1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News Editor : News Editor
জানি তবু মানিনা! এইডস প্রতিরোধে করণীয়ঃ লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ - DeshBarta
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দক্ষিণ জেলা জাপা উদ্যােগে সংবিধান সংরক্ষণ দিবস পালন ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেব না, খেলতে যখন নেমেছেন দুই দলই খেলবে-নৌ মন্ত্রী কৃষ্ণা বিশ্বাস ও জ‍্যোতি রাণী পালকে বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত করায় উদ্বেগ জানান AWRCF এর মহাসচিব মুহাম্মদ আলী ইতিহাস৭১ ম্যাগাজিনের মোড়ক উম্মোচন করলেন সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী ইতিহাস৭১ ম্যাগাজিনের মোড়ক উম্মোচন করলেন সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী দিরাইয়ে আলহাজ্ব মাসুক মিয়া কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকদের আচরণে উদ্বিগ্ন মানবাধিকার কর্মীগণ ভৈরবে লিও ডে অনুষ্টিত চন্দনাইশে জহিরুল ইসলাম বাচার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল জব্বার চৌধুরী আল্লামা আমিনুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন

জানি তবু মানিনা! এইডস প্রতিরোধে করণীয়ঃ লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্

  • সময় মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৪৬ পঠিত

এইডস এক আতঙ্কের নাম। সারা বিশ্বেই আজ এই রোগের ছড়াছড়ি। এমনকি মহামারি। তবে খুব কম মানুষই এই রোগের সঠিক তথ্য সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। সত্যিকার অর্থে রোগটি ভীতিকর হলেও প্রতিরোধযোগ্য। হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েনসি ভাইরাস (এইচআইভি) এই রোগের জীবাণু।

এইডস প্রতিরোধে করণীয়ঃ এইচআইভির প্রতিরোধের মূল উপাদান হলো শিক্ষা, সচেতনতা, ঝুঁকির মাত্রা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও ধারণা। মানুষের চিন্তায় ও আচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি।
ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা এইডস প্রতিরোধের অন্যতম উপায়। যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন মেনে চলতে হবে। বিবাহপূর্ব যৌন সম্পর্ক এড়িয়ে চলতে হবে। একাধিক যৌন সঙ্গী পরিহার করতে হবে।
নিরাপদ যৌনক্রিয়ার অভ্যাসের মাধ্যমে অসংক্রামিত মানুষ এইচআইভি সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে পারে। নিয়মিত ও সঠিকভাবে কনডম ছাড়া যৌন মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। অবাধ ও অবৈধ যৌন ক্রিয়া থেকে বিরত থাকাই হলো এইচআইভি সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকার সর্বোৎকৃষ্ট উপায়।
যারা শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে ড্রাগ নেয়, তাদের বেলায় উৎকৃষ্ট উপায় হলো ইনজেকশনের মাধ্যমে ড্রাগ না নেওয়া। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে এইচআইভি সংক্রমিত রোগীর সঙ্গে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য সুচ, সিরিঞ্জ, ব্লেড বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
একবার ব্যবহার করা যায় এমন জীবাণুমুক্ত সুচ ও সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।
শরীরে রক্ত বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গ্রহণের প্রয়োজন হলে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে যে সে রক্ত বা অঙ্গ- প্রত্যঙ্গে এইচআইভি রয়েছে কি না।
যৌনরোগ বা প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণ থাকলে এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই কারো যৌনরোগ বা প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে।
এইচআইভি আক্রান্ত মায়ের থেকে সন্তানের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকখানি। তবে যেসব মায়েরা প্রয়োজনীয় থেরাপি গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে গর্ভস্থ সন্তান আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা শতকরা ৮৫ ভাগ।
জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমের সাহায্যে প্রতিরোধমূলক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD