1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
সংকট উত্তরণে জনস্বার্থে স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান—এর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ - DeshBarta
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাউজানে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ‘২২ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বন‍্যাদুর্গতদের মাঝে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত কাতার প্রবাসী। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির জরুরী সভায় আবুল হাশেম বক্কর। দুমকিতে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও আনন্দ মিছিল ২১ খালের ও ১১ প্রকল্প নিয়ে চসিক মেয়রের মন্তব্য। নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে খালিয়াজুরীতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ চন্দনাইশে ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ-সার বিতরণ চন্দনাইশে মাদকের অপব্যবহার ও পাচাররোধে র‌্যালী-আলোচনা সভা উগ্রবাদ প্রতিহতে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধিকরণে নাগরিক প্রশিক্ষণ

সংকট উত্তরণে জনস্বার্থে স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান—এর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪১ পঠিত

আরব-ইয়েমেন থেকে যে সকল মুবাল্লিগে ইসলাম ও আউলিায়ে কেরাম এদেশে আগমন করে ইসলাম বিস্তারে ব্যাপক অবদান রাখেন তাদের মধ্যে হযরত শাহ্ সূফী নসরুল্লাহ্ (রাহ্.) অন্যতম পথিকৃৎ। অষ্টাদশ শতকে তিনি সমুদ্র উপকূলীয় চাট্গাঁয় এসে মনযিল করেন। পরে কর্ণফুলী নদী পথে রাঙ্গুনিয়ার তৎকালীন গুমাইঝিল (পরবর্তীতে গুমাইবিল)—এর উত্তর এলাকায় এসে স্থায়ী বসতি স্থাপন করে আস্তানা গড়ে তোলেন। সেখানে তিনি আল্লাহ্র একত্ববাদ, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ ও ইসলামের মর্ম বাণী প্রচার করতে থাকেন। তখন এ অঞ্চলে ক্রমশঃ ইসলামের আলো বিকশিত হতে থাকে। তাঁর সান্নিধ্যে এসে বহু মুসলামান দীনী তালীম হাসিল করেন এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষ ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে থাকেন। এক পর্যায়ে মুসলিম জাতির বিস্তৃতির মধ্যদিয়ে মগ অধ্যুষিত এ অঞ্চলে ইসলাম ব্যাপকভাবে আবাদ হয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁর বংশ পরম্পরা আওলাদ, শাগরিদ ও অনুসারীরাও স্ব স্ব সময়কালে তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইসলাম বিস্তারে ভূমিকা রাখেন এবং বর্তমান প্রজন্মও তা অনুসরণ করে আসছেন।

ইসলামী সাহিত্যিক ও মানবাধিকার গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ জহুরুল আনোয়ার ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনকে বিখ্যাত এ অলিয়ে কামিল ও মুবাল্লিগে ইসলাম হযরত শাহ্ সূফী নসরুল্লাহ্ (রাহ্.)—এর স্মৃতিধন্য স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের ‘ব্রহ্মোত্তর’ গ্রামের নামের পরিবর্তে মুসলিম আবহ সৃষ্টিকারী ব্যাপক অর্থবোধক ‘ইসলামাবাদ’ নামকরণ প্রস্তাব করেন। যা ১৯৯৯ সালের ৬ জুন স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মাসিক সভায় ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড (পরবর্তীতে ৫, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড)—এর সমন্বয়ে গঠিত গ্রামের নামকরণটির ব্যাপক আলোচনা শেষে ধর্মীয় অনুভূতিসম্পন্ন ব্যাপক অর্থবোধক নামটি সর্বসম্মতিতে গৃহিত হয়। পরবর্তী ৪ জুলাই পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় তা অনুমোদিত হয়। এটি ইউপি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন গেজেট নোটিফিকেশন : স্ব—রা/৫—৭/৯৯ মতে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভায় উত্থাপিত হয় এবং উভয় সভায় তা অনুমোদিত হয়। যা যথানিয়মে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়। তখন থেকে স্থানীয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র ও সরকারী—বেসরকারী কার্যক্রমে এ গ্রামের নাম ‘ইসলামাবাদ’ লেখা হয়ে আসছে। গ্রামের জনগণও স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ, জাতীয়তা সনদ, পাসপোর্ট, ভোটার তালিকা, জাতীয় পরিচয়পত্র, স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিবাহ রেজিস্ট্রি, জমি রেজিস্ট্রি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিদ্যুৎ বিল, সিটিজেন চার্টার ও ডারেক্টরী ইত্যাদিতে গ্রামের নাম ‘ইসলামাবাদ’ লিখে আসছেন। তাই তা প্রতিনিয়ত গেজেট হয়ে আসছে। এমনকি ‘গুগল ম্যাপ’—এও গ্রামের নাম ‘ইসলামাবাদ’ স্থান পায়।
তবে পরিতাপের বিষয় হল, সম্প্রতি বিতরণরত অনেকের স্মার্ট কার্ডে ‘ইসলামাবাদ’ গ্রামের স্থলে অধুনালুপ্ত ‘ব্রহ্মোত্তর’ লেখা দেখে সংশ্লিষ্টদের হতাশ করেছে। যেহেতু গ্রামবাসীর সরকারী—বেসরকারী বিভিন্ন ডকুমেন্ট ও রেকর্ডপত্রে গ্রামের নাম দু’ধরনের হয়ে যাচ্ছে। ফলে জনগণ চরম ভোগান্তিতে নিপতিত হচ্ছে। যা অনভিপ্রেত, অনাকাঙ্খিত, বিদ্বেষপ্রসূত, হয়রানীমূলক ও মর্মান্তিক।
তাই বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ নূর উল্লাহ্র প্রতি গ্রামবাসীর প্রত্যাশা, * বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির অবসানে জনগণকে শ্রম্নতিমধুর, ধর্মীয় অনুভূতিমিশ্রিত অর্থবহ ‘ইসলামাবাদ’ নামটি অবাধে লিখার ক্ষেত্রে তিনি সদয়শীল হবেন। * ইসলামাবাদ লেখায় বাধ্যবাধকতা না থাকলেও লেখার ক্ষেত্রে প্রতিবদ্ধকতার মত মানবাধিকার পরিপন্থী ও জনস্পর্শকাতর বিষয়টি অবারিত রাখতে তিনি আন্তরিক হবেন। * গ্রামের নাম ‘ইসলামাবাদ’ পুনজ্জর্ীবিত করে ৫, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নেবেন।
মানুষের দায়িত্বকাল ক্ষণস্থায়ী ও ক্ষণিকের। ভাল—মন্দ কাজই হল চিরস্থায়ী। ভালটি যেমন সকলের জন্য সুখকর ও প্রশান্তির, তেমন খারাপটি বেদনাদায়ক। যা মন্দ বা অপকর্মের নিকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকে। হে আল্লাহ্, সকল দায়িত্ববানদেরকে সর্বাবস্থায় সত্য, সুন্দর ও উত্তমটা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের তাওফীক দিন।

নিবেদক
ইসলামাবাদ গ্রামবাসীর পক্ষে

মো. আকতারুজ্জামান আরিফ
গ্রাম ইসলামাবাদ, ডাকঘর স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম।
০১৮১৫—৫৯৬৮২৩

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD