক জনসভায় যোগ দেওয়ার জন্য আসলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জানে আলম দোভাষের বাড়িতে অবস্থান নেন।জননেতা এম এ আজিজ,জহুর আহমেদ চৌধুরী, এম এ হান্নান,ডাঃ মান্নান, আতাউর রহমান খান কায়সার রুমে ছিলেন সেই সময় আমার বন্ধু বদিউল আলম দোভাষের সাথে বঙ্গবন্ধুর রুমে ঢুকে ছিলাম তখন বঙ্গবন্ধু আমাদের দুজন দেখে বললেন ওরা কারা।তখন জননেতা এম এ হান্নান বলেন ভাষাসৈনিক ড.মাহাফুজুল হকের ভাই শামসুল হক ও
বদিউল আলম জানে আলম দোভাষের ভাই।ততক্ষণে বঙ্গবন্ধু বললেন কোন মাহাফুজ তখন হান্নান সাহেব বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৪ সালে হেলিকপ্টার এক্সিডেন্ট মারা যাওয়া মাহাফুজ তখন বঙ্গবন্ধু বলেন ড.মাহাফুজ ভালো বক্তা ছিলেন,তার সাথে তোমার চেহারার মিল নাই।তখন শামসুল হক বলেন আমি আমার পিতার মত কালা হয়েছি বড় ভাই মায়ের মত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু আমাকে জিজ্ঞেস করে রাজনীতি করি কিনা তখন এম এ হান্নান বলেন ৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলন করতে গিয়ে জেল খাটি তা শুনে বঙ্গবন্ধু জানে আলম দোভাষকে বলেন তোমার সাধারণ সম্পাদক অসুস্থ আর রাজনীতিতে সাধারণ সম্পাদক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয়,এক কাজ কর তাকে তোমার সাথে সাধারণ সম্পাদক কর।সেই তরুণ ও ভালো কাজ করতে পারবে। বঙ্গবন্ধু কাছে টেনে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বানিয়ে দেয়। সেই থেকে আমার রাজনীতির পথ চলা যা সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসাবে রাজপথে আজীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিকর সংগঠনের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন।চট্রগ্রাম লায়ন্স ক্লাব ৩১৫ এর গর্ভনর,চট্রগ্রাম লায়ন্স ব্লাড ব্যাংকের চেয়ারম্যান, চট্রগ্রাম চেম্বার অ্যান্ড কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সাব কমিটির কো-চেয়ারম্যান,চট্রগ্রাম ট্রেডার্স কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া পটিয়ায় স্কুল,কলেজ,ক্লাব ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তার অবদান অতুলনীয়। আন্তর্জাতিক গর্ভণর হিসেবে একসেলেন্ট গর্ভণর এডওয়ার্ড পুরস্কার লাভ করেন।তিনি বহু সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও ক্লাবের সাথে জড়িত ছিলেন।
তিনি ইউরোপ,যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই,হংকং,চীন,থাইল্যান্ড,
থাইল্যান্ড, ভারত,শ্রীলঙ্কা,বার্মা,নেপাল
সহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন।

আওয়ামী রাজনীতির কঠিন দুঃসময়ের নেতা হিসেবে তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বহু আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বহুবার জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।৭৫ এর পরবর্তী বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে চট্রগ্রামের মধ্যে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে কাজ করেন।স্বৈরচ্চার জিয়া,এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে মাঠে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নির্যাতন ভোগ করেছেন। সেই দুঃসময়ে তার অবদান অনস্বীকার্য। পরিচ্ছন্ন, নিষ্টা ও সততার মুর্ত প্রতীক হিসেবে কাজ করেছেন।

আদর্শিক,মেধাবী,সৎ,পরিচ্ছন্ন চট্রগ্রামের যে ক’জন নেতার মধ্যে তিনি অন্যতম।নিজের পকেটের টাকা খরচ করে দলের দুঃসময়ে কাজ করেছেন এমনকি তার ফিরিঙ্গি বাজারের বাসা ছিল নেতাকর্মীদের আশ্রয়স্থল।
বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে যখন কোন নেতারা রাজনীতি করতে বিমুখ ছিল সেই দুঃসময়ে তিনি সাহসীকতার সাথে পটিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে কর্মী বাহিনী যোগাড় করে দলকে উজ্জীবিত ও সুসংগঠিত করতে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালের দিকে কঠিন সময়ে পটিয়া কর্ত্তালাবেলখাইন মহাবোধি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহবায়ক সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন,কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী,এস এম ইউসুফ,আতাউর রহমান খান কায়সার,পটিয়ার আহবায়ক সুলতান আহমদ কুসুমপুরী নেতৃত্বে সমাবেশে লোক সমাগমে ব্যর্থ হলে তিনি সুক্ষ বুদ্ধির মাধ্যমে নিজ ইউনিয়ন জিরি থেকে হাজার হাজার লোক দিয়ে সমাবেশ সার্থক করেন।
রাজনীতির সুবাদ পুরুষ লায়ন এম শামসুল হক ছিলেন সততার মুর্ত প্রতীক ও আদর্শিক চেতনার বাতিঘর। তিনি সব সময় নেতাকর্মীদের আদর্শ ও সততার রাজনীতির বাণী শুনাতেন।বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার বাণী শুনাতেন।সাধারণ মানুষের মাঝে যাতে করে আমরা গিয়ে রাজনীতি করতে পারি তা তিনি বলতেন।সাধারণ জীবন যাপন করতে পছন্দ করতেন।নীতির প্রশ্নে কখনো আপোষ করেনি ও দলের সাথে কখনো বেঈমানী করেনি বিধায় জনপ্রতিনিধির তকমা তার গায়ে লাগাতে পারেনি যা রাজনীতির জন্য অশুভ সংকেত। তিনি কখনো প্রতিশোধের রাজনীতি পছন্দ করতেন না ও কারো বিরুদ্ধে কিছু করা পছন্দ করতেন না।সবার সাথে বন্ধুত্ত্ব ছিল তার স্বভাব। সকলের বন্ধু থাকতে পছন্দ করত।তার রাজনীতির হাতের খড়ি তার বড় ভাই ভাষাসৈনিক ড. মাহাফুজুল হক। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী,ভাষাসৈনিক,বাংলা প্রচলনের প্রতিষ্ঠাতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি।

লায়ন এম শামসুল হক ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পটিয়া সংসদীয় আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন অশুভ শক্তির নিকট পরাজিত হয়ে মাত্র ২ দিনের মাথায় পরিবর্তন করে দেয় কিন্তু তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে কাজ করেছেন।পরে ২০০৮ সালে তৃণমূলের ভোটের ১ম হয়ে পটিয়া আসন থেকে সংসদীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাচন বোর্ড এর তার নাম ১নং আসলেও
অশুভ শক্তি ও টাকার নিকট পরাজিত হয়ে দলচ্যুত এক ব্যক্তিকে দল মনোনয়ন দিলে অভিমান করে রাজনীতি সরে যায় লায়ন এম শামসুল হক। এরপরে ২০২২ সালে জেলা পরিষদের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন এর জন্য আবারো পুরোদমে রাজনীতির মাঠে প্রবেশ করলেও তার স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে রাজনীতির মাঠে ফিরে আসা হলো না লায়ন এম শামসুল হক সাহেবের।দীর্ঘদিন অসুস্থ হওয়ার পরে
২০২৩ সালে ১৯ জানুয়ারী চট্রগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে শেষ নিঃস্বার্থ ত্যাগ করেন রাজনীতির সুবাদ পুরুষ লায়ন এম শামসুল হক। চট্রগ্রাম লালদিঘি মাঠ ও পটিয়া উপজেলা এসএনুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজের জানাযা শেষে তার বড় ভাই ড. মাহাফুজুল হক ও পিতা-মাতার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।
আজীবন মানুষের মনের কোঠায় তিনি একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক,আদর্শিক, পরিচ্ছন্ন,
মেধাবী, বঙ্গবন্ধু প্রেমিক,জনতার বন্ধু ও সমাজসেবক হিসেবে বেচে থাকবে।তার আদর্শ রাজনীতির মানুষ তাকে বাচিয়ে রাখবে চিরদিন। বর্তমান প্রজন্ম তার কর্ম ও চিন্তা নিয়ে এগিয়ে যাবে।তিনি মানুষের নিকট আজীবন চির অম্লান ও শ্রদ্ধার সাথে বেচে থাকবে।

লেখক – তসলিম উদ্দিন রানা
সদস্য,অর্থ ও পরিকল্পনা উপকমিটি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
সাবেক ছাত্রনেতা ও কলামিস্ট।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD