1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
সরকার ও বিত্তবান ব্যক্তি রা সম্মানিত_হাফেজদের জন্য রমজান মাসে সম্মানী প্যাকেজ দেওয়া হোক। - DeshBarta
রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ০৩:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্বাধীনতার ৫০ বছর সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবসে জাতীয় কবিতা মঞ্চ,সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে মুক্তি সংগ্রামের কবিতায় স্বাধীনতা উদ্‌যাপন। প্রবাসীদের ঈদ নামের কষ্টের দিনটি– জসীম ঊদ্দীন এবার মা ছাড়া ঈদ কাটলো প্রবাসী সাংবাদিক মুহাম্মদ ফিরোজ এবারের ঈদ ছিল তাদের সাথে, যারা ঈদেও সেমাই কি জিনিস চোখেও দেখেনা দেশ ও বিদেশের সকলের প্রতি পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা – জুলফিকার আলী সর্দার পটিয়াবাসী সহ দেশ বিদেশের সকল ভাইদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান-পটিয়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি সদস্য নাজিম উদ্দীন রনী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল এর ঈদ শুভেচ্ছা নিউ লাইফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ মুলাদী এস এস সি ০৭,০৯ ব্যাচ এর পক্ষ থেকে শ্রমিকদের মাঝে ইফতার বিতরণ সম্পন্ন হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর ঈদ শুভেচ্ছা

সরকার ও বিত্তবান ব্যক্তি রা সম্মানিত_হাফেজদের জন্য রমজান মাসে সম্মানী প্যাকেজ দেওয়া হোক।

  • সময় শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ৬৪ পঠিত

বাংলাদেশে ২.০০.০০০ দুই লক্ষ চেয়ে ও বেশী মসজিদ আছে। পবিত্র রমজান মাসে দুই লক্ষ মসজিদে ৪.০০.০০০ চার লক্ষ উপরের সম্মানিত হাফেজ কুরআনে খতম পড়ত। রমজান মাসে তাদের পিছনে নামাজ পড়ে আমাদের ও পবিত্র এক খতম কুরআন আদায় হয়ে যায়। যেদিন খতম শেষ আমরা মুসল্লিদের মনে অন্য রকম এক কুরআন আনন্দ মনে তৃপ্তি পেতাম।

আজ দুই বছর বিশ্ব করোনার মাহামারি কারনে আমরা রমজান মাসে কুরআনে খতম থেকে বাদ পারলান। সরকার মসজিদে ২০ জনকে নিয়ে তারাবী নামাজ পড়ার জন্য অনুমতি দিয়েছেন। আমরা সরকারের আইনকে অবশ্যই সম্মান করি। সরকার ও সমাজের বিত্তবান লোক গুলো এই হাফেজদের জন্য কিছু ভাবছেন ? তারা আজ মন খারাপ করে নিরাশ হয়ে বসে আছে। প্রতিটি মসজিদে রমজানে এক খতম কুরআন পড়ে ঠিকই হাফেজ সাহেবেরা কোন টাকা দাবি করে না। প্রত্যেক মসজিদে রমজানে খতম শেষ হওয়ার পর মুসল্লি রা হাফেজ দের জন্য যার যার সমত্ব ও স্বাধে যার যার মত করে তাদের টাকাটা দিয়ে সম্মানিত করে। মুসল্লিদের ঐ সম্মানিত টাকা বা উপহার গুলো প্রত্যেক মসজিদ কমিটি হাফেজ দের কে বন্ঠন করে দেয়। আমাদের সম্মানিত হাফেজ সাহেব রা এই টাকা দিয়ে ই তাদের পরিবারের মা বাবা ভাই বোন ছেলে মেয়ের জন্য ঈদে কেনাকাটা করে বাসায় ফিরে যায়। এই দুই বছর যখন কুরআনে খতম হবে না তাদের পরিবারের ঈদের আনন্দ টা তেমন হবে না।
এখানে আর একটি বিষয় হচ্ছে তারা পবিত্র রমজান মাসে শুদ্ধ ভাবে কুরআনে পরিচ্ছাটা করে নেন। যেমন তারাবি নামাজের সময় একজন হাফেজ কুরআনে একটি আয়াত ভুল পড়লে পিছনে হাফেজ টা লমকা দিয়ে কুরআনে ভুলটা শুদ্ধ করে দেয়। এই ভুল গুলো শুদ্ধ দেওয়া তাদের ৩০ পারা কুরআন শুদ্ধ হয়ে যায়।
আর আমরা যারা বছরের একবার তারাবি নামাজ টা হাফেজ দের পিছনে পড়ি আমাদের এক খতম পবিত্র কুরআন শুদ্ধ ভাবে আদায় হয়ে যায়।
সরকার ও সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি রা একটি বার সম্মানিত হাফেজ দের নিয়ে চিন্তা করুন !!
নিশ্চই আল্লাহ্ পবিত্র রমজানের উচিলায় পৃথিবীর এই করোনা মহামারি থেকে সকল মানবজাতিকে রক্ষা করবেন। আমিন
আমার লেখার কোন কথা ভুল হয়ে থাকলে সবাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি তে দেখবেন। ধন্যবাদ ♥
লেখক ও সমাজকর্মী ~ নেছার আহমেদ খান

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD