1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান - DeshBarta
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী‌তে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পাল‌ন ২৩ জুন বুধবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ওষুধের দোকান ব্যতীত সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর বন্ধ থাকবে এসডিজি অর্জনে তিন দেশের অন্যতম বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনা ঃ চট্টগ্রাম নগরীতে কড়াকড়ি, লকডাউনে ফটিকছড়ি রফিক চৌধুরীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিমান বন্দরে নগর জাসাস এর উষ্ণ সম্বর্ধনা আন্দোলন সংগ্রামের দল আওয়ামী লীগ সুন্দর বাংলাদেশ গঠনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে -তসলিম উদ্দিন রানা দুমকির ৩ ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত, নৌকার প্রার্থীদের জয় শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পিডিইপি-৪ প্রকল্পের দেড় লক্ষ টাকা আত্মসাতের গোমর ফাঁস। কামরুজ্জামান রাব্বির ‘ভালোবাসার ভেদপরিচয়’ বদলী হওয়ার ৬ দিনেও দায়িত্ব হস্থান্তর করেননি শিক্ষা অফিসার আব্দুস ছালাম।

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৫৬ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD