1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
চকরিয়া-লামায় বৃক্ষ নিধন অব্যাহত; নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য - DeshBarta
শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চকরিয়ায় উত্তর পশ্চিম বরইতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটি গঠিত ফটিকছড়িতে দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আনোয়ারা যুবদলের উদ্যোগে বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় মাদার তেরাসা পদক পেলেন এস এম পিন্টু বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে হতদরিদ্র মেয়ের বিবাহের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীতে ভেজাল সয়াবিন তৈল বোতলজাত করন। ১ ব্যবসায়ী গ্রেফতার। কক্সবাজারে চলন্ত বাসে রোহিঙ্গা তরুণী ধর্ষণ চেষ্টা মামলার ২ আসামী গ্রেফতার। চরখিজিরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি অনুমোদন হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানা পুলিশের অভিযানে ৮কেজি গাঁজাসহ মহিলা ব্যাবসায়ী গ্রেফতার। নেত্রকোণা ৪ বন্যার্তদের পাশে আওয়ামীলীগ নেতা জনাব শফি আহম্মদ

চকরিয়া-লামায় বৃক্ষ নিধন অব্যাহত; নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ, ২০২২
  • ৪১ পঠিত

জেপুলিয়ান দত্ত জেপু,চকরিয়াঃ

পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামা ও কক্সবাজার জেলার চকরিয়া সংযুক্ত হওয়ায় উভয় উপজেলায় সবুজ বনাঞ্চলে ভরপুর ছিল এক সময়। দেশের মোট আয়তেনর ১৭ শতাংশ বনভূমি এর মধ্যে সিংহ ভাগ পার্বত্য এলাকায়। পার্বত্য চট্রগ্রামের বান্দরবান জেলার পূর্ব-দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘ এলাকার বনবিভাগ লোহাগাড়া উপজেলা ও কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। যার ফলে এ অঞ্চলের কিছু অসাধু গাছ ব্যবসায়ী প্রশাসনের নাকের ডগায় বৃক্ষ নিধনের নেশায় বিভোর। এছাড়াও চাহিদার প্রতিদ্বন্দ্বীতায় টিকে থাকতে পারছে না সবুজ বন বৃক্ষ।দেশের ভূখন্ডের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকার নিয়ম থাকলেও বর্তমানে এক তৃতীয়াংশও বনভূমি নেই। অসাধু ইটভাটার মালিক ও ফার্নিচার মালিক পক্ষ যেন বৃক্ষ নিধনের প্রতিযোগিতায় নামছে। ফলে দেশে বর্তমানে মোট বনভাগের ৮ ভাগও আছে কিনা সন্দেহ। নিয়মবহির্ভূত অবাধে বৃক্ষ নিধনের ফলে চকরিয়া- লামার বনভূমি এখন বৃক্ষশূন্য ন্যাড়া মাথায় পরিণত হয়েছে। এ ভাবে প্রতিনিয়ত বৃক্ষ নিধন যজ্ঞ চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে চুলায় জ্বালানোর কাঠও মিলবে না। এক সময় সবুজ গাছালীতে ভরা দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল সবুজের সমারোহ থাকলেও আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে এ অঞ্চল ধু-ধু মরুভূমিতে পরিণত হবে বলে বিশেজ্ঞদের ধারণা।
জানা গেছে,পার্বত্য লামা ও চকরিয়া উপজেলায় মোট ২৯ টি ইটভাটা রয়েছে, এর অধিকাংশ লামার ফাইতংয়ে । এ দিকে, বান্দরবান জেলা ও কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে চাষ করা হচ্ছে তামাক চাষ। এসব তামাক পাতা পোড়ানোর জন্য রয়েছ হাজার হাজার চুল্লি। এ চুল্লিগুলোতে জ্বালানি হিসেবে বব্যহার করা হচ্ছে বনের কাঠ। যার উৎস বিশাল বনভূমির সবুজ বন। এ সব চুল্লি থেকে প্রতিনিয়ত নির্গত হচ্ছে কালো বিষাক্ত ধোঁয়া।
চকরিয়া উপজেলা লামা উপজেলার পার্শ্ববর্তী হওয়ায় লামার ফাইতং ইটভাটা ও তামাকচুল্লি থেকে প্রচুর পরিমাণ নির্গত কালো ধোঁয়া প্রতিদিন ছেয়ে যায় লামা ও চকরিয়ার পূর্বাঞ্চলের লোকালয়ে। এ ধোঁয়ার সাথে মিশে থাকে বিষাক্ত কার্বন-ডাই অক্সাইড ও কার্বন-মনো অক্সাইড। এ সব বিষাক্ত পদার্থ মানব দেহের ফুসফুসের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনি বন্য পশু-পাখির জন্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। যার ফলে প্রায় সময় বন্য হাতির পাল চকরিয়ার লোকালয়ে প্রবেশ করে খেত-খামারের ফসল অনিষ্ঠ করে এবং মানুষ হত্যা করতে দেখা যায়। এভাবে চলতে থাকলে সবুজ বনাঞ্চল বিলিন ও বন্য পশু-পাখির মৃত্যু হয়ে এক সময় পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মক ভাবে বিধ্বস্ত হবে বলে অভিজ্ঞ মহল ধারণা করছেন। এভাবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হলে দেখা দিবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বিধি অনুযায়ী ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে খনিজ কয়লা ব্যবহার করার কথা থাকলেও অসাধু ইটভাটার মালিকরা তা মানছে না। ভাটার সামনে স্তুপ করে কিছু কয়লা নাম মাত্র রাখলেও অবিরাম জ্বালাচ্ছে বনের কাঠ। এছাড়াও ইটভাটার চুল্লির সাথে সংযুক্ত ১২০ মিটার চিমনি রাখার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ ভাটার মালিক তা মানছে না।
এদিকে চকরিয়া-পেকুয়া ও লামা,আলীকদমে রয়েছে হাজারো ফার্নিচার দোকান যেখানে তৈরি হচ্ছে নিত্য নতুন ডিজাইনের রকমারি ফার্নিচার। এ সব ফার্নিচার দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলে যায়। ফার্নিচার দোকান মালিকরা গাছ ব্যবসায়ীদের আতাঁত সম্পর্ক রেখে নিয়ম না মেনে চালিয়ে যাচ্ছে ফার্নিচার ব্যবসা। এরা রাতের আধাঁরে বনবৃক্ষ নিধন করে গুণছে মোটা অংকের টাকা। এসব ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কুকর্ম। প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা না থাকায় এসব অসাধু ইটভাটার মালিক ও ফার্নিচার দোকান মালিকরা অনিয়ম করেও পার পেয়ে যাচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD