1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News Editor : News Editor
আদর্শিক রাজনীতির ধারক সেলিম এর ২য় মৃত্যু বার্ষিকীতে অতল শ্রদ্ধা - তসলিম উদ্দিন রানা - DeshBarta
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগে সিরিকোট তাহফিজুল কুরআন একাডেমির শুভ উদ্বোধন চন্দনাইশে যুগান্তর পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বাষির্কী উদযাপন অবৈধভাবে নদীর বালু উত্তোলনের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা, সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে দোয়া ও মেজবান অনুষ্ঠিত চন্দনাইশে সৌরিতা জাগ্রত মহিলা সমিতির কম্বল বিতরণ বোয়ালখালীতে জ্যৈষ্ঠপুরা যুব সংঘের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দলীয় নেতা-কর্মীদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা ও বনভোজন অনুষ্টিত হয়। বোয়ালখালীতে ফেসবুকে অপ-প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বনভোজন অনুষ্ঠিত

আদর্শিক রাজনীতির ধারক সেলিম এর ২য় মৃত্যু বার্ষিকীতে অতল শ্রদ্ধা – তসলিম উদ্দিন রানা

  • সময় মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১০১ পঠিত

তারেক সোলাইমান সেলিম মৃত্যু্ঞ্জয়ী জননেতা।বীর চট্রলার মহানগর ছাত্রলীগের ৮৪ – ৯০ এর দিকে দাপুটে নেতা ছিলেন।১৯৯০ সালে স্বৈরচ্চার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সেলিমের ভুমিকা অতুলনীয়। যার ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতার মুখ দেখে। রাত দিন লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে ও তাদেরকে বিতাড়িত করতে গিয়ে এরশাদ সরকার মার্শাল আইনে বিচার করে সেলিমদের উপর ষ্টিম রোলার চালায় যা ইতিহাসের অংশ।সেই ৮০ /৯০ এর দুঃসময়ে রাজনীতি করতে গিয়ে তার জীবনে নেমে আসে এক কালো অধ্যায়।সেই দুঃসময়ের কাল অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে সেলিমের ত্যাগ আর তিতিক্ষার করতে যা বর্ননাতীত।আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে আলকরন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সালেহের ছেলে হিসাবে সেলিম ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।১৯৭৮ সালে আলকরণ ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি থেকে ৮৪ সালে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, এক সময়ে ১৯৯০ সালের দিকে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।১৯৯৪ সালের দিকে আলকরন ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচিত হন।এসময়ে

একজন জাতীয় পার্টির লোককে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সেলিম জনপ্রিয় কমিশনার কিন্তু সেই দলচ্যুত পরাজিত লোক আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে এমপি হয় আর সেলিমের মত আদর্শিক ও পরিক্ষীত সাবেক ছাত্রনেতা সামান্য একটা দলীয় কমিশনার মনোনয়ন পায়না।

দীর্ঘদিন খেলাঘর আসর ও আমরা কজন মুজিব সেনার সংগঠনে মাধ্যমে হাজারো নেতার কারিগর ছিলেন সেলিম। সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমেআলকরন,ফিরঙ্গীবাজার,মাদারবাড়ী,পাথরঘাটা,আন্দরকিল্লা,জামালখান ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় গড়ে তুলছে হাজার হাজার নেতা কর্মী যা নতুন প্রজন্মের জন্য আর্শীবাদ।আর দুঃসময়ে সিটি কলেজ ছাত্রলীগের ঘাটি হিসেবে গড়ে তুলছে।১/১১,২০০১এর কঠিন সময়ে চট্রগ্রাম মহানগর ছাড়া পার্শ্ববর্তী পটিয়া,আনোয়ারা,সাতকানিয়া,চন্দনাইশ,
বাশখালী,লোহাগড়া,রাউজান,রাঙ্গুনিয়া,হাটহাজারী,সন্দ্বীপ,ফেনি সহ বিভিন্ন জায়গায়র নির্যাতিত লোকের আশ্রয়স্থল হিসাবে সেলিমের অবদান ভুলবার নয়।

দীর্ঘদিন পদ বঞ্চিত হওয়ার পর ২০০৬ সালের চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।২০১২ সালে সম্মেলনে চট্রগ্রাম মহানগর সম্মেলনে তাকে কোন পদে রাখেনি।কারণ সেলিমের জনপ্রিয় তুঙ্গে। দমে থাকার লোক নয় বলে আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধা সেলিম আবারও গতির সঞ্চার করে রাজনীতি করে যাচ্ছে। এলাকার মানুষের ভালবাসা আর কর্মীদের নিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
৮০,৯০ দশকের জিয়া,এরশাদ স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলন,,৯৬ খালেদা বিরোধী আন্দোলন ও ২০০১,১/১১ আন্দোলন সংগ্রামে চট্রগ্রাম মহানগর নিউমার্কেট চত্ত্বরে হরতাল সহ আন্দোলন সংগ্রামে সেলিমের অবদান কিংবদন্তি।তার পরিবারের ভুমিকা অতুলনীয়। আওয়ামী লীগ পরিবার হিসেবে পরিচিত সেলিমের পরিবারে দুঃসময়ের কর্মীদের আশ্রয়স্থল।

স্বৈরচ্ছার ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য।অনেক সংগ্রাম আর আন্দোলন করে দলকে ক্ষমতায় আনলে তাদের কপালে জুটল না কোন ভালো পদবী বা কিন্তু নিজ গুনে এলাকায় জনপ্রতিনিধির তকমা ছিল তার জন্য সাধারণ ব্যাপার।

আদর্শিক ও পরিক্ষীত সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতার পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও উন্নয়নমুলক কাজের মাধ্যমে নিজ গুণে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও আর কখনো ক্ষমতা আর টাকার নিকট পরাজিত হয়ে সেলিমের নিকট কোন ভালো পদবী জুটেনি।

চট্রগ্রাম মহানগর আলকরন ওয়ার্ড অন্যতম।ইতিহাস আর ঐতিহ্য শিল্প এলাকা হিসাবে সুপরিচিত।কমিশনার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা স্থানীয় সরকার কমিটির প্রতিটি সদস্যদের কাছে আকুতি মিনতি এমনকি কান্নায় জর্জরিত হয়ে তার রাজনীতির ত্যাগের কথা তুলে ধরে এগিয়ে যাচ্ছে দুঃসময়ের রাজনীতির নায়ক সেলিম।নমিনেশন বোর্ড তাকে নমিনেশন না দিয়ে স্থানীয় এমপির সুপারিশে তার হাতের গড়া কর্মীকে দলীয় মনোনয়ন দিল যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক ঘটনা।দলের দুঃসময়ের কর্মী তথা আন্দোলন সংগ্রামের পুরোধা সেলিমের মত আদর্শিক নেতার মুল্যায়ন হল না যা আমাদের রাজনীতির জন্য অশুভ সংকেত।

আজ অবহেলিত ও আদর্শিক যোদ্ধা সেলিমের মুল্যায়ন করাতো দুরের কথা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নক্সা করে গেছে এক শ্রেণীর ধান্ধাবাজ ও বর্ণচোরা লোক।তাকে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে তার মান সম্মান বিনষ্ট করে দলীয় মনোনয়ন কেড়ে নিলেও এলাকাবাসী তার সাথে আছেন। সব জায়গায়হাইব্রিড,চামচা,ব্যবসায়ী,এমপি,
মন্ত্রীলীগের কাজে বন্দী মনোনয়ন আর রাজনীতির পদবি। সেলিমের ত্যাগ তিতিক্ষা আর লড়াই সংগ্রামের কথা বিবেচনা করে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে মনোকষ্ট পেয়ে স্থানীয় চট্টগ্রাম মহানগর নির্বাচন সমন্বয়কে বলে বিষ দাও বিষ খেয়ে মরি কিন্তু শেষ অবধি ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে আর ফিরে এলোনা সেলিম।
বর্তমানে রাজনৈতিক পরিক্ষীত ও আদর্শিক যোদ্ধারা বড়ই অসহায়।তারা দুঃসময়ে রাজনীতি করেছেন বলে আজ দলের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। আর দলের আদর্শিক যোদ্ধারা মনোনয়ন না পেয়ে হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছে বলে দলের তেরেটা বাজাচ্ছে সবক্ষেত্রে।

সেলিম জনপ্রতিনিধি হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে।কেন্দ্রীয় নেতা ও বোর্ডের সদস্যদের নিকট গিয়েছে সামান্য একটা ওয়ার্ড কমিশনার হওয়ার জন্য কিন্তু সেই তার ত্যাগের মূল্যায়ন পাবে বলে আশায় বুক বেধে আছে।অধির আগ্রহের সাথে কাজ করে যাচ্ছে সামান্য একজন কমিশনার হওয়ার জন্য আর যেখানে তার ছাত্র প্রছাত্ররা বিভিন্ন জায়গায় এমপি,মন্ত্রী,
কেন্দ্রীয় নেতা,সচীব,আমলা,
উপজেলার চেয়ারম্যান এমনকি সব জায়গায় তার লোক ভালো পদে অধিষ্ঠিত।সব জায়গায় তার ছাত্ররা ভালো আছে সেখানে আদর্শিক ও পরিক্ষীত আওয়ামী লীগ নেতা সেলিমের অবস্থান তেমন ভালো নেই,খুবই অসহায়।সবাই ক্ষমতা আর টাকার নিকট জিম্মি।

সেলিমের মত চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা কমিশনার হলে সুবিধা অনেক ।কেননা সেলিমের বন্ধুরা সচিব,অতিরিক্ত সচিব বা ভালো পদে আছে। কর্মকর্তাগন তার নিকট কোন বিষয় নয়।

শিক্ষিত সেলিম ত্যাগী ও আদর্শিক নেতা হিসাবে নিজ গুণে কাজ করতে পারবে।কোন এমপি,মন্ত্রীর দরকার হবে না বিধায় সবাই তাকে সমীহ করে।
যাবে।এক শ্রেণির নেতারা চামচা আর ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যু দাড় করিয়ে তাকে দলের মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করে।তবুও অনড় সেলিম জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে এলাকায় কমিশনার নির্বাচন করতে যায় কিন্তু মরণব্যাধি ক্যানসারের কারণে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে যাওয়া আগের মত মাঠে যেতে পারলনা।নিজের জীবনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট খোলা চিঠির মাধ্যমে সাহায্য সহযোগিতা করার আহবান করলেও চট্রগ্রামের কেন্দ্রীয় নেতার অসহযোগীতা জন্য তেমন কোন সাহায্যে পায়নি যা ত্যাগী ও আদর্শিক নেতার জন্য খুবই দুঃখজনক ঘটনা।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ হিসেবে ১লক্ষ টাকা পাইলে তার জন্য তা অতি নগন্য।যেখানে তার দরকার ছিল কোটি টাকার উপরে সিঙ্গাপুর লড মাউন্ট হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা করার জন্য। তা আর হলনা টাকার অভাবে।যেখানে নায়ক নায়িকা আর বিভিন্ন রকমের লোক ৪০/৫০ লক্ষ টাকা অনুদান পায় সেখানে সেলিমের মত আদর্শিক ও পরিক্ষীত নেতারা পায়না কোন সুবিধাজনক সাহায্য যা দলের জন্য খুবই কষ্ট ও বেদনাদায়ক।
জিয়া,এরশাদ,খালেদা তথা জামাতের ক্ষমতার কথা সবার মনে আছে।ততকালীন সরকার বাহাদুর ক্ষমতার অপব্যবহার করে আওয়ামী লীগ,ছাত্রলীগের নেতা কর্মীর উপর যে ষ্টিম রোলার চালায়িছে তার বিরুদ্ধে সিটি কলেজ কেন্দ্রীয় চট্রগ্রামের প্রাণকেন্দ্র নিউমার্কেট,লালদিঘী,কোতোয়ালি,দারুল ফজল
মার্কেট,দোস্ত বিল্ডিং চত্ত্বরে আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বীর তারেক সোলাইমান সেলিম।যা ইতিহাসের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।৮০-৯০ দশকের ছাত্রনেতা সেলিম নিজ গুনে জনতার সেলিম হয়ে উঠেছেন জননেতা।চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের অন্যতম নায়ক হিসাবে তার অবদান স্বর্নকার লিখে থাকবে।
সেলিমের আপনার প্রানের আওয়ামীলীগ আপনাকে কি হিসাবে বিদায় দিবে? সে উত্তর নেওয়ার আগে আপনি অভিমান নিয়ে চলে গেলেন প্রিয় চট্রলা ছেড়ে তার জবাব কিভাবে পাব তা জানা নেই। কেন আপনাকে দলের মনোনয়ন দিল না তা জানা নেই। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আপনাকে নয় বরং হারিয়েছে দুঃসময়ের রাজনীতি রাজপুত্র এক ত্যাগের মহিমান্বিত উদ্ভাসিত নাম সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা সেলিমকে।
পরিক্ষীত ও আদর্শিক ছাত্রনেতা হলেন জনতার নেতা প্রিয় সেলিম। হয়েছেন ৪ বারের সফল কাউন্সিলর দিনশেষে আলকরন বাসীর যোগ্য অভিভাবক।আর ছাত্র সমাজের নয়নমণি তথা গোটা চট্রগ্রামের মহানায়ক।
এখন দেখার বিষয় চট্টগ্রাম আওয়ামীলীগ নীতিনির্ধারকেরা আপনাকে কি হিসাবে বিদায় দেয়..বিদ্রোহী নাকি দুঃসময়ের সেলিম?
মৃত্যুর পূর্ব অব্দি যাদের কারনে আপনি বিদ্রোহী ট্যাগে ছিলেন সে তাদের ধাক্কায় আপনার জানাজা হলেন জনসমুদ্র সেলিম। আপনার অভিমান হলেও তাদের লজ্জা করবেনা কারণ তারা ক্ষমতা আর চামচাদের দলের।
হাজারো ছাত্রনেতা তৈরির উর্বরস্থল নেতা তৈরির কারিগর দুঃসময় আওয়ামী রাজনীতির দুঃসময়ের দলের কান্ডারী তারেক সোলেমান সেলিম পরপারে ভালো থাকবেন। আজীবন মানুষের কাছে আপনি শ্রদ্ধা আর ভালবাসার পাত্র হিসাবে থাকবেন।মানুষের মনে কোঠায় আপনার স্থান স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

বিদায় লিজেন্ড, বিদায় বীর চট্টলার আওয়ামী লীগের আদর্শিক যোদ্ধা তারেক সোলেমান সেলিম। আপনাকে হারানোটা বর্তমান আওয়ামীলীগের জন্য হয়তো কিছুই হবেনা তবে একটা সময় আপনার অভাব হারে হারে টের পাবে প্রিয় দল আওয়ামী লীগ। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য আজ সব কিছু বেমালুম ভুলে গেছে। তার খেসারত একদিন দিতে হবে কারণ ত্যাগ আর শ্রম কখনো বৃথা যায় না। মাথার গাম, আর শরীরের রক্ত সবটুকু যে দলের জন্য দিলেন সে দল আপনাকে মৃত্যুকালে দিলো বিদ্রোহী ট্যাগ। তারেক সোলেমান সেলিমের প্রতিটি স্বাস ও দীর্ঘশ্বাস যেন অভিশাপ হয়ে ফিরে না আসে.. ..।
ভালো থাকুন জনতার নেতা সেলিম।আপনি আওয়ামীলীগের কাছে বিষ চেয়েছিলেন বিষ দেওয়ার আগে বীর চট্টলার রাজপথ ছেড়ে চিরতরে ঘুমিয়ে গেলেন।আর ফিরে আসা হবেনা সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে কামাল চত্ত্বরে কিংবা লালদিঘীর ময়দানে। আর দেখা হবে না নিউমার্কেট,দারুল ফজল বা দোস্ত বিল্ডিং এলাকায়। জনতা তথা মানুষের নিকট আসা হবেনা।আন্দোলন সংগ্রাম কিংবা অসম্প্রাদায়িক আন্দোলনে নেতৃত্ব ভুমিকা দেখা যাবে না সুদর্শন যুবক ও আদর্শিক যোদ্ধা প্রিয় সেলিমের।
যারা আপনার সঠিক মূল্যায়ন করতে পারে নাই।তারা আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে পাবে কারণ আপনি জনতার সেলিম।
আল্লাহ আপনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।।

লেখক – তসলিম উদ্দিন রানা
সদস্য,অর্থ ও পরিকল্পনা উপকমিটি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
সাবেক ছাত্রনেতা ও কলামিস্ট।।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD