1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News Editor : News Editor
১৫ দিনের মধ্যে কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি - DeshBarta
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রিন্সিপাল আমিনুর রহমানের ইন্তেকাল বাচার পরিবারের পাশে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন কৃষকের ঘরে ঘরে এখন ধান কেটে ঘরে তোলার আনন্দ বোয়ালখালীতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানে অধিকারী হলেন মোঃ তুহিন ইসলাম এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্ত খতিয়ে দেখতে সরকার ও দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাওলানা ফখরুল ইসলাম ছাহেবের মৃত্যুতে হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর শোক প্রকাশ রাশিয়ার নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকায় যুক্ত হলো মেটা অনন্যাকে নিয়ে মুখ খুললেন বাবা চাঙ্কি পান্ডে বিশ্বের সবচেয়ে সরু বহুতল৷ যার উচ্চতা ১৪২৮ ফুট

১৫ দিনের মধ্যে কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি

  • সময় মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৭৭ পঠিত

[ইসমাইল চৌধুরী]

কর্ণফুলী নদীর আনু মাঝির ঘাট থেকে হালদার মোহনা পর্যন্ত এলাকা রক্ষা এবং অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন।

সোমবার (৩ জানুয়ারি) কর্ণফুলী নদীতে নৌকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের নেতারা।

এসময় বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদীর কিছু কিছু অংশে অর্ধেকের বেশি ভরাট হয়ে গেছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা না হলে বিষয়টি হাইকোর্টকে অবহিত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি চৌধুরী ফরিদ বলেন, মাছ বাজারের উজান অংশে কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুর নিচে বিএস খতিয়ান ও ২০১৪ সালে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘মাস্টার প্ল্যান ফর চিটাগং পোর্ট’ শীর্ষক জরিপে নদীর প্রবহমান ধারা ছিলো ৮৮৬ দশমিক ১৬ মিটার। মাছ বাজার গড়ে ওঠায় সেই অংশে নদীর বর্তমান প্রবহমান ধারা মাত্র ৪১০ মিটার।

শাহ আমানত সেতুর উত্তর পাশে নদীর মাঝ পিলার পর্যন্ত ভরাট হয়ে গেছে। ব্রিজের নিচে অর্ধেকের বেশি নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় ব্রিজের তিন পিলার অংশে নদীর প্রচণ্ড স্রোত হয়। যে কারণে শাহ আমানত সেতুর দক্ষিণ পাশে ধসে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আলীউর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে কর্ণফুলী নদী ভরাট ও দখল হয়ে যাচ্ছে। গত অক্টোবর মাসে জেলা প্রশাসক এক মাসের মধ্যে কর্ণফুলী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যকম শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়নি। তাই সরকারি সংস্থা কর্তৃক হাইকোর্টের আদেশ না মানার বিষয়টি হাইকোর্টকে অবহিত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য বলা হয়েছে, ২০১০ সালে হাইকোর্ট কর্ণফুলী নদী ও তীর দখলকারী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়। যার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ২০১৪ সালে কর্ণফুলী তীর জরিপ করে ২১৮১ ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকে কর্ণফুলী নদী দখলকারী হিসাবে চিহ্নিত করে হাইকোর্টকে অবহিত করেন। জেলা প্রশাসন প্রতিবেদন দেওয়ার পর মামলা চলাকালীন সময়ে ২০১৬ সালে বিএস ১ নম্বর খতিয়ানের ৮৬৫১ অনুযায়ী কর্ণফুলী নদী জাতীয় মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডকে ২০১৫ সালে ১৫ বছরের চুক্তিনামা দিয়ে লিজ দেয় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

লিজ গ্রহিতারা কর্ণফুলী নদী দখল ও ভরাট করে মাছ বাজার ও বরফ কল নির্মাণকালে তা বন্ধ রাখার জন্য ২০১৬ সালে তৎকালীন চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম সদর সার্কেল (ভূমি) সহকারী কমিশনার আছিয়া খাতুন বিএস ১ নম্বর খতিয়ানের দাগের ১৪৭ দশমিক ১০ একর জায়গা কর্ণফুলী নদী হিসেবে চিহ্নিত করে উচ্ছেদ নোটিশ দিয়ে চাক্তাই ও রাজাখালী খালের মুখ বন্ধ ও ভরাট করে জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।

সেইসাথে মাছ বাজারকে বরাদ্দকৃত ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৬৩ বর্গফুট নদীর অংশে নতুন মাছ বাজার গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে তা উচ্ছেদ করতে বলা হয়। এছাড়া চাক্তাই ও রাজাখালী খালের মোহনা দখল করে মাছ বাজার নির্মাণ বন্ধ রাখতে নোটিশ দেয় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ফিরিঙ্গিবাজার থেকে মেরিনার্স পার্ক নতুন মাছ বাজার, ভেড়া মার্কেট ও বাকলিয়ার চরের মোড় পর্যন্ত ৪৭ ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের দখলে থাকা এক হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে জেলা প্রশাসনকে নোটিশ দেয়।

নোটিশ দেওয়ার দুই বছর অতিবাহিত হলেও রহস্যজনক কারণে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে না জেলা প্রশাসন। যা হাইকোর্টের আদেশের লঙ্ঘন বলে জানান নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের নেতারা।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD