1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
দুমকিতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস - DeshBarta
শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি সূর্যগিরি আশ্রম শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও বস্ত্র বিতরণ শুভ জন্মদিন ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি জিদান জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে চলচ্চিত্র ‘ঝরা পালক’ মুক্তি পেল পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে চন্দনাইশ থানা পুলিশের র‍্যালি পদ্মা সেতু ও জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। করোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পটিয়া শ্রমিকলীগ সভাপতি সামশুল ইসলাম’র মাক্স বিতরন চকরিয়ায় উত্তর পশ্চিম বরইতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটি গঠিত ফটিকছড়িতে দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আনোয়ারা যুবদলের উদ্যোগে বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় মাদার তেরাসা পদক পেলেন এস এম পিন্টু

দুমকিতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস

  • সময় রবিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৬৫ পঠিত

মোঃ জাহিদুল ইসলাম, দুমকি পটুয়াখালী প্রতিনিধি: শীত মৌসুম শুরুর সাথে সাথে গ্রাম বাংলার অজো পাড়া-গাঁয়ে ঐতিহ্যবাহী খেজুর গাছ থেকে সুস্বাদু রস সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত হতে দেখা যায় কৃষকদের। সুমিষ্ট এ রস দিয়ে পিঠা পায়েস সহ নানা ধরনের লোভনীয় খাবার তৈরি করা হয়। কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় শীত কালীন ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস। এমন এক সময় ছিল গোটা শীত মৌসুমজুড়ে রসের পিঠা,পায়েস,গুড় তৈরি হত ঘরে ঘরে। শীত আসার সাথে সাথে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়ত কৃষকরা। সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে একদিকে যেমন খেজুর গাছ বিলুপ্ত হতে চলেছে, অন্যদিকে অভিজ্ঞদের অভাবে গাছ ছেলা প্রায় বিলুপ্তির পথে। হঠাৎ চলার পথে দেখা গেল পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জামলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তার ২’পাশে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ব্যস্ত আঃ খালেক হাওলাদার(৪৫) কে। তিনি জানান, হারানো ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে তিনি এবছর, নিজের ও অন্যেরসহ মোট ৪০-৫০টি গাছ রস সংগ্রহের জন্য প্রস্তুত করবেন। ইতিমধ্যে প্রায় ২০টি প্রস্তুত করেছেন। গাছ ছেলা থেকে রস সংগ্রহ পর্যন্ত ১০থেকে ১২ দিন সময় লাগে। বিশেষ কৌশলে বাঁশের তৈরি খিল- চুঙ্গি বসানোর পর মাটির হাড়ি পেতে সুস্বাদু এ রস সংগ্রহ করা হয়। গাছ থেকে রস বের করতে প্রতিদিন গাছের কিছু অংশ ছেঁচে ফেলা হয়। একাধারে ৩ দিন কান্ড শুকানোর পর পুনরায় পালাক্রমে রস সংগ্রহ করা হয়। তিনি আরো জানান, গড়ে প্রতিটি গাছ থেকে ৩লিটার রস পাওয়ার আশা করছেন, বর্তমানে খেজুর রসের চাহিদা অনেক বেশি। দরদাম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৫লিটারের প্রতি কলস সাড়ে ৪ থেকে ৫’শ টাকায় এবং প্রতি কেজি গুড় ১৪০-১৫০টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। একই গ্রামের আরো কয়েকজন এবছর খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করবেন বলে জানান, ইউসফ খান, ছালাম মৃধা ও নাসির খান। এ ব্যাপারে দুমকি উপজেলা কৃষি অফিসার মেহের মালিকা জানান, রাস্তার পাশে, জমির আইল, পরিত্যাক্ত জমিতে বিনা পরিচর্যায় যে কোন ধরনের মাটিতে এ প্রজাতির গাছ ভালো জন্মায়। তিনি কৃষকদের উচ্চ ফলনশীল আরব জাতের পাশাপাশি দেশীয় খেজুর গাছ রোপন করার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এতে রস ও গুড়ের চাহিদা পূরণ ছাড়াও খেজুর রস বিক্রি করে আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়া যায়। অপরদিকে খেজুর গাছের পাতা দিয়ে মাদুর সহ বিভিন্ন কুটির শিল্পের কাজ করা ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD