1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
চকরিয়ার বরইতলীতে গোলাপ চাষে লোকসান;চাষীরা ঝুকেছে সবজি চাষে - DeshBarta
রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী শহীদ মৌলভী সৈয়দ আহমেদ এর মৃত্যু বার্ষিকী পালিত ছাত্র ইউনিয়নের মানববন্ধনে ছাত্রলীগের হামলা আহত ১০ জন ১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পটিয়া কুসুমপুরা ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের প্রস্তুতি সভা দ্রব্যমূল্যের অসহনীয় ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ আজ দিশাহারা-হাজী জসিম উদ্দিন তরুণ সংগঠক ও সমাজকর্মী। যুগপৎভাবে রাজপথ দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনডিএমঃ ববি হাজ্জাজ সীতাকুন্ডে ট্রাকের পিছনে ঢুকে গেল কার,চালক নিহত। মাটিরাঙ্গায় টয়লেট থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার সাভারে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ সোনালী ব্যাংকের টাকা অন্য একাউন্টে..! এ ঘটনার গ্রেফতার ১,উদ্ধার ৪৫ লাখ টাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামালার প্রতিবাদে মানববন্ধন

চকরিয়ার বরইতলীতে গোলাপ চাষে লোকসান;চাষীরা ঝুকেছে সবজি চাষে

  • সময় সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২
  • ২২ পঠিত

জেপু.দত্ত, চকরিয়া(কক্সবাজার)ঃ

চকরিয়ার বরইতলীর প্রসিদ্ধ গোলাপ বাগান এখন বিলুপ্তির পথে। বরইতলীর আকাঁবাকাঁ মেঠো পথে সদ্য প্রস্ফুটিত গোলাপের সুগন্ধি বাতাসে আর ভেসে বেড়ায় না। বিস্তীর্ণ মাঠে ফুটন্ত গোলাপের উপর বাতাসের প্রবাহে সৃষ্ট ঢেউ আর চোখে পড়ে না। অনেক খোঁজার পর হাতেগোনা দু’এক খানা গোলাপ বাগান চোখে পড়লেও তা এখন বর্ণচোরার ন্যায় নির্জীব যেন ধুসর বর্ণের ঝোপঝাড়।

বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ এর আগে গোলাপের ব্যাপক চাহিদা ছিল। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সতেজ গোলাপ না হলে বিবাহ বা যে কোনো ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান পরিপূর্ণ হতো না। কৃত্রিম কাগজ বা প্লাস্টিকের ফুলে বাজার সয়লাব হওয়ায় এখন বিবাহ বা যে কোনো অনুষ্ঠানে গোলাপ,গাঁদাফুল, রজনীগন্ধার মত খাটি ফুল এখন আর ব্যবহার হচ্ছে না।

করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাবের ফলে সরকার ২০২০ সালের মার্চ থেকে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি লকডাউন ঘোষনা করা হয়। ওই সময় ঘোষিত লকডাউনে শর্ত দেয় যে,দূরত্ব বজায় রেখে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে হবে। কোনো প্রকার গণসমাবেশ মূলক সামাজিক অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে কঠোর বিধিনিষেধ জুড়ে দিলে ক্লাব ভিত্তিক বিবাহ বা কোনো প্রকার সামাজিক অনুষ্ঠান পালন করা হয়নি। ফলে, ওই সময় গোলাপ বা অন্যান্য ফুলের চাহিদাও ছিল না। এর ফলে, চাষীরা গোলাপ বা অন্যান্য প্রাকৃতিক ফুল চাষের প্রতি আগ্রহ হারিয়েছে। ইতিমধ্যে প্লাস্টিক ও কাগজের তৈরি হরেক রকম আকর্ষনীয় ফুল তৈরি হওয়ার ফলে উদ্ভিজ্জ ফুলের চাহিদাও কমে গেছে।

জানা গেছে,চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নে প্রায় ২০০ একর জায়গা জুড়ে গোলাপ চাষ করা হতো।এর মধ্যে প্রায়৫০ একর জায়গায় গ্লাডিওলাস নামক এক প্রকার ফুলের চাষ হয়। মনোমুগ্ধকর গ্লাডিওলাস গেলাপ ফুলের সাথে সংযোগ করে অনুষ্ঠানের অতিথিদের বরণ,সম্বর্ধনা,বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বরইতলী ইউনিয়নের মাঠজুড়ে ২০০ একর জায়গায় ২ শতাধিক গোলাপ বাগান ছিল। দৃষ্টি যতদূর যায় মাঠজুড়ে গোলাপ আর গোলাপ। একসময় বরইতলী গ্রামের বাতাসে সারাক্ষণ গোলাপের সুভাস বয়ে চলতো আজ আর সেই সুভাস মাখা বাতাস নেই।

চট্রগ্রাম শহরের চেরাগি পার্ক এলাকায় আছে ফুলের বিশাল মার্কেট। এ সব মার্কেটে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া বরইতলীর উৎপাদিত গোলাপের সিংহভাগ ফুল আড়তদারেরা সরবরাহ করে থাকে। বিশাল এ প্রাকৃতিক ফুলের ব্যবসায় এখন অনেকটা ধ্বস নেমেছে। কৃত্রিম প্লাস্টিক ফুলের কদর বাড়ায় এখন ন্যাচারাল গোলাপ,গ্লাডিওলাস ও অন্যান্য সজীব ফুলের চাহিদাও কমে গেছে।

বর্তমানে গোলাপের চাহিদা কমে যাওয়ায় ওই সব এলাকায় বিভিন্ন সবজি চাষ হচ্ছে। গোলাপ চাষ আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। ৫০ একরের কম জায়গায় এখন গোলাপ চাষ হচ্ছে; তাও লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে চাষীরা মৌসুম ভেদে রকমারি সবজি চাষ করে ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD