1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
দশগুণ বড় হচ্ছে ইসলামের প্রথম মসজিদ কুবা - DeshBarta
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চন্দনাইশে বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা ফুটবল গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট ফাইনাল সম্পন্ন জননেতা মরহুম জহুর আহমেদ চৌধুরী ইতিহাসের অংশ – তসলিম উদ্দিন রানা এশিয়ান আবাসিক স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টে কর্ণফুলী দল চ্যাম্পিয়ন পটিয়ায় নবাগত ইউনও’র সাথে খলিলুর রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ শিক্ষকদের শুভেচ্ছা বিনিময়। চট্টগ্রাম ফয়েসলেকে উদ্বোধন হলো সেলুন পাঠাগার বিশ্বজুড়ে চন্দনাইশে আহমদ ছফার জন্মদিন পালন জোবায়েত হাসান পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত রাউজানে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ‘২২ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বন‍্যাদুর্গতদের মাঝে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত কাতার প্রবাসী।

দশগুণ বড় হচ্ছে ইসলামের প্রথম মসজিদ কুবা

  • সময় সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৮ পঠিত

ইসলামের ‘প্রথম মসজিদ’ মসজিদে কুবাকে সম্প্রসারণ করা হবে। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষণা দিয়েছেন, মুহাম্মদ (সা.) কর্তৃক নির্মিত এ মসজিদটিকে ১০ গুণ বড় করা হবে। ২০১৮ সালে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ ১৩০টি ঐতিহাসিক মসজিদ পুননির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিল, এটি তারই অংশ। খবর আরব নিউজ।খবরে বলা হয়েছে,বর্তমানে মসজিদটিতে নামাজের জায়গা আছে পাঁচ হাজার বর্গমিটার, পুরো জায়গাটির ব্যাপ্তি ১৩ হাজার ৫০০ বর্গমিটার। এতে এখন ২০ হাজার মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন। সম্প্রসারণের পর এটি ৫০ হাজার বর্গ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তখন এই মসজিদের মুসল্লি ধারণক্ষমতা হবে ৬৬ হাজার। পুনর্নির্মাণ করা হলেও এতে মসজিদের স্থাপত্যশৈলী ও এর নিকটবর্তী অন্যান্য স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষণ করা হবে। কুবা মসজিদ মসজিদে নববি থেকে ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এটি ছিল ইসলামের ইতিহাসে প্রথম মসজিদ, যা প্রথম হিজরি বা ৬২২ সালে নির্মিত হয়েছিল।

প্রচলিত আছে, হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রায় সময়ই কুবা মসজিদে, বিশেষ করে শনিবারে নামাজ পড়তে আসতেন। সাহাবিদেরও তিনি এর অনুসরণ করতে বলতেন। মসজিদটি সম্পর্কে একটি হাদিসে বলা হয়েছে, নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই ঘরে অজু করে একবার নামাজ আদায় করবে, সে এক ওমরার সমতুল্য সওয়াব পাবে। এ কারণেও মুসলমানদের কাছে মসজিদটির যথেষ্ট ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।খলিফা ওমর ইবন আল-খাত্তাব ও ওসমান বিন আফফানের যুগে মসজিদটি সংস্কার করা হয়েছিল। এরপর ১০৫৭, ১১৭৭, ১২৯৩, ১৩৫৫, ১৪৬২ ও ১৫০৩ সালসহ নানা সময়ে মসজিদটির সংস্কার করা হয়েছে।স্থপতি আবদুল হক আল-উকবি মসজিদে কুবার সম্প্রসারণ সম্পর্কে বলেন, এটা কেবল মুসল্লি ধারণক্ষমতা বাড়তে নয় বরং সম্প্রসারণের ফলে এর সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় তাৎপর্যও নিশ্চিতভাবে বাড়বে। দর্শনার্থীরা এখন মসজিদের চারপাশে ঐতিহাসিকভাবে উল্লেখযোগ্য ৫৭টি স্থান সম্পর্কেও জানতে সক্ষম হবেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD