1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
আসন্ন ‘বড় মহেশখালী ইউনিয়ন’ পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে কার ঘাড়ে ‘নৌকার মাঝি’র দায়িত্ব পড়বে! - DeshBarta
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাঙ্গুনিয়া শান্তিনিকেতনে সরকারী রাস্তায় গৃহ নির্মাণ যাতায়াতে বিঘ্নতা : রাস্তা পুনরুদ্ধার দাবী চকরিয়ার বরইতলীতে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নির্বাচন কমিশনের সাথে ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম (ইএমএফ)’র মতবিনিময় জামালপুর শহরে পৌরসভার নামে অটোতে চাদাঁবাজি কালে দুই যুবক আটক জামালপুর জেলায় প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন‍্য শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত তানভীর হাসান রুমান। পীরগঞ্জে পাওনা টাকা চাইতে যাওয়ায় বৃদ্ধকে প্রহার. লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ বিক্রি করে আত্মসাৎ করলেন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী রাজু মাঠের বাজার আবু বক্কর ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের নানা দুর্নীতি বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনা করায় প্রবাসীর স্ত্রী গ্রেফতার মানুষ বিশ্বাস ঘাতক, পশু পাখিরা কখনো বিশ্বাস ঘাতকতা করবেনাঃ বিশ্ব প্রাণী দিবসের কর্মসূচীতে বক্তারা

আসন্ন ‘বড় মহেশখালী ইউনিয়ন’ পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে কার ঘাড়ে ‘নৌকার মাঝি’র দায়িত্ব পড়বে!

  • সময় রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৪৭ পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন চলমান রয়েছে  ‘মহেশখালী উপজেলা’র আলোচিত ‘বড় মহেশখালী ইউনিয়ন’ পরিষদের নির্বাচন সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই ইউনিয়নে উল্লেখযোগ্য আওয়ামী লীগের নেতারাই আসন্ন ‘বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদে’ নিজস্ব গ্রুপের বা পছন্দের, বা আত্মীয়দের মধ্যেই ‘আওয়ামী লীগের দলীয়’ মনোনয়নে বা ‘নৌকা মার্কা’র প্রার্থী দেওয়ার জন্যই মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাচ্ছেন। ফলে এইবার ‘বড় মহেশখালী ইউনিয়নে’র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে বেশ জোরালো প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে। সবার প্রশ্ন এবার ‘নৌকার মাঝি’র দায়িত্ব ‘প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা’ কার ঘাড়ে তুলে দেবেন? মহেশখালীর সর্বস্তরের জনগণ এই বারের নির্বাচনে ‘বড় মহেশখালী ইউনিয়নে’ ‘নৌকার মাঝি’কে দেখার অপেক্ষায় আছে।

 

‘বড় মহেশখালী ইউনিয়ন’ পরিষদ নির্বাচনে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে’র দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ‘নৌকা মার্কা’ নিয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম ভোটারদের মাঝে কানাঘোষা চলচ্ছে, তারা হচ্ছেনঃ (১) বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মহেশখালী উপজেলা শাখার শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরী। (২) বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,বড় মহেশখালী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি,বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশিঁ। (৩) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি(প্রচারিত),বিশিষ্ট ছাত্রনেতা,রাজনীতিবিদ আশহাদ উল্লাহ সায়েম। (৪) মহেশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শরীফ বাদশার সন্তান, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেকনেতা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুল্লাহ আল নিশান, প্রমুখ। স্ব-স্ব প্রার্থীরা দলীয় ঠিকিট পেতে দলের হাইকমান্ডের সাথে নিজের মত করে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন(মহেশখালী উপজেলা)এ চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ  থেকে নৌকা মার্কায় মনোনয়ন প্রত্যাশী মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরী, জনাব আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরীর (বর্তমান সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, মহেশখালী উপজেলা শাখা, কক্সবাজার), সন্তান। এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক হিসাবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। কিন্তু মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরী স্কুল এবং কলেজে পড়াশুনা কালীন মহেশখালী, কক্সবাজার এবং চট্রগ্রাম মহানগরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সহকারে ছাত্র শিবিরের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। রাজনীতিতে জড়িত থাকার কারনেই এইসএসসি পরীক্ষায় পর্যাপ্ত ভাল ফলাফল করতে ব্যর্থ হয়। ফলে বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে অনার্সে ভর্তি হতে ব্যর্থ হয়েই, পড়াশুনার জন্যই লন্ডনে একটা স্কুলে ভর্তি হন। কিন্তু লন্ডনে আট বছর অবস্থান করেও কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই কোন ডিগ্রী অর্জন করতে পারেনি। মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরী লন্ডন থেকে দেশে ফিরে পৈত্রিক ব্যবসায় সম্পৃক্ত হয়। একই সাথে এলাকার একটা গ্রুপ তৈরি করেন। জমিজমা, চিংড়ির ঘের, লবণের মাঠের জমি দখলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তার পিতা আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরীর সহায়তায় ও তত্ত্বাবধানে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে যান। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, মহেশখালী উপজেলা কমিটির সম্পাদক মণ্ডলীর পদও পেয়ে যান। তিনি আসন্ন ‘বড় মহেশখালী ইউনিয়ন’ পরিষদের নির্বাচনে ‘নৌকা প্রতীক’ নিয়েই আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচন করতেই এলাকায় নির্বাচনী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার জানান দিচ্ছে, দলীয় মনোনয়ন না পেলে, বিদ্রোহী হয়েই নির্বাচন করবেন। এলাকার নিরহ জনগণ নির্বাচনের পর্যবেক্ষণে আছে।

 

আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশি ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বড় মহেশখালী ইউনিয়ন শাখা’র সভাপতি হিসাবে আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দলীয় কর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় সাধারণ জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সন্মান জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী, এবং দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ মার্কায় নির্বাচন করার পক্ষেই সম্মতি দিয়েছেন। আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশির পরিবার ১৯৭০ সালের নির্বাচন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ কারে, এবং তখন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। ১৯৭৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর মনোনীত প্রার্থী জনাব মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর ‘নৌকা মার্কার’ পক্ষে ভুমিকা রেখেছেন। ১৯৭৭ সালে জিয়ার ‘হ্যাঁ/না’ ভোটে ‘না’ এর পক্ষে, ১৯৭৮ সালের ‘রাষ্ট্রপতি নির্বচনে’ এবং ১৯৭৯ সালের ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে’, এবং ১৯৮১ সালের ‘রাষ্ট্রপতি নির্বচনে’ ‘আওয়ামী লীগের দলীয় মার্কা’ ‘নৌকা’র পক্ষে সক্রিয় ভাবেই তৎপরতা চালিয়েছেন। আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশি ১৯৮২ সালে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’, মহেশখালী থানা কমিটিতে তরুণ বয়সেই ‘সদস্য পদ’ পান। তিনি ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালের প্রতিটা ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে’ স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ততা করিয়েই আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীর ‘নৌকা’ মার্কার পক্ষেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, এবং আর্থিক ভাবে সার্বিক সহায়তা দিয়েই ‘আওয়ামী লীগে’র দলীয় প্রার্থীকে জিতানোর প্রচেষ্টা করেছেন। ২০১৩ সালে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ বড় মহেশখালী ইউনিয়ন শাখার সভাপতির দায়িত্ব পান, যা অদ্যবধি দক্ষতার সাথেই পালন করে যাচ্ছে। ১৯৯৭ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুব লীগ, কক্সবাজার জেলা শাখার সদস্য ছিলেন।

‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ বড় মহেশখালী ইউনিয়ন শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালনে প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রদত্ত উন্নয়ন মুলুক প্রোজেক্ট, করোনা কালীন জনগণের জন্য সহায়তা সমূহ আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশি   সুন্দর ভাবে, স্বজন-প্রীতি, এবং দুর্নীতি মুক্ত ভাবেই এলাকার সর্বস্তরের জনগণের মধ্যেই আওয়ামী লীগ এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সম্পৃক্ত করেই যথাযথ বাস্তবায়ন এবং কার্যকর করেছেন। যেখানে দলীয় সুনাম সমুন্নত রাখতে পেরেছেন। তিনি ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়েতের শাসনামলে ব্যবসায়ীক ভাবে ‘চিংড়ি ঘের’ ও ‘লবণ চাষে’ বা মাঠে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশি ১৯৭৭ সাল থেকে অদ্যবধি ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন সমূহের ‘বড় মহেশখালী’, তথা ‘মহেশখালী’তে স্থানীয় সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচীতে, যেমনঃ সকল নির্বাচনে, সম্মেলনে, দলীয় ও জাতীয় কর্মসূচীর দলীয় প্রোগ্রামে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের যে কোন নেতাকর্মীর ‘স্বাস্থ্য সংক্রান্ত চিকিৎসা, বিয়ে, বা যে কোন বিপদে’ ব্যক্তিগত ভাবে কর্মী, সমর্থকদের আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন।

আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশি, বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কঠিন পরিস্থিতিতে এলাকার তৃনমূলের জনগণের জন্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রদত্ত সমস্ত ‘অনুদান এবং সহায়তা’ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বড় মহেশখালী ইউনিয়নের পক্ষ থেকেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের সমস্ত সহযোগী এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের সার্বিক সহায়তায়, ও সম্মিলিত ভাবেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনামতে এবং মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিকের তত্ত্বাবধানে এলাকার অসহায়, দুঃস্থ, দরিদ্র, এবং কর্মহীন মানুষের মাঝে বিতরণ করেছেন। এবং জনগণের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে, ব্যক্তিগত তহবিল এবং ব্যবস্থাপনায় মহামারী করোনা ভাইরাসের সময়ে এলাকার অসহায়, দুঃস্থ, দরিদ্র, এবং কর্মহীন মানুষের মাঝে সহায়তা হিসাবে চাউল, নগদ টাকা, খাদ্য সামগ্রী, মাস্ক, ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন।

আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশি প্রতিবছর নিজস্ব আর্থিক সহায়তায় এলাকার অসহায় লোকদের মাঝে ঈদ-পার্বণ ও শীতকালীন কাপড় বিতরণ করেছেন, এবং বর্ষা মৌসুমে আর্থিক বা চাল-ডাল সহায়তা দিয়ে থাকেন।

আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশি ২০০৩ সাল থেকেই অদ্যবধি ‘বড় মহেশখালী এমদাদিয়া কাসেম উলুম(বড়) মাদ্রাসা’ পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসতেছেন। এবং ২০২১ সালেই ‘বড় মহেশখালী এমদাদিয়া কাসেম উলুম(বড়) মাদ্রাসা’র তিন তলা বিল্ডিং(ভবন) করতে সক্ষম হয়েছেন। বড় মহেশখালী ইউনিয়ন নতুন বাজারস্থ ঐতিহাসিক ‘কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে’র(সবচেয়ে বড়) ২০০৩ সাল থেকেই সভাপতির দায়িত্ব পালন করেতেছেন। বড় মহেশখালীস্থ ঐতিহাসিক ‘গ্রামীণ বাজার/শহর’ ‘নতুন বাজার’(যা ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই মহেশখালীস্থ অন্যতম বাণিজ্যিক বাজার, যেখানে মহেশখালীর পঞ্চাশ হাজার জনগণের নিত্যদিনের বাজার, এবং বাণিজ্যিক লেনদেন করে থাকে), ১৯৯৩ সাল থেকেই অদ্যবধি ‘নতুন বাজার বণিক কল্যাণ সমিতি’র সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব পালন কালে উক্ত ‘নতুন বাজার’ এর শান্তি শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে, যা এখনো সমুন্নত আছে।

স্থানীয় বড় মহেশখালীস্থ ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে’র উদ্বেগে জাতীয় দিবস সমূহ, যেমনঃ ১৫ই আগস্ট ও ২১শে আগস্ট এর শোক দিবস পালন, ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস, ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ দিবস ইত্যাদি; এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সহ সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের জন্ম দিবস ও অন্যান্য নিজস্ব কর্মসূচী সমূহ, যেমনঃ স্থানীয়ভাবে এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে নিয়ে বিভিন্ন ইফতার পার্টির আয়োজন, প্রভৃতি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের ইমেজ ও উন্নয়নের সাফল্য জনগণের সামনে উপস্থাপনের মধ্য দিয়েই আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা ও ভালবাসা সৃষ্টিতে উদ্বুদ্ধকরণ করে দলীয় সমর্থক, কর্মী ও ভোটার বৃদ্ধিকরণে কাজ করে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বড় মহেশখালী ইউনিয়ন শাখার উদ্বেগে ‘ইউনিয়ন শাখা ও সমস্ত ওয়ার্ড’ এর ‘আওয়ামী লীগ এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের’ নেতাদের নিয়ে আসন্ন ‘বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন’ এর বিষয়ে স্থানীয় ‘বড় মহেশখালীস্থ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে’ একটা মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মিটিংএ ঐক্যবদ্ধ ভাবে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় ভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ যাকে প্রদান করা হবে, তার পক্ষেই কাজ করার সিদ্ধান্তের প্রতি সন্মান জানিয়েছেন।

আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশি ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বড় মহেশখালী ইউনিয়ন’ এর কর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় সাধারণ জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সন্মান দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ‘ডিজিটাল আইল্যান্ড মহেশখালী’র বড় মহেশখালী ইউনিয়নে ‘স্পেশান ইকুনোমিক জোন’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ডিজিটাল শিল্পায়ন, সামাজিক বনায়ন, সামুদ্রিক বনায়ন, লবণ চাষি, পান চাষি, মৎস্য চাষি, এবং কৃষকের কাজের গতিশীলতার মাধ্যমেই শিক্ষিত বেকার যুবকের কর্মস্থানের (ব্যবসায়ী, চাকুরী) মাধ্যমে একটি ডিজিটাল মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাশি বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করতেছেন বলে জানিয়েছেন।

 

আশহাদ উল্লাহ সায়েমও বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। সত্যিকার অর্থে আশহাদ উল্লাহ সায়েম, পারিবারিক ভাবে এবং আদর্শগত ভাবে একজন বিএনপি মানসিকতার লোক। আশহাদ উল্লাহ সায়েমের পিতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, এবং সাবেক বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। আবার তাঁর চাচা আলহাজ্ব আলমগির মুহাম্মদ মাহাফুজ উল্লাহ ফরিদ, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কক্সবাজার-২ আসনে দুইবার সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের জোট সরকারের মেয়াদকালে আলহাজ্ব আলমগির মুহাম্মদ মাহাফুজ উল্লাহ ফরিদের তত্ত্বাবধানে বা প্রভাব কাঠিয়ে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা, কর্মীর ব্যবসা বাণিজ্যে, চিংড়ি ঘেরে, লবণের মাঠে হামলা হয়েছে, জবর দখল হয়েছে, ডাকাতি-ছিনতাই হয়েছে, অনেককে এলাকা, বা ঘর ছাড়া করেছে। এই সব কাজে সেই সময়ের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ শহিদুল্লাহের সাথে আশহাদ উল্লাহ সায়েম সম্পৃক্ত ছিলেন, এবং আর্থিক ভাবেই লাভবান হয়েছেন বলে জানা যায়। গতবারের বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আশহাদ উল্লাহ সায়েম আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর ‘নৌকা মার্কা’র বিরুদ্ধে গিয়ে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব এলায়েত উল্লাহ বাবুল’র(আলহাজ্ব এলায়েত উল্লাহ বাবুল হচ্ছে, আশহাদ উল্লাহ সায়েমের জেঠাতো ভাই/চাচাত ভাই) পক্ষে দুইটা ভোট কেন্দ্র জোর পূর্বক দখল করে ভোট কেটে নেন, এবং এই দখলের প্রতীবাদ বা প্রতিরোধ করার কারনেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ শরীফ বাদশাহ’র আপন কবির আহমদের হাত কেটে দেন, যিনি এখনো পঙ্গু হয়ে আছেন। ফলে বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। আবার আশহাদ উল্লাহ সায়েম, কক্সবাজার-২ আসনের বর্তমান সাংসদের চাচাত ভাই, এবং চাচাতভগ্লি পতি হওয়ায় অতি সহজেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে যান, এবং প্রভাব কাটিয়ে বাস্তবায়নাধীন মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের কিছু বাণিজ্যিক কাজ আদায় করেছেন, চিংড়ি ঘের, লবণ মাঠের বাণিজ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে লাভবান হয়েছেন। ফলে বুঝায় যাচ্ছে, আর্থিক ভাবে লাভবান হতেই তিনি রাজনীতির পট-পরিবর্তন করেছেন। আওয়ামী লীগের সঠিক মনোনয়নই আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মীদের অবহেলিত, এবং অবাঞ্ছিত হওয়া থেকেই রক্ষা পাবে, এবং বড় মহেশখালী ইউনিয়নে ‘আওয়ামী পরিবার’ সমূহ বিলুপ্তি হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

 

আব্দুল্লাহ আল নিশান আর একজন বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী। যিনি একজন আওয়ামী লীগের কর্মী, এবং বর্তমান মহেশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা আলহাজ্ব মোঃ শরীফ বাদশার সন্তান। এখানে উল্লেখ থাকে যে, গত উপজেলা নির্বাচনে আলহাজ্ব মোঃ শরীফ বাদশা, আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়েই উপজেলা নির্বাচন করেন। আব্দুল্লাহ আল নিশান, ছাত্রজীবন থেকেই পারিবারিক শক্তিতে এলাকায় জনগণের মধ্যেই প্রভাব বিস্তার করে আসতেছেন। ফলে তিনি ছাত্র অবস্থা থেকে গাঁয়ের জোরেই নেতা। আর স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন সময়েই জমি দখল, চিংড়ি’র ঘের দখল, লবণের মাঠের জমি দখলে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে।  আর তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন লাভে ব্যর্থ হলেও বিদ্রোহী হিসাবে নির্বাচন করবেন। এমনটাই নাকি এলাকার জনগণের সামনে ঘোষণা দিয়েছেন, এবং নির্বাচনী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD