1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
ইউপি নির্বাচনে জাতীয় প্রতীক কতটুকু কার্যকর - DeshBarta
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শোক সংবাদঃ খাইরুল ইসলাম প্রকাশ (কালু) ত্যাগের উদ্ভাসিত একটি নাম মৃত্যুঞ্জয়ী বীর এস এম ইউসুফ – তসলিম উদ্দিন রানা তফসিল ঘোষণার পরে চন্দনাইশে প্রার্থীদের তৎপরতা। হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা নূরুল ইসলাম আর নেই বাঁশখালী ব্লাড ব্যাংকে যোগ হলো আরো একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার চন্দনাইশে মোবাইল কোর্টে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় পবিপ্রবি ও ব্র্যাক’র মধ্যে কৃত্রিম প্রজনন প্রশিক্ষণ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ ও অব্যক্ত কিছু কথাঃ লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ দুমকিতে ১টন জাটকা ইলিশ আটক করে এতিমদের মাঝে বিতরন। মীরসরাইয়ে আন্তর্জাতিক কবি সমাবেশ সম্পন্ন : সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন -কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন

ইউপি নির্বাচনে জাতীয় প্রতীক কতটুকু কার্যকর

  • সময় মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৬২ পঠিত

এস. এম নাঈম উদ্দিনঃ ঘনিয়ে আসছে স্থানীয় ইউপি নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমিয়ে উঠবে ঈদের আমেজ। পোষ্টার ব্যানারে রঙ্গীন হয়ে উঠবে এলাকা। ঘরে ঘরে প্রার্থীরা যাবে ভোট চাইতে আর প্রতিশ্রুতি দিবে অগণিত।

সেই নির্বাচনে জাতীয় প্রতীক কতটুকু কার্যকর হবে বলে মনে হয়???

স্থানীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রতীক দিলে ব্যক্তিগত অভিমতে যা মনে করি তা হল, যে প্রতীক পাবে তাঁকে খুশি করার জন্য তাঁর হয়ে সবাই কাজ করবে। দিন রাত তাঁকে তেল দিতে ব্যস্ত থাকবে সবাই। এতে হয়ত প্রকৃত বা ত্যাগী মানুষটার মূল্যায়ন হবেনা। কারণ সবার মাঝে একটি ধারণা কাজ করে যে প্রতীক পাবে সে হয়ত নির্বাচনে জয়ী হবে। সে কারণে বাকি প্রার্থীদের মূল্যায়ন আর করা হয় না। এমনকি তাদের সাথে কেউ থাকেও না। পরিশেষে তাদের মন ভেঙ্গে যায়। এমনও হতে পারে প্রতীক না পাওয়া সেই ব্যক্তিটি প্রতীক পাওয়া ব্যক্তিটির চেয়েও দেশের প্রতি বেশি আন্তরিক। নিজ নির্বাচনী এলাকাকে সুন্দর করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবে। মানুষের মূল্যায়ন হবে।

অন্যদিকে প্রতীক পেয়ে নির্বাচনে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হবে, নির্বাচনে জয়ী হলে হয়ত দেখা যাবে বিভিন্ন খাতে কাজ নিয়ে এসে দূর্নীতি শুরু করবে। কারণ নির্বাচনে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয়েছে তার দ্বিগুণ তুলতে হবে। সে ক্ষেত্রে যদি সকল প্রার্থীর মনে সৎ ইচ্ছা থাকে তাহলে দেশকে সিঙ্গাপুর করা অসম্ভব কিছু না। তবে দলকে ব্যবহার করে দেশকে বিক্রী করে দিলে তো দেশ যাবে রসাতলে।

জাতীয় প্রতীক আসলে হয়ত প্রার্থীর মনে একটা অহংকার চলে আসে। মনে মনে ভাবে আমি হয়ত হয়ে যাব, এই মনোভাব নিয়ে সে ভোট চাইতেও হয়ত যাবে না। গেলেও সৌজন্যমূলকভাবে যাবে। শুধুমাত্র ফরমালিটি।

সুতরাং স্থানীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রতীক তুলে দিয়ে সকলের মূল্যায়ন করা হোক। ভোটের আমেজ তৈরি করা হোক। উৎসবমূখর পরিবেশে ভোট দেয়ার পরিবেশ তৈরি করা হোক। দেখবেন দেশটি সিঙ্গাপুর হতে বেশি দেরি হবেনা। প্রতীক না থাকলে একটি প্রতিযোগিতা হবে। সঠিক মানুষের মূল্যায়ন হবে। আসুন সবাই মিলে দেশকে বিক্রী করে না দিয়ে দেশকে উন্নয়ন করতে এগিয়ে আসি। এদেশ আমার। ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই সোনার বাংলাদেশ। এ দেশকে ভালোবেসে স্থানীয় পর্যায় থেকে সৎ ইচ্ছায় উন্নয়নমূলক কাজ করলে দেশ আরো সমৃদ্ধশালী হবে ইনশাআল্লাহ্।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD