1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News Editor : News Editor
কক্সবাজারে দুই বন্ধু মিলে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ: মামলা - DeshBarta
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চন্দনাইশে ডিজিটাল মেলা উদ্বোধন করলেন নজরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি “সিজল”র শান্তিরহাট শাখার শুভ উদ্ভোধন “মুক্ত পাঠাগার” এর চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে ১ম লেখক আড্ডা বাকলিয়ায় ২২ নং বিট পুলিশ ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বশর’র দাফন সম্পন্ন পটিয়ায় কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবার কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন ড.জুলকারনাইন চৌধুরী জীবন অসীক দত্তকে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির চত্বরে বিশাল সংবর্ধনা। পটুয়াখালীর ওজোপাডিকোর দুর্নীতি বহুতলা ভবনে ১১ কেভি বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ। একাধিক ডাকাতি মামলার আসামী চোলাই মদসহ গ্রেফতার ফুটবল খেলার উন্মাদনায় ব্যস্ত যখন সবাই,সে সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে গরু লুট

কক্সবাজারে দুই বন্ধু মিলে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ: মামলা

  • সময় মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১১৭ পঠিত

ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান খান, স্টাফ রিপোর্টারঃ কক্সবাজার সদরের ঝিলংজায় দুই বন্ধুর হাতে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত বুধবার (১ ডিসেম্বর) ঝিলংজা মহুরিপাড়াস্থ কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন (উড়নি) এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) কক্সবাজার সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ধর্ষিতার মা।

ধর্ষণের শিকার পরী (ছন্দনাম) বলেন, গত বুধবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মহুরিপড়া (উড়নি নামক স্থানে) জনৈক ফরিদের দোকানে নাস্তার জন্য গেলে স্থানীয় সিরাজের ছেলে কেফায়েত উল্লাহ (২০) এবং কোনাপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসনের ছেলে ইমরান (১৯) তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। একটি ভাঙ্গা ঘরে হাত,পা বেঁধে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে ধর্ষণ করে। আমার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষক পালিয়ে যায়।

ধর্ষিতার ‘মা’ বলেন, অজ্ঞান অবস্থায় লোকজনের সহযোগিতায় আমার মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। তিনি বলেন, আমার স্বামী পাগল। আমি ও আমার দুই মেয়ে প্রতিবন্দ্বী। ভিক্ষা করে কোন রকমে সংসার চালিয়ে আসছি। এখন কার কাছে বিচার চাইবো জানা নেই!

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১ ডিসেম্বর ‘পরী’ হাসপাতালের ‘ইওসি’ বিভাগের গাইনি ওয়ার্ডে জি-১২ শয্যায় ভর্তি ছিলেন। ২ ডিসেম্বর তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। হাসপাতালের ছাড়পত্রে শিশুটি ‘সেক্সুয়াল এসল্ট’ হওয়ায় সেবা নিয়েছেন বলে উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনা জানাজানি হলে অভিযুক্তরাই সত্যতা স্বীকার করেছেন। একই সাথে মামলা না করে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার জন্য তদবির করছেন।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, ধর্ষণের একটি অভিযোগ পেয়েছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD