1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
রাজনীতিতে তিনি আবর্জনা লালন করেন না,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, - DeshBarta
বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
৯৪ ব্যাচ আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত সিলেট র‍্যাব ৯ দুইবারের শ্রেষ্ঠ চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড় খালিয়াজুরীর অসিত চক্রবর্তী পবিত্র ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে চকরিয়ার কামারশালায় টুং টাং শব্দে মূখরিত পটুয়াখালীর বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নাজমুল শাহাদাতের পিতার মৃত্যুতে শোক। পটুয়াখালী মাদারবুনিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ০১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ০১ কোরবানি হোক আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে” দেশব‍্যাপী বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহিদ কল্যাণ ট্টাষ্ট এর পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ চাহিদার শীর্ষে মাঝারি,ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে দেশী গরু, সিলেটে ইউনিয়ন অফ এসএসসি ১৯৯৪ বাংলাদেশ গ্রুপের ব্যবস্থাপনায় বন্যার্তদের ত্রাণ সহায়তা।

রাজনীতিতে তিনি আবর্জনা লালন করেন না,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,

  • সময় রবিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৮৭ পঠিত

ডা. মুরাদ হাসানের কদর্য, অরুচিকর কথাবার্তা নিয়ে এখন দেশ সরগরম। একজন প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং চিকিৎসক কীভাবে এত নোংরা ভাষায় কথা বলতে পারেন তা নিয়ে নানা জনের নানা মত। ডা. মুরাদের এসব অশ্লীল কথাবার্তা প্রকাশের পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন। মন্ত্রিসভা থেকে তাকে কার্যত বরখাস্ত করেছেন। এর মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা প্রমাণ করলেন রাজনীতিতে তিনি আবর্জনা লালন করেন না। প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্ত সব মহলে প্রশংসিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। শেখ হাসিনা অত্যন্ত সাহসী রাজনীতিবিদ তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কঠিনতম সিদ্ধান্ত নিতে তিনি যে এতটুকু বিচলিত নন তা দুটি ঘটনায় আবার প্রমাণ করলেন। জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুরের নির্বাচিত মেয়র। এলাকায় তার জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। কিন্তু দলের আদর্শবিরোধী কর্মকান্ডের কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করতে এতটুকু দ্বিধা করেননি শেখ হাসিনা। ডা. মুরাদ আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। তার পিতা জামালপুর আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে মুরাদের পিতার নামে জামালপুরে একটি রেলস্টেশনের নামকরণ করেছিলেন। কিন্তু যখন ডা. মুরাদ সীমা লঙ্ঘন করেছেন তখন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেরি করেননি প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্ত সবার জন্য একটি বার্তা। রাজনীতিতে যে অসভ্যতা, কুৎসিত আচরণের কোনো স্থান নেই তা শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন,

ফেসবুকে ডা. মুরাদের একটি সাক্ষাৎকার আপত্তিকর। এ সাক্ষাৎকার প্রচারের পর এ নিয়ে বিভিন্ন মহল সোচ্চার হলো। নারী নেত্রী, সুশীলসমাজ, বুদ্ধিজীবী সবাই ছি ছি রব তুললেন। এসব প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত আশাপ্রদ। নারী নেত্রী, সুশীলসমাজ কিংবা শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীরা যে কোনো সমাজের আলোকবর্তিকা। তাঁরা আমাদের পথ দেখান। ডা. মুরাদের কিছু বক্তব্য নিয়ে সুশীলসমাজ যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন তা যথাযথ। কিন্তু সুশীলদের এ প্রতিক্রিয়া আমাদের মতো মূর্খ আমজনতার মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি করল। সুশীল, নারী নেত্রীদের বক্তব্য শুনে মনে হলো বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা স্বাদুপানির মাছ। তাঁরা কেউ মুরাদের মতো নারীবিদ্বেষী নন। নারী নিয়ে কুরুচিকর অশ্লীল মন্তব্য বাংলাদেশে এটিই প্রথম। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা প্রমিত বাংলায় কথা বলেন। ‘চ’ এবং ‘ম’ বর্গীয় শব্দের ধারেকাছেও যান না। ধবধবে রাজনীতির সফেদ জমিনে কালিমা লেপনকারী প্রথম ব্যক্তি হলেন ডা. মুরাদ। বিভ্রম ঘোচাতে একটু ফিরে দেখার চেষ্টা করলাম। রাজনীতিবিদদের কথাবার্তা কার কেমন খুঁজে দেখলাম খানিকটা। খুঁজতে গিয়ে আমি নিজেই লজ্জিত হলাম। ডা. মুরাদের বক্তব্য নিয়ে যখন সারা দেশ তোলপাড়, তখন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবাধে বিচরণ করছে। মুরাদের বক্তব্য যদি আবর্জনা হয় তাহলে আলালের বক্তব্য নর্দমা। দেশের প্রধানমন্ত্রী একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নারী সম্পর্কে এত বীভৎস বক্তব্য কেউ দিতে পারেন- তা ভেবেই আমি শিউরে উঠলাম। কোথায় আমাদের নারী নেত্রীরা? কোথায় আমাদের সুশীলসমাজ? কোথায় আমাদের বুদ্ধিজীবীরা? এত জঘন্য বক্তব্যের পর তাদের মুখে কোনো কথা নেই কেন? এ প্রশ্নের উত্তর আমি খুঁজে পাই না। মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল একা নন। বিএনপির নারী নেত্রী আসিফা আশরাফী পাপিয়া ২০০৯-এর সংসদে নারী কোটায় সংসদ সদস্য ছিলেন। সংসদে তাঁর একটি বক্তব্য কোনো সুস্থ মানুষ শুনতে পারবে না। এত দুর্গন্ধযুক্ত বক্তব্য একজন নারী দিতে পারেন তা ভেবেই সারা শরীর ঘিনঘিন করে ওঠে। কখনো শুনিনি বাংলাদেশের নারীবাদীরা এ বক্তব্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। ওই সংসদেই বিএনপির নারী সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু, শাম্মী আক্তার যেসব কথাবার্তা বলেছেন তা কোনো সুস্থ মানুষ উচ্চারণ করতে পারবেন না। জাতীয় সংসদে এই নষ্টদের উৎসবের সময় আমরা সুশীলদের প্রতিবাদ করতে দেখিনি। নারী অধিকার নিয়ে সোচ্চার নারীবাদীরা কোনো বিবৃতি দেননি। শেখ হাসিনা শুধু চারবারের প্রধানমন্ত্রী নন, এ দেশের নারী জাগরণের পথিকৃৎ। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশে নারী জাগরণের নতুন অধ্যায় রচিত হয়েছে। অথচ তাঁর প্রতি একরকম অশ্রাব্য উচ্চারণের পরও জাতির বিবেকরা নীবর কেন?
মুরাদের বক্তব্যের পর বিএনপি নেতারা যেসব কথাবার্তা বলেছেন তা কি মুরাদের বক্তব্যের চেয়ে কোনো অংশে শালীন? সাদেক হোসেন খোকা বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে রাজনীতিতে এসেছে। শুধু বিএনপি নয়, অনেক বুদ্ধিজীবীকে বলতে শুনি ইশরাকের দম আছে। সাহসী। মুরাদের বক্তব্যের পর ইশরাক যে ভাষায় মুরাদ ও আওয়ামী লীগের নেতাদের গালাগালি করলেন তা শ্রবণ-অযোগ্য। এটুকু ছেলে এত নোংরা কথা শিখল কীভাবে? কাউকে তো বলতে শুনলাম না- ‘ইশরাক এটাও অন্যায়। এমন করলে তুমিও তো মুরাদ হবে।’ বরং কেউ কেউ ইশরাককে বাহবা দিলেন। বাঃ এক কাজে দুই ফল। আওয়ামী লীগের নেতারা কুকথা বললে তা হবে কুরুচি আর বিএনপি নেতারা একই কথা বললে তা হবে সাহসী!
আমাদের সুশীলদের এ পক্ষপাত নতুন নয়। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একই কাজে আওয়ামী লীগ পায় নিন্দা, বিএনপি পায় হাততালি। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অভিযানের দায়িত্ব দেন। এ অভিযানে সুশীলসমাজ আর্তনাদ করে উঠল। হলিডে সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ খান লিখলেন- ‘গণতন্ত্রের লজ্জা’। আবার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে জিয়া যখন সেনাবাহিনী দিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের নামে আওয়ামী লীগ এবং জাসদ নিধন শুরু করলেন তখন সেই হলিডেই সম্পাদকীয়তে লিখল- ‘অতিপ্রয়োজনীয় কাজ’। গণবাহিনী ও সর্বহারার সন্ত্রাসীরা ১৯৭২-৭৫ সালে শুরু করল গুম-খুন-সন্ত্রাস। বঙ্গবন্ধু যখন এর বিরুদ্ধে কঠোর হলেন তখন এ দেশের সুশীলরা আর্তনাদ করলেন। আর জিয়া যখন বিচারের নামে প্রহসন করে কর্নেল তাহেরকে হত্যা করলেন,

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD