1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News Editor : News Editor
ঝালকাঠিতে ফসলী জমি ধ্বংস করে ইটভাটা নির্মাণ নদীর তীরবর্তী মানুষ নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে - DeshBarta
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৪৬ অপরাহ্ন

ঝালকাঠিতে ফসলী জমি ধ্বংস করে ইটভাটা নির্মাণ নদীর তীরবর্তী মানুষ নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে

  • সময় সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৬৪ পঠিত

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠিতে ফসলী জমি ধ্বংস করে ইটভাটা নির্মাণ করায় নদীর তীরবর্তী মানুষ নদী ভাঙ্গনের হুমকি মুখে পড়েছে। শুকনা মৌসুম শুরু হতেই ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মগড় ইউনিয়নের সুজাবাদ এলাকায় মুন ব্রিকস ও এমএমআর ব্রিকস ফসলী জমি ও নদীর তীরবর্তী চর কেটে মাটি নিয়ে ইট বানানোর ফলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই এসব ইটভাটা গড়ে তুলেছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। অবৈধভাবে ট্রলার দিয়ে মাটি কাটার ফলে ভ্রাম্যমান আদালত অপরাধীদের কারাদন্ড দেয়া হলেও বন্ধ হয়নি নদী ও ফসলী জমির মাটিকাটা।
নলছিটির কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক বলেন, ফসল উৎপাদনে মাটিতে যে জৈব উপাদান থাকা দরকার তা মাটির উপরিভাগে থাকে। নদীর পলিপড়া সেই মাটি কেটে নিলে মাটির উর্বরতা শক্তি ও ফসলের উৎপাদন কমে যাবে। শনিবার (৮ জানুয়ারী) সকালে খোজ নিয়ে জানা যায়, নলছিটি উপজেলার সুগন্ধা নদীর তীরবর্তী মগড় সুজাবাদ এলাকায় মুন ব্রিকস ও এমএমআর ব্রিকস নামের ২টি ইটভাটা দীর্ঘদিন ধরে সুগন্ধা নদীর পাড়ের কৃষি জমি ও নদীর চর কেটে মাটি নিয়ে ইট তেরি করছে। ফলে নদীর পাড়ের নিম্ন আয়ের মানুষেরা নদী ভাঙ্গনের আতংকে জীবন যাপন করে।
এ বিষয়ে মুন ব্রিকস এর মালিক সাদ্দাম হোসেন জানান, “আমার ভাটার জন্যে নদীর চর কেটে আনি।আমি কোন ফসলী জমির মাটি কিনে আনি না। আমরা প্রতি বছর প্রশাসনকে টাকা দিয়ে ইটভাটা চালাই।”
এলাকাবাসী জানান, “ইটভাটাগুলি অন্তত ১০টি স্থান থেকে মাটি কাটে। প্রতি শতাংশ কৃষি জমি ৫ হাজার টাকায় ভাড়া নেয়। এরপর তা ৮/১০ফুট গভীর করে মাটি কেটে বড় বড় গর্ত তৈরি করে।”
সম্প্রতি সুগন্ধা নদীর তীরবর্তী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকরা নদীর পাড়েরর মাটি কেটে ট্রলারে করে ইট ভাটায় নিয়ে যাচ্ছে। এতে বিভিন্ন জায়গায় গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। মাটিকাটা শ্রমিকরা জানান, তারা দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে মাটি কাটেন। ইটভাটার মালিকের নির্দেশে নদীর পাড়ের মাটি কেটে মজুদ করেন।
এ বিষয়ে মুন ব্রিকসের মালিক সাদ্দাম বলেন, মাটি ছাড়া ইট উৎপাদন করা সম্ভব নয়, আমরা কেনা জমি থেকে মাটি কেটে ইট তৈরি করছি। তবে ঠিক নদীর পাড় থেকেও মাটি কাটা হয়।
বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক আঃ হালিম বলেন, “ নদীর পাড় ও ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় ব্যবহার করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। আমরা শীঘ্রই জেলা প্রশাসনের সহায়তায় এসব ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD