1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
জাকির হোসেন আজাদের মত পরিক্ষীত ও আদর্শিক নেতার দলীয় মনোনয়ন সময়ের দাবী- তসলিম উদ্দিন রানা - DeshBarta
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আজ প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জম্মদিনে শুভ কামনায় বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সীতাকুন্ড রামগড়ে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম শুভ জন্ম দিন পালন বাঁশখালীতে প্রাইভেট কারে ইয়াবা:গ্রেপ্তার-৪ পবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন দক্ষিনাঞ্চের স্বপ্নের পায়রা সেতু খুলে দিলে বন্ধ হয়ে যাবে ফেরি চলাচ্ল। প্রবাসী সমাজ কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রামের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন। বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের এপ্রোচ রোড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ৪১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ গহিরা মাইজপাড়া উত্তর ইউনিট শাখার অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

জাকির হোসেন আজাদের মত পরিক্ষীত ও আদর্শিক নেতার দলীয় মনোনয়ন সময়ের দাবী- তসলিম উদ্দিন রানা

  • সময় বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৭২ পঠিত

আজাদ মৃত্যু্ঞ্জয়ী ছাত্রনেতা।কুমিল্লা চান্দিনায় ৭৫ এর পরবর্তী কঠিন দুঃসময়ে স্কুল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।৭৫ – ৮০ এর দিকে দাপুটে নেতা ছিলেন।৭৫ পরবর্তী কঠিন দুঃসময়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্ণেল রশিদের অত্যাচার আর নির্যাতনের শিকার হই।এমনকি বাড়িঘরে লুঠতরাজ করে।৮০ এর দিকে স্বৈরচ্চার জিয়া,৯০ সালে স্বৈরচ্চার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় আজাদের ভুমিকা অতুলনীয়। যার ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতার মুখ দেখে। রাত দিন লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে ও তাদেরকে বিতাড়িত করতে গিয়ে জিয়া,এরশাদ সরকার মার্শাল আইনে বিচার করে আজদদের উপর ষ্টিম রোলার চালায় যা ইতিহাসের অংশ।সেই ৭৫ এর পরবর্তী,৮০,৯০ এর দুঃসময়ে রাজনীতি করতে গিয়ে তার জীবনে নেমে আসে এক কালো অধ্যায়।সেই দুঃসময়ের কাল অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে আজাদের ত্যাগ আর তিতিক্ষার সংগ্রামের ফসল।আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক জননেতা ওমর আলী প্রধানের ছত্রছায়া ছাত্রলীগের ৭৩এর দিকে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।৭৫ এর দিকে প্রথমে স্কুল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,৭৬-৭৭ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ নিউ হোষ্টেল শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি,৭৮-৮১ সালে অবিভক্ত কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হন।৮৩ সালে চান্দিনা উপজেলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম-আহবায়ক,২০০০ জেলা যুবলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক,২০০৩ সালে কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম- আহবায়ক ছিলেন।দীর্ঘদিন দলীয় পদের বাইরে থেকেও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের মাধ্যমে হাজারো নেতার কারিগর ছিলেন আজাদ। সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে চান্দিনায় গড়ে তুলছে হাজার হাজার নেতা কর্মী যা নতুন প্রজন্মের জন্য আর্শীবাদ।দীর্ঘদিন দমে থাকার লোক নয় বলে আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধা আবারও গতির সঞ্চয় করে রাজনীতি করে যায়।শেষমেষ ২০২০ সালে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসাবে কোনমতে কমিটিতে রাখা হয়।

৭৫ এর পরবর্তী খন্দকার মোস্তাক,৮০,৯০ দশকের জিয়া,এরশাদ স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলন,৯৬ খালেদা বিরোধী আন্দোলন ও ২০০১বিএনপি – জামাত জোট,১/১১ আন্দোলন সংগ্রামে আজাদের অনেক অবদান আছে তা ভুলবার নয়।তার পরিবারের ভুমিকা অতুলনীয় এমনকি তার শ্রদ্ধেয় বড় চাচা চান্দিনা থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জননেতা ওমর আলী প্রধান সহ পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগ পরিবার হিসেবে পরিচিত।১৯৮৬ সালের দিকে তার বড় চাচা ওমর আলী প্রধান ঢাকায় আসে পরে আজও নিখোঁজ আছে।পরিবারের সবাই তার লাশ পর্যন্ত পায়নি।এমনকি অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অতুলনীয়।অনেক সংগ্রাম আর আন্দোলন করে দলকে ক্ষমতায় আনলে তাদের কপালে জুটল না কোন ভালো পদবী বা জনপ্রতিনিধির তকমা।

আদর্শিক ও পরিক্ষীত সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতার পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও উন্নয়নমুলক কাজের মাধ্যমে নিজ গুণে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও আর কখনো ক্ষমতা আর টাকার নিকট পরাজিত হয়ে আজাদের নিকট কোন ভালো পদবী এমনকি জনপ্রতিনিধির কোন কিছুই জুটল না।গত উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা ও জেলার নেতারা তালিকায় তার নাম দেয়নি।নির্বাচন করা আর হলনা।এবার দলীয় উপনির্বাচনে এমপি নমিনেশন নিল। নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রতিটি সদস্যদের কাছে আকুতি মিনতি এমনকি কান্নায় জর্জরিত হয়ে তার রাজনীতির ত্যাগের কথা তুলে ধরে এগিয়ে যাচ্ছে দুঃসময়ের রাজনীতির নায়ক আজাদ।নমিনেশন বোর্ড তাকে নমিনেশন দিয়ে দলের দুঃসময়ের কর্মী মুল্যায়ন করলে ত্যাগী নেতা আর দলের লাভ হবে।আর তার মরহুম বড় চাচার আত্ত্বার শান্তি পাবে।
আজ অবহেলিত ও আদর্শিক যোদ্ধা আজাদের মুল্যায়ন করার সময়ের দাবী।সব জায়গায় হাইব্রিড,চামচা,ব্যবসায়ী,এমপিলীগের কাজে বন্দী মনোনয়ন।তবুও সব কিছু বিবেচনা করে আজাদের ত্যাগ তিতিক্ষা আর লড়াই সংগ্রামের কথা বিবেচনা করে দলের নিবেদিত হিসাবে মুল্যায়ন করার দাবি জানাচ্ছি।
দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার অধিকার রাখে আজাদের মত রাজনৈতিক পরিক্ষীত ও আদর্শিক যোদ্ধা। যা আমাদের আদর্শের রাজনীতির পূর্ব শর্ত।তার ভাগ্য আর দলের আদর্শিক যোদ্ধারা মনোনয়ন পাবে কিনা সেটা তা দেখার জন্য আজ হাজারো রাজনৈতিক নেতারা অপেক্ষায় আছে ?

আজাদ প্রার্থী হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে।কেন্দ্রীয় নেতা ও বোর্ডের সদস্যদের নিকট গিয়েছে এমপি হওয়ার জন্য কিন্তু সেই তার ত্যাগের মূল্যায়ন পাবে বলে আশায় বুক বেধে আছে।অধির আগ্রহের সাথে কাজ করে যাচ্ছে জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য আর যেখানে তার ছাত্র প্রছাত্ররা বিভিন্ন জায়গায় সচীব,আমলা,
উপজেলার চেয়ারম্যান এমনকি সব জায়গায় তার লোক ভালো পদে অধিষ্ঠিত।সব জায়গায় তার ছাত্ররা ভালো আছে সেখানে আদর্শিক ও পরিক্ষীত আওয়ামী লীগ নেতা আজাদের অবস্থান তেমন ভালো নেই,খুবই অসহায়।সবাই ক্ষমতা আর টাকার নিকট জিম্মি।

আজাদের মত সাবেক ছাত্রনেতা এমপি হলে সুবিধা অনেক ।কেননা আজাদের সব বন্ধুরা সচিব,অতিরিক্ত সচিব বা ভালো পদে আছে।প্রশাসনের কর্মকর্তাগন তার নিকট কোন বিষয় নয়। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষিত আজাদ ত্যাগী ও আদর্শিক ছাত্রনেতারা মফস্বল এলাকায় নেতৃত্বে আসলে লোকাল প্রশাসন দলীয় নেতা কর্মিকে একটু সমীহ করে চলবে।কারণ -প্রশাসনের কর্তাবাবুরা কোন না কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে চাকুরীতে এসেছে।তারা আজাদের মতো কারো না কারো বন্ধু, বড় ভাই বা ছোট ভাই হবে।কাজ করা তার জন্য খুব সহজ হবে।সব বাধা ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে কোন সমস্যা হবে না।এলাকার উন্নয়ন করতে কারো প্রয়োজন হবেনা।

আজাদদের দলে বা জনপ্রতিনিধির ক্ষেত্রে যথাযথ মূল্যায়ন হলে পরিক্ষীত আর আদর্শিক যোদ্ধারা বেশি খুশী হবে।দলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মাননীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নতুন উদ্যোমে এগিয়ে যাবে।দল সুসংগঠিত হবে আর আদর্শ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে আজাদেরা আজীবন কাজ করে যাবে,তাদের মত আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধারা আরও বেশি উৎসাহিত হয়ে কাজ করে যাবে।ইনশাআল্লাহ আজাদের জয় এখন সময়ের দাবী।

কুমিল্লায় খন্দকার মোস্তাক,কর্নেল (বরখাস্ত)রশিদের এলাকা হওয়াতে রাজনীতি করা বড়ই কঠিন ছিল।সেই কঠিন দুঃসময়ে রাজনীতি করা ছিল দুঃসাধ্য ব্যাপার।যারা চান্দিনায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে ও আওয়ামী পরিবারের সন্তান ছিল তাদের উপর বর্বরোচিত হামলা আর নির্যাতনের শিকার হই।সেই কঠিন দুঃসময়ে রাজনীতি করতে গিয়ে হামলা,মামলা ও অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছে আজাদ এমনকি তার
শ্রদ্ধেয় বড় চাচা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক জননেতা ওমর আলী প্রধানের লাশটা পর্যন্ত পায়নি। খুনিরা আজাদের পরিবার ও তার উপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে যা ইতিহাসের ভয়াবহ বেদনাদায়ক ঘটনা।তবুও রাজনীতি পরিবারের সদস্য ও সন্তান হিসাবে দুঃসময়ে আন্দোলন সংগ্রামে দলের দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছে কিন্তু দল যখন ক্ষমতায় তখন স্থানীয় এমপি সাহেবের রোষানলে পড়ে কোন পদবী পায়নি এমনকি নিজের বাপের সম্পক্তি পর্যন্ত হারিয়েছি।দলের জন্য দুঃসময়ে গ্রেফতার হয়ে ২ বছরের অধিক বন্দী ছিলেন প্রায় ১০ টির উপর মামলার আসামী ছিলেন আজাদ।সব কিছু আজ তার নিকট স্বপ্ন। দল ক্ষমতায় এসেও কোন কিছু তার ভাগ্যে জুটেনি জুটেছে বঞ্চনা আর লাঞ্জনা কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় সেটাই তার সাত্ত্বনা।বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ উন্নয়নে মহাসড়কে এগিয়ে যাক সেটা আজাদের মত তৃণমূলের নেতাদের আশা।তারা চাই জাতির পিতার স্বপ্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাক।দেশ হোক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। মাননীয় নেত্রী দলের নিবেদিত ও তৃণমূলের প্রাণ।তিনি আজাদের মত পরিক্ষীত,আদর্শিক,নিবেদিত কর্মীর মুল্যায়ন করবে।তারাই দেশ চালাবে।এটাই হবে জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ।

খন্দকার মোস্তাক,জিয়া,এরশাদ,খালেদা
তথা জামাতের ক্ষমতার কথা সবার মনে আছে।ততকালীন সরকার বাহাদুর ক্ষমতার অপব্যবহার করে আওয়ামী লীগ,ছাত্রলীগের নেতা কর্মীর উপর যে ষ্টিম রোলার চালায়িছে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বীর জাকির হোসেন আজাদ।যা ইতিহাসের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।৭৫ এর পরবর্তী,৮০ দশকের ছাত্রনেতা আজাদ নিজ গুনে জনতার আজাদ হয়ে উঠেছেন।

পরিক্ষীত ও আদর্শিক ছাত্রনেতা হলেন জনতার আজাদ হয়েছেন চান্দিনা বাসীর যোগ্য নেতা।আর ছাত্র যুব সমাজের নয়নমণি তথা গোটা কুমিল্লার নায়ক।
এখন দেখার বিষয় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের
নীতিনির্ধারকেরা আপনাকে কিভাবে মুল্যায়ন করবে?
যোগ্য,পরিক্ষীত ও আদর্শিক যোদ্ধা প্রিয় আজাদ ভাইয়ের মুল্যায়ন হোক।তৃণমূলের ত্যাগী নেতার মুল্যায়ন হোক সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।জয় হোক আজাদের,জয় হোক আদর্শের, জয় হোক দুঃসময়ের পরিক্ষীত নির্ভেজাল তৃণমূলের কর্মী।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।।

লেখকঃ
সাবেক ছাত্রনেতা ও
সদস্য,অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটি,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD