1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের সুড়ঙ্গ নির্মাণকাজ শেষ; এবার রাস্তা - DeshBarta
বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
৯৪ ব্যাচ আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত সিলেট র‍্যাব ৯ দুইবারের শ্রেষ্ঠ চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড় খালিয়াজুরীর অসিত চক্রবর্তী পবিত্র ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে চকরিয়ার কামারশালায় টুং টাং শব্দে মূখরিত পটুয়াখালীর বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নাজমুল শাহাদাতের পিতার মৃত্যুতে শোক। পটুয়াখালী মাদারবুনিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ০১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ০১ কোরবানি হোক আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে” দেশব‍্যাপী বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহিদ কল্যাণ ট্টাষ্ট এর পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ চাহিদার শীর্ষে মাঝারি,ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে দেশী গরু, সিলেটে ইউনিয়ন অফ এসএসসি ১৯৯৪ বাংলাদেশ গ্রুপের ব্যবস্থাপনায় বন্যার্তদের ত্রাণ সহায়তা।

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের সুড়ঙ্গ নির্মাণকাজ শেষ; এবার রাস্তা

  • সময় শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬৩ পঠিত

ইসমাইল চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের দ্বিতীয় সুড়ঙ্গের কাজ গত বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) শেষ হয়েছে। প্রথম সুড়ঙ্গের কাজ আগেই শেষ হয়েছিল। টানেলটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হচ্ছে। ২ টি সুড়ঙ্গযুক্ত এই টানেলটি চট্টগ্রাম শহরের সাথে আনোয়ারার মাধ্যমে দক্ষিণ চট্টগ্রামকে যুক্ত করবে।

টানেল প্রকল্পের দ্বিতীয় সুড়ঙ্গ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প পরিচালক হারুন-উর-রশিদ চৌধুরী। তিনি বলেন, টানেল প্রকল্পের ২টি টিউবেরই(সুড়ঙ্গ) নির্মাণকাজ এখন শেষ। এরপর টিউবের ভেতরে স্ল্যাব(সড়ক) বসাতে হবে। সেই স্ল্যাবের উপর দিয়েই চলবে গাড়ি।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে পারব বলে আমরা আশাবাদী।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম টানেল নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন। এর আগে ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ ও চীন সরকারের মধ্যে টানেল নির্মাণের জন্য চুক্তি সই হয়। এটি নির্মাণের দায়িত্ব পায় চীনা প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন এন্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) লিমিটেড।

সূত্রমতে, প্রকল্পটির নাম দেয়া হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (কর্ণফুলী) টানেল। এটি চট্টগ্রাম শহরকে চীনের সাংহাইয়ের আদলে “ওয়ান সিটি টু টাউন” হিসেবে গড়ে তুলবে। কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়ের দুটি টাউনকে সংযোগ করবে এই টানেল। এটি চালু হওয়ার পর চট্টগ্রামে চিত্র পাল্টে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। দু’টি সুড়ঙ্গে যানবাহন চলাচলের জন্য ২ টি করে মোট ৪ টি লেন থাকবে। একটি সুড়ঙ্গ দিয়ে আসবে এবং অন্যটি দিয়ে যাবে। নদীর তলদেশে ১৮ থেকে ৩১ মিটার গভীরতায় সুড়ঙ্গ দু’টি তৈরী করা হয়। প্রতিটির প্রশস্ততা ৩৫ ফুট এবং উচ্চতা ১৬ ফুট। টানেল নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, কর্ণফুলী নদীতে ৩ টি সেতু থাকলেও তা যানবাহনের চাপ সামলাতে যথেষ্ট নয়। তার উপর আবার দক্ষিণ চট্টগ্রামে একাধিক নতুন নতুন শিল্পাঞ্চল তৈরীর ফলে আগামীতে যানবাহনের চাপ আরো বাড়বে। তাই সরকার কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

বিশেষজ্ঞরা জানান, এই প্রকল্প বড় ভুমিকা রাখবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে গভীর সমুদ্রবন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হওয়ার পর। তখন কক্সবাজার থেকে যানবাহন টানেল হয়ে সিটি আউটার রিং রোড দিয়ে খুব কম সময়ে ঢাকাসহ অন্যান্য গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এসব যানবাহনকে আর চট্টগ্রাম শহরে ঢুকতে হবেনা। ফলে যাতায়াতে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি শহরের উপরও যানবাহনের চাপ কমবে।

একইভাবে আনোয়ারার দু’টি শিল্পাঞ্চল (কেইপিজেড ও চায়না ইপিজেড) সম্পূর্ণরুপে চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে এদের দূরত্ব সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছবে। সাথে আনোয়ারা থেকে মহেশখালী পর্যন্ত অনেক নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে।

এই টানেল প্রকল্পের আরেকটি বিশেষ দিক হচ্ছে, এতে মেয়াদ ও ব্যয় বাড়াতে হয়নি। সাধারণত দেশের বড় প্রকল্পগুলোতে দফায় দফায় মেয়াদ ও ব্যয় বাড়াতে হয়। এক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম ও দৃষ্টান্তস্বরুপ।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD