1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
২০০৪ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন - জননেতা পীর হাবিবুর রহমান  - DeshBarta
শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশন নাজিরহাট পৌর কমিটি অনুমোদন। ব্যাবসায়ী নজরুল ইসলামের জন্মদিন পালিত কবিতাঃ বাবা – জোয়াইরিয়া বিনতে আজিজ হাটহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নির্দিষ্ট সময়ে আসছে না ডাক্তার, বাড়ছে রোগীর ভোগান্তি পাগলী জানেনা ফুটপাতে জন্ম নেয়া নবজাতক শিশুটির বাবা কে? বোয়ালখালী পৌরসভায় আগুনে পুড়ে গেছে ৩টি বসতঘর লোহাগাড়া ASP ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে মির পাড়া ব্রাদার হুড’র জয় বোয়ালখালীতে নতুন ইউএনও হিসেবে নিয়োগ পেলেন নাজমুন নাহার আনোয়ারা ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এম. নুরুল হুদা চৌধুরী এইচ টি ইমামে‘র মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

২০০৪ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন – জননেতা পীর হাবিবুর রহমান 

  • সময় মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৬৩ পঠিত

এদেশের গরীব দুঃখী, কৃষক-শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন , তাদের মধ্যে জননেতা কমরেড পীর হাবিবুর রহমান ছিলেন অন্যতম।

পাকিস্তানে সর্বাগ্রে বাংলা ভাষার পক্ষে প্রান্তিক জেলা সিলেটেই প্রথম কর্মসূচী নিয়ে জনসমক্ষে হাজির হয়েছিলেন পীর হাবিবুর রহমান। পাকিস্তান সৃষ্টির পরের বছর যখন বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু হয় তখন পীর হাবিবুর রহমান এই চক্রান্ত প্রতিরোধে প্রস্তুতি শুরু করেন। সিলেটের মহিলা মুসলিম লীগের সভানেত্রী জোবেদা খাতুনের পরামর্শে মুসলিম সাহিত্য সংসদের পক্ষ থেকে প্রথম কর্মসূচী ঘোষণা করেন তিনি।

ধার্মিক পরিমন্ডলে বেড়ে ওঠলেও এবং মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র হয়েও পীর হাবিব ধর্মীয় গোড়ামীর উর্ধ্বে ছিলেন। শুধু অসাম্প্রদায়িকই ছিলেন না, আপাদমস্তক একজন সেকুল্যার মানুষ ছিলেণ তিনি। ১৯৫০ সালে কলকাতা, বরিশাল, ঢাকা, কুমিল্লা শেষে সিলেটেও যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধার উপক্রম হয়, তখন পীর হাবিবুর রহমান দাঙ্গা প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহন করেন।

পীর হাবিবুর রহমানের বড় মাপের একটি অবদান ছিল পাকিস্তানের প্রথম অসাম্প্রদায়িক ছাত্র সংগঠন সিলেট জেলা ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা। কড়া বিধিনিষেধ ও দমননীতির মধ্যে পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে এক রোমঞ্চকর অথচ বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে শহর থেকে দুরে ফেঞ্চুগঞ্জে এক বিশেষ ছাত্র সম্মেলনে মোনাজাতের মাধ্যমে এই ছাত্র সংগঠনের জন্ম।

সিলেটে আওয়ামী মুসলীম লীগ প্রতিষ্ঠার প্রথম উদ্যোক্তা হলেন পীর হবিবুর রহমান। আওয়ামী মুসলীম লীগ নেতা এম এ বারীর নিকট এক চিঠি লিখে মাওলানা ভাসানী সিলেট আগমনের ইচ্ছে ব্যক্ত করলে এই চিঠিকে উপলক্ষ করে পীর হাবিব ভাসানীকে সিলেটে আসার আমন্ত্রণ জানান। এই পটভূমিতে পঞ্চাশের শুরুর দিকে মাওলানা ভাসানী সিলেট সফর করেন এবং এখান থেকেই সিলেটে আওয়ামী লীগের নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়। পরে ১৯৫৬ সালে অনুষ্ঠিত জেলা সম্মেলনে পীর হাবিবুর রহমান সিলেট জেলা আওয়ামী মুসলীম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন সংগঠনে পীর হাবিবুর রহমান অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সংগঠনের ভূমিকা পালন করেন।

পীর হাবিবুর রহমান ১৯৫৭ সালে সিলেট সদরের একটি আসনের উপনির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আইনসভার সদস্য এবং বাংলাদেশে ১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আট দলের প্রার্থি হিসেবে সিলেট-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।ত্যাগী, নির্লোভ, আপাদমস্তক দেশপ্রেমিক এই মহৎ বক্তির জীবনের এক উল্লেখযোগ্য অংশ ১৯৫৪ সালে ও ৬০ এর দশকে কারাপ্রাচীরের অন্তরালে কেটেছে। দীর্ঘদিন তাঁকে আত্মগোপন করে থাকতে হয়েছে। পাকিস্তানী শাসনামলে এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা রাজনীতিবিদ জননেতা পীর হাবিবুর রহমান ১৯২৭ সালের ৯ অক্টোবর সিলেটের জালালপুর ইউনিয়নের বাগের খলা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD