1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
শ্রমিকের পারিশ্রমিক (মজুরি) তার ঘাম শুকানোর পূর্বে দিয়ে দাও”— মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) - DeshBarta
রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্বাধীনতার ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবসে জাতীয় কবিতা মঞ্চ,সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে মুক্তি সংগ্রামের কবিতায় স্বাধীনতা উদ্‌যাপন। প্রবাসীদের ঈদ নামের কষ্টের দিনটি– জসীম ঊদ্দীন এবার মা ছাড়া ঈদ কাটলো প্রবাসী সাংবাদিক মুহাম্মদ ফিরোজ এবারের ঈদ ছিল তাদের সাথে, যারা ঈদেও সেমাই কি জিনিস চোখেও দেখেনা দেশ ও বিদেশের সকলের প্রতি পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা – জুলফিকার আলী সর্দার পটিয়াবাসী সহ দেশ বিদেশের সকল ভাইদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান-পটিয়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি সদস্য নাজিম উদ্দীন রনী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল এর ঈদ শুভেচ্ছা নিউ লাইফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ মুলাদী এস এস সি ০৭,০৯ ব্যাচ এর পক্ষ থেকে শ্রমিকদের মাঝে ইফতার বিতরণ সম্পন্ন হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর ঈদ শুভেচ্ছা

শ্রমিকের পারিশ্রমিক (মজুরি) তার ঘাম শুকানোর পূর্বে দিয়ে দাও”— মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)

  • সময় রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৭ পঠিত

শ্রমিকের পারিশ্রমিক (মজুরি) তার ঘাম শুকানোর পূর্বে দিয়ে দাও”— মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)

পৃথিবীর দেয়ালে দেয়ালে সুন্দরের যে রং লাগে; তার পেছনে রয়েছে শ্রমিকের মেহনত স্পর্শ। এই যে পাঠ করছেন এর পেছনেও রয়েছে শ্রমের শক্ত হাত। শ্রমিকের শক্ত হতে নির্মাণ হয় মালিকের নরম বিছানা। সেই বিছানায় শুয়ে মালিক ভাবে এই হয়েছে তার টাকার গরমে। এই হয়েছে আমার কারণে। কতরক্ত ঘামের কাঠখড়ি পোড়াতে হয়েছে; তার কোনো হিসেব মালিকবাবু রাখে না। মালিকবাবুরা ভাবে শ্রমের দাম তো আমি দিয়েই দিয়েছি। যুগে যুগে পথে প্রান্তে এই শ্রমিকেরা গড়ে তুলে শান্তির আবাসন। দিন শেষে তারা ফিরে যায় নিজেদের গাছতলায়। নিজের রক্তেশক্তে অন্যের জন্য নির্মাণে স্বপ্নপ্রাসাদ।এই মানবরচিত আইনের যাতাকলে আবদ্ধ আমাদের মালিক ব্যক্তি সমাজ রাষ্ট্র পরাভূত। এই সমাজে কোনো শ্রেণীর মানুষেরই নিশ্চিত অধিকার নেই। কেউ অধিকার নিয়ে কথা বলে না। বলতে চায় না। এমন মে দিবস আসবে আর যাবে না পৃথিবীর কোনো প্রান্তের শ্রমিকই তার ন্যায্য অধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা পাবে না।কথা ছিল ঘাম শুকানোর আগেই শ্রমের মজুরি পাবেন শ্রমজীবী। দৃশ্যত শ্রমের মজুরি পেতেই দেশ এবং পৃথিবীজুড়ে ঘাম ঝরছে শ্রমিকের। তাই তো দেশে দেশে হচ্ছে শ্রম সংগঠন। শ্রম আন্দোলন। এত কিছুর পরেও শ্রমিক ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন কী? থেকেই যাচ্ছে এ প্রশ্ন। ঘাম শুকানোর আগেই শ্রমিক মজুরি পেলে তবেই হবে আধুনিক বিশ্ব গড়ার স্বপ্নের বাস্তবায়ন। না হলে প্রযুক্তি যতই এগোবে এতে আরও পিছিয়ে পড়বে শ্রমজীবী। কেননা আমাদের ওই প্রযুক্তি তো শ্রমিকদের দিয়েই বাস্তবে রূপান্তরিত হচ্ছে। তারা ক্ষুধার্ত থাকা মানে গোটা পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ কষ্টে থাকে। তাই নবী (সা.) সব শ্রেণির শ্রমের মূল্য শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করতে বলেছেন।
শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার ধর্ম ইসলাম শ্রমিকদের সবচেয়ে বেশি অধিকার ও সুবিধা দিয়েছে। ইসলামে মালিক-শ্রমিকের কোনো বৈষম্য নেই। শ্রম ও শ্রমিকের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় পূর্ণ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ইসলাম। ইসলাম একদিকে শ্রমের প্রতি উৎসাহিত করেছে, অপরদিকে শ্রমিকের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হয়েছেসেই অন্ধকার অসভ্যতার যুগকে পেছনে ফেলে শ্রমিক মুক্তি শ্লোগান তুললেন রাসূল( সঃ) শ্রম ও শ্রমিকের দুর্দিনে তিনি বললেন, ‘ক্ষমতার বলে অধীনস্ত শ্রমিকদের প্রতি মন্দ আচরণকারী বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (ইবনে মাযাহ)। শুধু কি তাই, আরো আছে, বিদায় হজের ভাষণে শ্রমিকদের মর্যাদার কথা বলেছেন সর্বাগ্রে। মানবতার নবী সভ্যতার নবী, নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতর হয়েও ভুলেননি শ্রমিকের মর্যাদার কথা। সেই মৃত্যুকালে সতর্ক করেছেন আসহাবদের, ‘সাবধান থাকবে নামাজ ও তোমাদের অধীনস্থদের বিষয়ে।’
শ্রমিকের মজুরি পরিশোধের তাকীদ দিয়ে রাসূলুলাহ্ (সা.) থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। হজরত ‘আব্দুলাহ ইবনে ওমার (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বলেছেন, ‘শ্রমিকের পারিশ্রমিক তার ঘাম শুকানোর পূর্বে দিয়ে দাও। নবী করিম (সা.) আরো বলেন, ‘তিন ধরনের ব্যক্তি আছে কেয়ামতের দিন আমি যাদের দুশমন হবো। আর আমি যাদের দুশমন হবো তাদের আমি লাঞ্ছিত ও পর্যুদস্ত করে ছাড়ব। উক্ত তিনজনের মধ্যে একজন সে যে কোনো শ্রমিককে খাটিয়ে নিজের পুরোপুরি কাজ আদায় করে নেয়। কিন্তু তার উচিত মজুরি প্রদান করে না।’ এ সুন্দর পৃথিবীর রূপ-লাবণ্যতায় শ্রমিকদের কৃতিত্বই অগ্রগণ্য। কিন্তু শত আক্ষেপ! সভ্যতার কারিগর এ শ্রেণীটি সর্বদাই উপেক্ষিত, অবহেলিত ও সুবিধাবিত। উদয়াস্ত উষ্ণ ঘামের স্যাঁতসেঁতে গন্ধ নিয়ে খেটে যে শ্রমিক তার মালিকের অর্থযন্ত্রটি সচল রাখে, সেই মালিকেরই অবিচারে শ্রমিকদের অচল জীবনটি আরো দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।অকাতরে জীবন দিতে হয়।হাজার কোটি টাকার মালিক পরকালের আশায় তারা মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণ করেন অথচ শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD