1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ‘নৌকা প্রতীক’ নিয়ে ‘দুর্নীতিবাজ’ ও ‘ভূমি খেকো’ মনোনয়ন প্রত্যাশী। - DeshBarta
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাউজানে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ‘২২ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বন‍্যাদুর্গতদের মাঝে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত কাতার প্রবাসী। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির জরুরী সভায় আবুল হাশেম বক্কর। দুমকিতে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও আনন্দ মিছিল ২১ খালের ও ১১ প্রকল্প নিয়ে চসিক মেয়রের মন্তব্য। নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে খালিয়াজুরীতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ চন্দনাইশে ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ-সার বিতরণ চন্দনাইশে মাদকের অপব্যবহার ও পাচাররোধে র‌্যালী-আলোচনা সভা উগ্রবাদ প্রতিহতে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধিকরণে নাগরিক প্রশিক্ষণ

ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ‘নৌকা প্রতীক’ নিয়ে ‘দুর্নীতিবাজ’ ও ‘ভূমি খেকো’ মনোনয়ন প্রত্যাশী।

  • সময় বুধবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৩৫ পঠিত

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি, সর্বশেষ ধাপে (সপ্তম) দেশের ১৩৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোট গ্রহণ করা হবে । এইবার কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ১২ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৫ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২২ জানুয়ারি। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।

ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের এই নির্বাচনকে সামনে রেখে  মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেই ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ তথা ‘নৌকা মার্কা’র মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিখা হচ্ছেঃ (১) জহিরুল ইসলাম সিকদার, (২) মাষ্টার এনামুল করিম, (৩) মাষ্টার মাহবুব আলম, (৪) ব্রজ গোপাল ঘোষ, (৫) আব্দুল গফুর, (৬) শাহরিয়ার চৌধুরী, (৭) সাইফুল ইসলাম রায়হান, (৮) রিয়ান সিকদার, (৯) ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, (১০) মোহাম্মদ শাহজাহান, (১১) আব্দু সমদ, (১২)মনিরুল ইসলাম মনির, (১৩) জিহাদ বিন আলী(বর্তমান চেয়ারম্যান)।

আবার এই ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ তথা ‘নৌকা মার্কা’র মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নির্বাচন নিয়ে নিজেদের ভাবনা জানানো এবং বায়োডাটা (সিভি) সংগ্রহ ও নির্বাচনে অংশ গ্রহণ ইচ্ছুক প্রার্থীদের মধ্যেই বুঝাপড়া করণের জন্যই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন শাখার উদ্বেগে এক বিশেষ বর্ধিত সভা ৩১ ডিসেম্বর সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৫ টা পর্যন্ত ছোট মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের হল রুমে অনুষ্টিত হয়েছে।উক্ত বর্ধিত সভায় সভাপতি/সাধারন সম্পাদক বরাবরে আওয়ামী লীগ তথা নৌকা মার্কার মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ১১ জন প্রার্থী বায়োডাটা (সিভি) জমা দিয়েছেন-(১) ব্রজ গোপাল ঘোষ (২) মাষ্টার মাহবুব আলম (৩) জহিরুল ইসলাম সিকদার, (৪) মাষ্টার এনামুল করিম (৫) আব্দুল গফুর (৬) আব্দু সমদ (৭) মোহাম্মদ শাহজাহান (৮) শাহরিয়ার চৌধুরী (৯) সাইফুল ইসলাম রায়হান (১০) রিয়ান সিকদার (১১) মনিরুল ইসলাম মনির। এর মধ্যেই কিন্তু জিহাদ বিন আলী(বর্তমান চেয়ারম্যান) উপস্থিত থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে  কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

এই সব মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ একটা শর্ট লিস্ট করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অফিসে পাঠিয়েছেন, সেখানে সম্ভাব্য যারা স্থান পেয়েছেন, তারা হচ্ছে,(১)রিয়ান সিকদার(যার কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের অন্তর্গত কোন ইউনিটে, কোন পদের নাম নেই),(২) মাষ্টার এনামুল করিম, সাধারণ সম্পাদক, ছোট মহেশ খালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ,(৩)মাষ্টার মাহবুব আলম, সাহিত্য ও সংস্কৃত সম্পাদক। মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ,(৪) জিহাদ বিন আলী(বর্তমান চেয়ারম্যান, সাবেক ছাত্রশিবির নেতা, যিনি ছোট মহেশ খালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপস্থিত থাকার প্রয়োজন বোধ করেননি, কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগের লিস্টে স্থান পেয়ে গেছে), এবং (৫)জহিরুল ইসলাম সিকদার, সভাপতি, ছোট মহেশ খালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের এই লিস্ট নিয়ে জহিরুল ইসলাম সিকদার, সভাপতি, ছোট মহেশ খালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে রাগান্বিত ভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি এটাকে দুঃখজনক বলেই প্রকাশ করেছেন। এখানে উল্লেখ থাকে যে, রিয়ান সিকদার এবং জহিরুল ইসলাম সিকদার আপন ভাই।

বর্তমান চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলী, যিনি আগেরবার ‘নৌকা প্রতীক’ নিয়ে নির্বাচন করেই জয় লাভ করেছিলেন। এই নির্বাচনের আগের মুহূর্ত পর্যন্ত এই জিহাদ বিন আলী জামায়েত-শিবির-বিএনপির রাজনীতির সাথেই সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই সময় জেলা আওয়ামী লীগের একটা বিশেষ অপ-শক্তির সহায়তায় আর্থিক লেনদেনের বিনিময়েই নৌকা প্রতীক পেয়েছিলেন বলেই জানা গেল। গত চেয়ারম্যান নির্বাচনে জিতে, জিহাদ বিন আলী এলাকার নিরহ জনগণকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করেছেন, জন্মনিবন্ধন ও জাতীয়তা সনদ বিক্রি করেছেন, চাল চুরি করেছেন; বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, পঙ্গু ভাতা, গর্ভবতী ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলে জনগণের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করেছেন; টিউবওয়েল ও বাড়ি দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায় করেছেন; পরিষদের মেম্বারদের সম্মানি ভাতা বন্ধ করে দিয়েছিলেন, গ্রাম পুলিশদের জন্য সরকারি ভাবে বরাদ্বকৃত বাইসাইকেল বিক্রি করে দিয়েছেন, ভিজিএফ ও ভিজিডি কার্ড বিক্রি করেছেন, গ্রাম পুলিশ নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছিলেন, আরেক জনের দোহাই দিয়ে ভোট আদায় করেছেন, ধার নেওয়া টাকা চাইতে গিয়ে অনেকে হুমকি মুখে পড়েছেন, বিচারের নামে জনগণের কাছ থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি করেছেন, জনগনের সাথে খারাপ আচরন করেছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে নির্যাতন সহ অসংখ্য অপকর্ম করেছেন। এখানে প্রকাশ থাকে যে, তিনি ছাত্র জীবনে শিবির এবং পরবর্তীতে জামায়েত-বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা ছিল।

ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে রিয়ান সিকদার জেলা আওয়ামী লীগ বরাবর জমাকৃত নিজ ভায়ো ডাটা(সিভি)তে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যকরী কমিটিতে কোন দায়িত্বশীল পদে না থাকা সত্বেও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভুয়া পদ-পদবী ব্যবহার করেছেন বলে জানা গেছে, যা শুনে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের জনগণের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, এবং স্বয়ং আওয়ামী লীগের দলীয় অনেক নেতাকর্মীরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। আর এরকম ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্বের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।

আর রিয়ান সিকদার দলীয় উচ্চ পর্যায়ের কিছু জেলা, উপজেলা পর্যায়ের নেতার ছত্রছায়ায় অবস্থান করে আসতেছে, ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয়, জেলা, ও উপজেলা পর্যায়ের অনেক নেতাদের নাম ব্যবহার করে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের পাহাড় অবৈধ ভাবে দখল নিয়ে ভুমি ব্যবহার বা পাহাড় কেটে বালু বিক্রি করেছেন, পাহাড়ের সরকারী বনাঞ্চলের গাছ কেটে বন উজাড় করে দিয়েছেন, এবং অবৈধ পথে বহু আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন, যা এলাকার জনগণ জানে, এবং স্থানীয় প্রশাসন অবহিত আছেন। এই সব বন উজাড় করার কারনেই এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তাই তিনি এলাকায় ভুমি দস্যু, বালু খেকো, পাহাড় খেকো, এবং বন খেকো হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন। 

 

আবার এই রিয়ান সিকদারের সাথে মহেশখালীর চিহ্নিত ও সরকারী তালিকা ভুক্ত ইয়াবা সম্রাট সালাউদ্দিনের সিণ্ডিকেটের সাথে সম্পৃক্ত থেকে ইয়াবা বাণিজ্যের সাথে জড়িত বলেই এলাকার সবাই অবগত। এই ক্ষেত্রে ইয়াবা সম্রাট সালাউদ্দিনের সিণ্ডিকেট রিয়ান সিকদারের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের, বা সরকারী দলীয় সুবিধা নিয়েছেন বলেই এলাকার জনগণের ধারনা। ফলে স্থানীয় ভাবে সর্বস্তরের জনগণের কাছে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে নিয়ে, বা দলীয় ইমেজে একটা বিরূপ প্রভাব পড়েছে। ফলে এলাকার জনগণের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে, এবং এলাকার ভবিষ্যৎ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সুশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার স্বার্থে রিয়ান সিকদারকে দলীয় মনোনয়ন প্রদান না করার জন্য ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি বা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনী মনোনয়ন বোর্ডের প্রতি এবং সর্বোপরি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন। না হলে, ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন তথা মহেশখালী উপজেলায় আওয়ামী লীগের ইমেজ রক্ষা করা যাবে না।

 

 

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD