1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
রাজাপুরে ডাঃ আবুল খায়ের রাসেলের বিরুদ্ধে গুরুতর দূর্ণীতির অভিযোগ - DeshBarta
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাউজানে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ‘২২ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বন‍্যাদুর্গতদের মাঝে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত কাতার প্রবাসী। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির জরুরী সভায় আবুল হাশেম বক্কর। দুমকিতে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও আনন্দ মিছিল ২১ খালের ও ১১ প্রকল্প নিয়ে চসিক মেয়রের মন্তব্য। নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে খালিয়াজুরীতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ চন্দনাইশে ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ-সার বিতরণ চন্দনাইশে মাদকের অপব্যবহার ও পাচাররোধে র‌্যালী-আলোচনা সভা উগ্রবাদ প্রতিহতে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধিকরণে নাগরিক প্রশিক্ষণ

রাজাপুরে ডাঃ আবুল খায়ের রাসেলের বিরুদ্ধে গুরুতর দূর্ণীতির অভিযোগ

  • সময় বুধবার, ২ মার্চ, ২০২২
  • ৩০ পঠিত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি॥ চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন এবং সহজলভ্য করতে বর্তমান সরকার নানাবিধ উদ্যোগ নিলেও স্বাস্থ্যখাতে ীনিয়ম -দূর্ণীতির পুরনো চিত্র মোটেও বদলাচ্ছে না। ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়ম -দূর্ণীতি, অব্যবস্থাপনা এ চিত্রটি বিদ্যমান। এ হাসপাতালে বছরে কোটি কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়া হলেও বরাদ্দের কতটা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে, এর থেকে জনগন কতটা সুবিধা পাচ্ছে, এ বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে থেকে তত্ত্ব তালাশ নেওয়া হয় না বললেই চলে। জানা গেছে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও প: প: কর্মকর্তা ডা: মো: আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেলের বিরুদ্ধে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাছ কেটে নিজের বরিশালস্থ প্রসাদময় ভবনের দরজা তৈরি ।ময়লা কাপড় ধোলাইয়ের খরচ বাবদ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সাথে আতাঁত করে টাকা আত্মসাৎ, ভবন সংস্কার বাবদ বরাদ্দ পাওয়া টাকা খরচ না করে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করে। সরকারী গাড়ী নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যাবহার, বদলী, পদোন্নতি পোস্টিং থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই দূর্ণীতির অভিযোগ।
রাজাপুর হাসপাতালে ১ যুগ ডাক্তারি করে রামরাজত্ব কায়েম করেছে ডাঃ মোঃ আবুল খায়ের মাহামুদ রাসেল।
প্রথমে রাসেল ননবিসিএস, মেডিকেল অফিসার পদে রাজাপুর সাস্থ্য কেন্দ্র যোগদান করে পরে বিসিএস দিয়ে একই হাসপাতালের আরএমও পদে চাকরি করে , তার পরে ৩/৪ মাসের জন্য ঝালকাঠি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করে আবারও নিজ উপজেলার সাস্থ্য কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করে।
ইতিপূর্বে রাজাপুর হাসপাতালের আরএমওর দায়িত ¡পেয়ে সব ফাঁক ফোকর বুঝে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হয়ে এবং সরকারি গাড়ী পেয়েই শুরু করে লুটপাট গড়ে তুলেন বিলাসী জীবন।এমনও অভিযোগ আছে ঘরের কাজের মহিলা ও মহিলা রুগী, আলেম, মুক্তিযোদ্ধা হাসপাতাল কর্মি, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী কেহই বাদ যায়নি তার ও তার পরিবারের নির্যাতনের কালো থাবা থেকে।
ভূক্তভেগীরা মুখ খুলতে সাহস পায়না, কারন তার রয়েছে ক্যাডার বাহিনী। রয়েছে এলাকার দাপট। তার এই আচার-আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে বহু হাসপাতালের কর্মি ও সাধারণ জনগণ। দেখার কেহই নেই, তার রয়েছে প্রভাবশালি কিছু আওয়ামী লীগনেতা , প্রভাবশালী কিছু বিএনপি নেতা এবং কিছু সাংবাদিক তার অপকর্মের সহযোগী।
যার বাস্তব প্রমান ডাঃ রাসেল এর ড্রাইভার কর্তৃক সাংবাদিকে হুমকি, হাসপাতালের মেহগনি, গাছ কেটে ডাঃ রাসেল এর বরিশালের বাড়ীর কাজে ব্যবহার ও সরকারি শিশু ও রেন্ট্রি গাছ বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি নিয়েও মুখ খুলেনি বঘা বাঘা সাহসী সাংবাদিক ও এলাকার নেতাসহ প্রশাসনের কেহই। আরও মজার ব্যাপার হলো তার এই অপকর্মের কাহিনী দুই এক জন সাংবাদিক অনুসন্ধান করতে নামলে তাদেরকেও থামিয়ে দিচ্ছে বাঘা বাঘা সাংবাদিকরা। কাল এক অনুসন্ধানী সাংবাদিককে ১৩ জন সাংবাদিক ফোন করে বলে তার সংবাদ না ছাপাতে।এমনকি হাসপাতালের কোনস্টাপ ডাঃ আবুল খায়ের মাহামুদ রাসেল এর ব্যক্তিগত ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করলে তাকে মেরে পিটিয়ে রাজাপুর হাসপাতাল থেকে অন্যত্র বদলি করারও অভিযোগ আছে। এছাড়াও রাজাপুর হাসপাতালে সিন্ডিকেট করে অবৈধ টাকা আয়। রাজাপুর হাসপাতালের জরুরী বিভাগ ফাকা রেখে ডাঃ রাসেল এর বাসায় রুগী নিয়ে বানিজ্য রাজাপুর হাসপাতালের এম বি বিএস চিকিৎসক দের চিকিৎসা না দিতে উৎসাহিত করে ডাঃ রাসেল এর প্রাইভেট বানিজ্য। বানিজ্যিক সুবিধা নিতে ঘন ঘন আরএমও পরিবর্তন।সরকারি গাড়ী নিজ কাজে বরিশালে বাড়ির দেখা শুনা করতে নিয়মিত ব্যবহার। হাসপাতালের গাছ কেটে বরিশালের বাড়ীর দরজা চৌকাঠে নির্মাণ ও ফার্নিচার বানানো ও বিক্রি করে মোটা অংক আয়। রুগী দের সাথে মাস্তানী আচারন। হাসপাতালের রুগী ভাগিয়ে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ আদায়। মুক্তি যোদ্ধা রুগীকে হুমকি ডাঃ রাসেল এর ইচ্ছার বিরুদ্ধে রুগীর ইচ্ছায় পরিক্ষা করলে সে সব রুগীকে হয়রানি করা,ধমক দেয়া। নিজ ইচ্ছে মতো হাসপাতালের ঠিকাদার নিয়োগ চলছে ঝালকাঠি কোটে মামলা হাসপাতালের কেনা কাটায় ব্যাপক অনিয়ম।রাজাপুরের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার ও সরকারি চিকিৎসা ও ঔষধ নির্বাচনী কাজে উৎকোচ দেয়ার প্রতিশ্রুতি।
আরও রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার ও বরিশাল বাংলা বাজারে বিলাশ বহুল বাড়ী নির্মান রাজাপুরবাসির প্রশ্নঃ ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃআবুল খায়ের মাহামুদ রাসেল, ছেলের চিকিৎসা করাতে দেশে, বিদেশে বহু টাকা খরচ করেছে, এমন কি তার ছেলের চিকিৎসার জন্য রাজাপুরের জমিও বিক্রি করে বিদেশে চিকিৎসা করাতে হয়েছে। সেই ডাক্তারের পরিবারের নামে ৪/৫ বছরের ব্যবধানে কিভাবে ৩ কোটি টাকার বাড়ী করে বরিশালে সেটাই প্রশ্ন। ডাঃ রাসেল গরীব ও সাধারণ রুগীদের চিকিৎসা নিয়ে ছিনি মিনি করে এক যৃগ ধরে রাজাপুরে রাম রাজত্ব কায়েম করেছে। ডাঃ আবুল খায়ের রাজাপুর হাসপাতালে কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান থেকে আজ পর্যন্ত সরকারি টাকা ঔষধ ক্রয়, এম,এস,আর, পথ্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, স্টসনারী, মনোহারি, রিএজেন্ট, করোনা কোরান ইন্টাইন, বিশেষ সন্মানী ভাতা, ধোপা, ও বিভিন্ন টেন্ডারের অনিয়ম হয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছি। তবে ডাঃ রাসেল এর নামে ঝালকাঠি জিলা জজ আদালত টেন্ডারের অনিয়মে ১ টি মামলা এবং অন্য ১ টি অপচিকিৎসা মামলা হাইকোর্ট চলমান।
এব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যব¯া ’নেওয়া দাবি জানান এলাকার সাধারণ জনগণ। ডাঃ আবুল খায়ের মাহামুদ এর বরিশাল বাংলা বাজারের ভবনটিতে অবস্থান রত নপুর বলেন, আমার ভাইর বাড়ী, আমি তার বোন, ভাই এর নাম আবুল খায়ের মাহামুদ ডাঃ রাসেল, সে থাকে রাজাপুর, আমাদের বাড়ী রাজাপুর থানায়, রাসেল মাঝে মাঝে আসে।
এ ব্যাপারে বক্তব্য গ্রহনের জন্যে ডাঃ আবুল খায়ের মাহামুদ রাসেল এর ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিলে তিনি তা রিসিভ রিসিভ করেন নাই।
নগরীর বাংলা বাজারে ৫ তলা ভবনে বসবাসকারী ডাঃ মোঃ আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেলের বোন নুপুর বলেন, “এই ভবনের মালিক তার বড় ভাই রাসেল। ফ্লাটের মেহগনি কাঠের দরজা রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রের গাছ কেটে এন তৈরি করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন , না ভাইয়া বলেছে

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD