1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
চকরিয়া পৌরশহর এখন যানজটের শহর,ঈদের কেনাকাটায় দুর্ভোগে জনতা - DeshBarta
রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

চকরিয়া পৌরশহর এখন যানজটের শহর,ঈদের কেনাকাটায় দুর্ভোগে জনতা

  • সময় শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৬ পঠিত

চকরিয়া প্রতিনিধি ঃ

চকরিয়া পৌরশহর এখন যানজটের শহর। চট্রগ্রাম- কক্সবাজার মহা সড়কের দু’পাশে মার্কেট সংলগ্ন দীর্ঘ এক কিলোমিটার জুড়ে সারিবদ্ধ ভাবে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী হকারের দোকান। এ সব দোকানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত থাকে ক্রেতাদের ভিড়। যার ফলে পথচারীদের যাতায়াতে পড়তে হয় মারাত্বক অসুবিধায়।

মহাসড়কের দু’পাশে অবিরত চলে ইজিবাইক,টমটম ও সিএনজি চালিত অটো। এসব যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান। মাঝে-মধ্যে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ফলে কিছুদিন যানজটমুক্ত হলেও দিন যেতে না যেতেই অস্থায়ী হকারের কাছ থেকে দু’পয়সা নিয়ে আবারও এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা এদেরকে মার্কেটের সামনে বসার সুযোগ করে দেয়।

এর ফলে যান চলাচলে যেমন ব্যাঘাত ঘটে তেমনি প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকে চুরি,ছিনতাইসহ নানা ধরণের অপরাধ। আগামী রমজানের ঈদকে কেন্দ্র করে ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ীরা ইতিমধ্যে চকরিয়া পৌরশহরে ভিড় জমাতে শুরু করছে। ফলে যানজটের শহরে পরিণত হল চকরিয়া পৌরসভা। এ ধরণের যানজট নিরাসনের কোন ধরনের পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের অভিযান না থাকায় চিরিংগা পৌর শহরে চট্রগ্রাম – কক্সবাজার মহাসড়কে প্রতিনিয়ত, যানজট লেগে থাকে এবং ফুটপাত হকারদের দখলে রয়েছে। ফলে প্রতিদিন দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলসহ পথচারীদের চলাচলে বাধাঁ সৃষ্টি হচ্ছে । চকরিয়া পৌর শহরের ব্যাস্ততম ব্যাণিজ্যিক শহর চিরিংগা থানার রাস্তা মাথা , সোসাইটি হাসপাতাল সড়ক, নিউ মার্কেট, পুরাতন বাস স্টেশন মাতামুহুরী নদীর ব্রিজ পর্যন্ত ৩টি সড়কের মধ্যে বক্স সড়ক টি দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল করলেও অন্য দিকের দুই পাশে দুই টি সড়ক দিয়ে অটোরিক্সা, সিএনজি চালিত অটো,ইজিবাইকসহ বিভিন্ন ধরণের দুইচাকা ও তিনচাকার যান চলাচলের ফলে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

অপর দিকে, সড়কে দুই পাশে পৌরসভার ইজারার নাম দিয়ে ফল ব্যবসায়ী নামে একটি সমিতি ফুটপাত জবর দখল করে হকারদের কাছ থেকে অবৈধ ভাবে দৈনিক হাজার হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে । চকরিয়া ফুটপাতে মৌসুমী ফল, কাপড়,বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর দোকানসহ কবিরাজি দোকান বসিয়ে রকমারী ভাসমান দোকান থেকে চাঁদা আদায় করে এক শ্রেণির দালালচক্র।

অন্য দিকে, মার্কেটের মলিকরা ও ফুটপাত দখল করে হকারদের কাজ থেকে মোটা অংকের টাকা লেনদেন করে দোকান বসিয়ে। এতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীসহ পথচারী ও মার্কেটে আসা নারী পুরুষ যানজটের ভিড়ে পড়ে দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে। এ ব্যাপারে চকরিয়া পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের অভিযান তেমন ভাবে চোখে পড়ার মত নয় বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল।

চকরিয়ার পৌর শহরের মার্কেটের ভিতরের ব্যাবসায়ীরা একাত্তর পোস্টের এ প্রতিনিধিকে অভিযোগ করে জানান, মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান করলেও পরদিন ফের ২৪ ঘন্টার মধ্যে এসব ভাসমান হকারেরা নিয়ম-নীতি না মেনে পুনঃরায় দোকান বসায়। এসব অবৈধ ফুটপাত দখলদারদের উচ্ছেদ করার জন্য এলাকা বাসি জোর দাবী জানাচ্ছে পৌর প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি।

চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরীর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পৌর শহর যানজট ও ফুটপাত অবৈধ ভাবে দখলে থাকা হকাদের উচ্ছেদের চিরুনী অভিযান আব্যাহত থাকবে। পৌরসভা থেকে কোন ইজারা দেওয়া হয় নাই তা শুধু অপপ্রচার ছাড়া কিছুই নয়। তিনি আরো জানান, আগামী ঈদকে সামনে রেখে পৌর শহরের সৌন্দর্য বর্ধিত করার জন্য চকরিয়া পৌরসভা বিভিন্ন ধরণের কর্মসূচী হাতে নিয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD