1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News Editor : News Editor
"দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব সৃষ্টিতে পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য" - লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ - DeshBarta
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রিন্সিপাল আমিনুর রহমানের ইন্তেকাল বাচার পরিবারের পাশে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন কৃষকের ঘরে ঘরে এখন ধান কেটে ঘরে তোলার আনন্দ বোয়ালখালীতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানে অধিকারী হলেন মোঃ তুহিন ইসলাম এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্ত খতিয়ে দেখতে সরকার ও দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাওলানা ফখরুল ইসলাম ছাহেবের মৃত্যুতে হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর শোক প্রকাশ রাশিয়ার নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকায় যুক্ত হলো মেটা অনন্যাকে নিয়ে মুখ খুললেন বাবা চাঙ্কি পান্ডে বিশ্বের সবচেয়ে সরু বহুতল৷ যার উচ্চতা ১৪২৮ ফুট

“দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব সৃষ্টিতে পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য” – লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্

  • সময় বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩৩৩ পঠিত

দুর্নীতির কারণে একটি পরিবার একটি সমাজ একটি দেশ ধ্বংস হতে বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়না। আমরা দুর্নীতি দিবস পালন করছি সামান্য সময় আগে থেকে। তাহলে প্রশ্ন আসে মনে পূর্ববর্তী সময়ে কি দুর্নীতি হয়নি? নাকি দুর্নীতিকে মুখ বুজে সহ্য করেছে মানুষ, প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। তানাহলে বিশ্ব কেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে এত সময় নিল! জাতিসংঘ ২০০৩ সালে ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ঘোষণা করে। জাতিসংঘ সারা বিশ্বকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যেই ইউনাইটেড ন্যাশনস কনভেনশন অ্যাগেইনস্ট করাপশন (আনকাক)-এর মাধ্যমে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ আনকাকের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন শুরু করে। যদিও সরকারিভাবে ২০১৭ সাল থেকে দিবসটি পালিত হচ্ছে। দূর্নীতি বিরোধী দিবস পালন করলেই তা বন্ধ হবেনা প্রয়োজন দূর্নীতি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা আর এ সচেতনতার মূল কেন্দ্র হচ্ছে পরিবার। আমরা যদি পরিবারের সদস্যদের প্রতি সে মনোভাব পোষণ করি তাহলে অনেকটা প্রতিরোধ করা সম্ভব। যেমন স্ত্রী তাঁর স্বামীকে, বাবা মা সন্তানকে, বোন তাঁর ভাইকে তেমনি তাদের বিপরীতেও যদি দুর্নীতির বিরোদ্ধে মনোভাব জাগ্রত করতে পারে তাহলে অনেকাংশে সেটা কমে আসবে। আমি “দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব সৃষ্টিতে পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য” বিষয়টি পক্ষে বিপক্ষে অবতারণ করছি।

বিষয়টির পক্ষে এমন ভাবেই দেখছি: পরিবার হচ্ছে একটি শিশুর প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র এবং জীবনের মৌলিক শিক্ষাকেন্দ্র। একটি শিশু তার চরিত্রের গুনগুলো অর্জন করে থাকে পরিবারের কাছ থেকে।সে দেখে এবং শুনে পরিবারের পরিবেশ থেকে। পরিবারের সদস্যগন যেরুপ আচরন করেন শিশু তাই রপ্ত করে নেয়। যখন শিশু বুঝতে শেখে, বালক বয়সে পরিবারে কর্মই সে অনুসরন করে থাকে। তাই পরিবারে যদি দূর্নীতি থাকে তবে সেই শিশুদূর্নীতির শীক্ষা পায়। যখন পরিবারের সদস্যগণ ভাল কাজ করেন,দূর্নীতির বিরুদ্ধে থাকেন, তখন সেই পরিবার শিশুকেও সেরুপ শিক্ষা দেন।দূর্নীতির কুফল, দূর্নীতি করলে কি কি ক্ষতি হবে, ভাল কাজ করলে কি হবে তার শিক্ষা শিশুকে দেয়। শিশু সেগুলো বুঝে নেয় এবং তদ্রুপ চরিত্র গড়ে তোলে। ফলে সেই শিশুই হয়ে ওঠে দূর্নীতি বিরোধি। পরিবারের বাইরের ভূমিকা অবশ্যই কিছুটা থাকে কিন্তু শিশু তখন বড় হয়েইতো বাইরে বের হয়। আর বড়রা সহজে কোন শীক্ষা স্বতস্পুর্তভাবে গ্রহন করে না। বড়রা শিক্ষা গ্রহন করে নিজের অর্জিত জ্ঞান, চরিত্র ইত্যাদি দিয়ে বিচার বিশ্লেষন করে। তাই এখানেও পরিবারের থেকে অর্জিত জ্ঞানের প্রভাব থাকে।
বিপক্ষেও থাকবেনা তেমন নয়: পরিবারের কাছ থেকে একটি শিশু যতই ভাল শিক্ষা বা দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষা গ্রহন করুক না কেন, বাইরের জগত বিশাল। পরিবার ছেড়ে শিশু একদিন বড় হয়ে বাইরের জগতে আসে। একটি রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যখন দূর্নীতি প্রবেশ করে যায় তখন ব্যক্তি মানুষ বাইরের এই পরিবেশ থেকে জ্ঞান গ্রহন করে। একা ভাল থেকে অনেক কিছু না পাওয়া বা প্রতিরোধে অক্ষম হয়ে সেও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে। তাই বাইরে বৃহত্তর পরিবেশ আগে সুন্দর করতে হবে। দুর্নীতি বিরোধি প্রচার করতে হবে। দূর্নীতির ক্ষেত্র গুলো সরকারী ভাবে ও সুশাসন দ্বারা বন্ধ করতে হবে। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তবেই ব্যক্তি সমাজে দুর্নীতি করতে পারবে না। ধীরে ধীরে সে দুর্নীতি বিরোধী হয়ে উঠবে। তাই দূর্নীতি প্রতিরোধে সমাজ ও রাষ্ট্র, সুশাসন ইত্যাদি শিশু বা মানুষকে দুর্নীতি বিরোধী হতে শিক্ষা দেয়।
পক্ষে বিপক্ষে যাই বলিনা কেন মূলত দুর্নীতিকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়ার মনোভাব আমাদের নিজ থেকে পরিহার করতে হবে। তানাহলে আমাদের এই প্রতিবাদ কোন আসবেনা। দিন শেষে মুখের বুলিতে এই প্রতিবাদ থেকে যাবে, বাস্তবে আমরা দুর্নীতি দূর করতে পারবনা!

লেখকঃ
সম্পাদক, দৈনিক দেশ বার্তা
সমাজকর্মী ও সংগঠক

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD