1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News Editor : News Editor
জ্বালানির অভাবে সপ্তাহ একদিন করে শিল্প কারখানা বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি - DeshBarta
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রিন্সিপাল আমিনুর রহমানের ইন্তেকাল বাচার পরিবারের পাশে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন কৃষকের ঘরে ঘরে এখন ধান কেটে ঘরে তোলার আনন্দ বোয়ালখালীতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানে অধিকারী হলেন মোঃ তুহিন ইসলাম এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্ত খতিয়ে দেখতে সরকার ও দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাওলানা ফখরুল ইসলাম ছাহেবের মৃত্যুতে হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর শোক প্রকাশ রাশিয়ার নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকায় যুক্ত হলো মেটা অনন্যাকে নিয়ে মুখ খুললেন বাবা চাঙ্কি পান্ডে বিশ্বের সবচেয়ে সরু বহুতল৷ যার উচ্চতা ১৪২৮ ফুট

জ্বালানির অভাবে সপ্তাহ একদিন করে শিল্প কারখানা বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২
  • ৮৭ পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অভাবে এবার শিল্প কারখানা একদিন করে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকার। প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে ঘাটতি ও বিদ্যুৎ সঙ্কটের কারণে সরকার রুটিন করে শিল্প কারখানা বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা জারি করেছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর থেকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। ১২ আগস্ট শুক্রবার থেকেই এই নির্দেশনা অনুযায়ী কারখানা বন্ধ রাখতে হবে মালিকদের।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আজ থেকেই বিভিন্ন শিল্প এলাকার ছুটির নির্দেশ কার্যকর হবে। এর আগে ৭ আগস্ট ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ভিন্ন ভিন্ন দিনে ছুটির বিষয়ে প্রস্তাব করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। দেশে চরম জ্বালানি সঙ্কটের কারণে ব্যবসায়ী ও শিল্প কারখানা মালিকদের সাথে ৭ আগস্ট বৈঠক করে সরকার। জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় একদিন করে শিল্প কারখানা বন্ধ রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি সরকার অনুরোধ জানিয়েছিল। এর আলোকেই বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বলে জানা গেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশে শিল্প উৎপাদন কমে আসবে বলেই মনে করেন ব্যবসায়ী নেতারা।

জ্বালানি সঙ্কটের কারণে গত ১৯ জুলাই থেকে দেশে এলাকাভিত্তিক পরিকল্পিত লোডশেডিং চলছে।

উল্লেখ্য, বিদ্যুতের চাহিদার চেয়েও বেশি উৎপাদনে সক্ষমতা অর্জনের ঘোষণা দিয়েছিল শেখ হাসিনার সরকার। ইনডেমনিটি দিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ আইন তৈরি করে কুইকরেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভাড়া আনা হয়েছিল বেসরকারিভাবে। সরকারি দলের লুটেরা ব্যবসায়ীরা কুইক রেন্টালের নামে লুটপাট করে দিয়েছে দেশের শত শত কোটি টাকা। বিদ্যুৎ সরবরাহ না করেই ইতোমধ্যে এক লক্ষ কোটি টাকার বেশি ব্যবসায়ীরা নিয়েছে সরকারি তহবিল থেকে। শেখ পরিবারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদেরকে রাষ্ট্রীয় তহবিলের এই টাকা দেওয়া হয়েছে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে।

দুর্নীতি, লুটপাটে দেশের অর্থনীতিকে ধসিয়ে দেওয়ার পর এখন ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে আইএমএফ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা গুলোর দ্বারে দ্বারে ঘুরছে সরকার। এই লুটপাটের খেসারত দিচ্ছেন দেশের মানুষ বিদ্যুতের ভোগান্তি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার মাধ্যমে।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD