1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
কঠিন দুঃসময়ের যোদ্ধা আইয়ুব বাবুলের মত পরিক্ষীত ও আদর্শিক ছাত্রনেতা দলীয় মনোনয়ন পাওয়া সময়ের দাবী - তসলিম উদ্দিন রানা - DeshBarta
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তৌহিদুল আলম’ক বিএনপি’র পুর্নরায় মেয়র প্রার্থীর দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কক্সবাজারের রামু খুনিয়াপালং থেকে ১৯,৭০০ ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা মাদক কারবারী আটক।। ময়মনসিংহে প্রতিবন্ধী শিশুর লাশ বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে উদ্ধার। বাঁশখালী উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে সালফি পাবলিকেশন্সের বই উপহার গলাচিপায় অসুস্থ প্রতিবন্ধী নবম শ্রেণির ছাত্র মিলন বাঁচতে চায়, এগিয়ে আসুন। সৌদি বাদশাহ সালমানের উপহার চট্টগ্রামের ক্রীড়াবিদদের সামনে তুলে দিলেন সাবেক চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। পটিয়ার ছনহরা ইউনিয়ন দেশরত্ন পরিষদ কর্তৃক দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকারের ১যুগ পূর্তিতে আলোচনা সভা চন্দনাইশে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি নজরুল   একতা বন্ধুর মাহফিল কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক মাহফিলের প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন শীতার্তদের পাশে সূর্যালো পরিবার

কঠিন দুঃসময়ের যোদ্ধা আইয়ুব বাবুলের মত পরিক্ষীত ও আদর্শিক ছাত্রনেতা দলীয় মনোনয়ন পাওয়া সময়ের দাবী – তসলিম উদ্দিন রানা

  • সময় মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪৭৮ পঠিত

আইয়ুব বাবুল মৃত্যু্ঞ্জয়ী ছাত্রনেতা।বীর প্রীতিলতার পটিয়ায় ছাত্রলীগের ৮৫ – ৯০ এর দিকে দাপুটে নেতা ছিলেন।১৯৯০ সালে স্বৈরচ্চার এরশাদ ও ৯৬ সালে বিএনপি জামাতের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় আইয়ুব বাবুলের ভুমিকা অতুলনীয়। যার ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতার মুখ দেখে। রাত দিন লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে ও তাদেরকে বিতাড়িত করতে গিয়ে এরশাদ সরকার মার্শাল আইনে বিচার করে আইয়ুবদের উপর ষ্টিম রোলার চালায় যা ইতিহাসের অংশ।সেই ৮০ /৯০ এর দুঃসময়ে রাজনীতি করতে গিয়ে তার জীবনে নেমে আসে এক কালো অধ্যায়।সেই দুঃসময়ের কাল অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে আইয়ুব বাবুলের ত্যাগ আর তিতিক্ষার করতে হয়।আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে মুক্তিযোদ্ধা বদিউর রহমান মাষ্টারের ছত্রছায়া ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।পটিয়ার সুচক্রদণ্ডী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ থেকে ৮৫ সালে পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগেরসভাপতি,উপজেলার সাধারণ সম্পাদক ও এক সময়ে ১৯৯৩ সালের দিকে (মাঈনু – ইকবাল ) কমিটি অনুমোদিত চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।দীর্ঘদিন শাপলা কুড়ির আসর ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও সাধারণসম্পাদকের মাধ্যমে হাজারো নেতার কারিগর ছিলেন আইয়ুব বাবুল। সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে পটিয়া গড়ে তুলছে হাজার হাজার নেতা কর্মী যা নতুন প্রজন্মের জন্য আর্শীবাদ।দীর্ঘদিন পদ বঞ্চিত হওয়ার পর ২০১৪ সালের দিকে পটিয়া পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।তারপরে একসময় পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক হতে চাইলে তার জন্য টাকা আর ক্ষমতা নিকট পরাজিত হয়ে পদ বঞ্চিত হয়।দমে থাকার লোক নয় বলে আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধা প্রিয় আইয়ুব বাবুল আবারও গতির সঞ্চয় করে রাজনীতি করে যায় শেষমেষ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হিসাবে কোনমতে কমিটিতে রাখা হয়।

৮০,৯০ দশকের জিয়া,এরশাদ স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলন,৯৬ খালেদা বিরোধী আন্দোলন ও ২০০১,১/১১ আন্দোলন সংগ্রামে আইয়ুবের অনেক অবদান আছে তা ভুলবার নয়।জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবনের মুল্যবান সময় নষ্ট করে আজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হিসাবে কঠিন দুঃসময়ে রাজনীতি করেছেন।তার পরিবারের ভুমিকা অতুলনীয় এমনকি তার শ্রদ্ধেয় চাচা বিএলএফ ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন ও ফুফাতো ভাই সাংবাদিক জালাল উদ্দিন মুক্তিযুদ্ধের সময় থানার ইনচার্জ এর দায়িত্ব পালন করে বলে তার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগ পরিবার হিসেবে পরিচিত।এমনকি সাতকানিয়া,লোহাগড়া,
চন্দনাইশ,বোয়ালাখালী,আনোয়ারা,বাশখালী উপজেলায় ছাত্রলীগের অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অতুলনীয়।অনেক সংগ্রাম আর আন্দোলন জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার করে দলকে ক্ষমতায় আনলে তাদের কপালে জুটল না কোন ভালো পদবী বা জনপ্রতিনিধির তকমা।
আদর্শিক ও পরিক্ষীত সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতার পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও উন্নয়নমুলক কাজের মাধ্যমে নিজ গুণে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও আর কখনো ক্ষমতা আর টাকার নিকট পরাজিত হয়ে আইয়ুব বাবুলের নিকট কোন ভালো পদবী এমনকি তার নিজ পৌরসভায় মেয়র বা জনপ্রতিনিধির কোন কিছুই জুটল না।জেলার নেতারা তালিকায় তার নাম তিন নম্বরে দিয়ে নমিনেশন নিলেও ক্ষমতা আর টাকার নিকট পরাজিত হয়ে নমিনেশন পাবে কিনা তার সংশয় রয়েছে।
১ম শ্রেণির পটিয়া পৌরসভা চট্রগ্রাম জেলার মধ্যে অন্যতম ।ইতিহাস আর ঐতিহ্য শিল্প এলাকা হিসাবে সুপরিচিত। নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা স্থানীয় সরকার কমিটির প্রতিটি সদস্যদের কাছে আকুতি মিনতি এমনকি কান্নায় জর্জরিত হয়ে তার রাজনীতির আদর্শ,জেল জুলুম ত্যাগের কথা তুলে ধরে এগিয়ে যাচ্ছে দুঃসময়ের রাজনীতির নায়ক আইয়ুব বাবুল।নমিনেশন বোর্ড তাকে নমিনেশন দিয়ে দলের দুঃসময়ের কর্মী মুল্যায়ন করলে ত্যাগী নেতা আর দলের লাভ হবে তা শতভাগ নিশ্চিত।
আজ অবহেলিত ও আদর্শিক যোদ্ধা আইয়ুবের মুল্যায়ন করার সময়ের দাবী।তার কাছে তেমন কোন কিছুই নেই।দলের জন্য আজ নিঃস্ব হয়ে গেছে।তবুও একটু দমে যাওয়ার লোক নয়।সবার ভালবাসা আর দোয়া নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।সব জায়গায় হাইব্রিড,চামচা,ব্যবসায়ী,
ক্ষমতার নিকট বন্দী মনোনয়ন।তবুও সব কিছু বিবেচনা করে আইয়ুব বাবুলের ত্যাগ তিতিক্ষা আর লড়াই সংগ্রামের কথা বিবেচনা করে দলের নিবেদিত হিসাবে মুল্যায়ন করার দাবি জানাচ্ছি।

দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার অধিকার রাখে আইয়ুবের মত রাজনৈতিক পরিক্ষীত ও আদর্শিক যোদ্ধা।যা আমাদের আদর্শের রাজনীতির পূর্ব শর্ত।তার ভাগ্য আর দলের আদর্শিক যোদ্ধারা মনোনয়ন পাবে কিনা সেটা তা দেখার জন্য আজ হাজারো রাজনৈতিক নেতারা অপেক্ষায় আছে ?

আইয়ুব মেয়র প্রার্থী হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে।কেন্দ্রীয় নেতা ও বোর্ডের সদস্যদের নিকট গিয়েছে সামান্য একটা মেয়র হওয়ার জন্য কিন্তু সেই তার ত্যাগের মূল্যায়ন পাবে বলে আশায় বুক বেধে আছে।অধির আগ্রহের সাথে কাজ করে যাচ্ছে সামান্য একজন মেয়র হওয়ার জন্য আর যেখানে তার ছাত্র প্রছাত্ররা বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় নেতা, সচীব,আমলা,উপজেলার চেয়ারম্যান এমনকি সব জায়গায় তার লোক ভালো পদে অধিষ্ঠিত।সব জায়গায় তার ছাত্ররা ভালো আছে সেখানে আদর্শিক ও পরিক্ষীত আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব বাবুলের অবস্থান তেমন ভালো নেই,খুবই অসহায়।সব কিছু ক্ষমতা আর টাকার নিকট জিম্মি।

আইয়ুবের মত সাবেক ছাত্রনেতা মেয়র হলে সুবিধা অনেক ।কেননা আইয়ুবের সব বন্ধুরা সচিব,অতিরিক্ত সচিব বা ভালো পদে আছে।প্রশাসনের কর্মকর্তাগন তার নিকট কোন বিষয় নয়।শিক্ষিত আইয়ুব ত্যাগী ও আদর্শিক
ছাত্রনেতারা মফস্বল এলাকায় নেতৃত্বে আসলে লোকাল প্রশাসন দলীয় নেতা কর্মিকে একটু সমীহ করে চলবে।কারণ -প্রশাসনের কর্তাবাবুরা কোন না কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে চাকুরীতে এসেছে।তারা আইয়ুবদের মতো কারো না কারো বন্ধু, বড় ভাই বা ছোট ভাই হবে।কাজ করা তার জন্য খুব সহজ হবে।সব বাধা ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে কোন সমস্যা হবে না।এলাকার উন্নয়ন করতে কারো প্রয়োজন হবেনা।

আইয়ুবদের দলে বা জনপ্রতিনিধির ক্ষেত্রে যথাযথ মূল্যায়ন হলে পরিক্ষীত আর আদর্শিক যোদ্ধারা বেশি খুশী হবে।দলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মাননীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নতুন উদ্যোমে এগিয়ে যাবে।দল সুসংগঠিত হবে আর আদর্শ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে আইয়ুবেরা আজীবন কাজ করে যাবে,তাদের মত আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধারা আরও বেশি উৎসাহিত হয়ে কাজ করে যাবে।ইনশাআল্লাহ আইয়ুব বাবুলের জয় হোক, ত্যাগের মূল্যায়ন হোক,পরিক্ষীত যোগ্য নেতার জয় হোক,রাজনীতির জয় হোক।

লেখক – তসলিম উদ্দিন রানা, সাবেক ছাত্রনেতা

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD