1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
কুপ্রস্তাব দেবার কারণেই তামিলনাড়ুর প্রেমকান্তের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে কিশোরীর - DeshBarta
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দাকোপের বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তিকরণ চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগ নেতা মাহামুদুর রহমান চৌধুরী নয়নের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন চন্দনাইশে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ গৃহহীনকে ঘর করে দিলেন যুবলীগ নেতা পুলিশ ও পল্লী বিদ‍্যুৎ এর কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে মোট ১২ টি ট্রান্সফর্মার উদ্ধার  বৃক্ষ পরিচর্যার সচেতনতা বৃদ্ধিতে দূর্বার তারুণ্য”র ‘আমরা মালি’ মাটিরাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন ১০ বিভাগীয় শহরে গণ-সমাবেশের ঘোষণা বিএনপির চকরিয়ায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আত্মপ্রত্যয়ী’র দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কুপ্রস্তাব দেবার কারণেই তামিলনাড়ুর প্রেমকান্তের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে কিশোরীর

  • সময় সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৩ পঠিত

মাসুমা জাহান,বরিশাল ব্যুরো:

ভারতের তামিলনাড়ু থেকে বরিশালে এসে ‘মারধরের শিকার’ হয়েছেন প্রেমকান্ত এমন অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি পুলিশ। দেখা করতে আসা কিশোরীর সঙ্গে গাড়িতে বসে খারাপ আচরণ করায় দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা সেটি সমাধানের চেষ্টা চালায়। উত্তেজিত প্রেমকান্তকে অটো থেকে নামানোর চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। মূলত দেখা হওয়ার পর পরই কিশোরীকে কু-প্রস্তাব দিয়েছিল প্রেমকান্ত। সেই সূত্রেই সর্ম্পকের অবনতি হয়।

স্থানীয়রা ভারতীয় নাগরিক দেখে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করলে আত্মরক্ষার্থে মিথ্যার আশ্রয় নেন প্রেমকান্ত। অভিযোগ তোলেন মারধর ও টাকা, মোবাইল নিয়ে যাওয়ার।প্রেমকান্তের এসব অভিযোগ ‘অসত্য’ বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ হালদার আজ রোববার (০৮ আগস্ট) সাংবাদিকদের বলেন,প্রেমকান্তের অভিযোগ গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আমরা দেখেছি। কিন্তু তদন্তে তার করা অভিযোগ গুলো অসত্য বলে উঠে এসেছে।

মূলত কাশিপুরের সড়কে যে ভিডিও ফুটেজের কথা বলছেন,সেখানে চয়ন হালদার নামের কিশোরীর কথিত প্রেমিকের সঙ্গে হাতাহাতি হয়েছে। তাকে কেউ মারধর করেনি। স্থানীয়রা তাকে থানায় হস্তান্তর করার পরে তাকে সর্বাত্মক সহায়তা করা হয়েছে। হাই-কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক তার দেশে চলে যাওয়ার জন্য নিরাপত্তা দিয়ে গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়।

ওসি বলেন, প্রেমকান্ত নামে ওই যুবক বার বার আমাকে বলছিল, সেই কিশোরীকে তার সঙ্গে পাঠানোর জন্য। কিন্তু অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ের বিয়ে বাংলাদেশে আইন পরিপন্থি কাজ বলার পরও একই দাবি করছিলেন তিনি।

এদিকে শুক্রবার (০৫ আগস্ট) বরগুনা জেলার তালতলী থানায় প্রেমকান্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তার কথিত প্রেমিকার বাবা। সেখানে তাদের দুজনের প্রেমে ফাটল ধরার কারণ স্পষ্ট।

মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে বন্ধু হলে ২৪ জুলাই প্রেমকান্ত বরিশালে চলে আসেন। ২৫ জুলাই একটি রেস্তোরাঁয় ওই কিশোরী তার তিন বান্ধবীসহ দেখা করে দুপুরের খাওয়া শেষে চলে যায়। এরপর প্রেমকান্তের অনুরোধে ২৭ তারিখ কাশিপুর এলাকায় দেখা করে। সেখানে অটোরিকশার মধ্যে প্রেমকান্ত ওই কিশোরীকে খারাপ সর্ম্পক স্থাপনের প্রস্তাব দেয়। একই সঙ্গে তার সঙ্গে ঢাকা যাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। ওই ছাত্রী প্রেমকান্তের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে দুজনের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা মারাত্মক আকারে রূপ নেয়। তাদের বহনকারী গাড়িটি থামিয়ে স্থানীয়রা বাগবিতণ্ডা বন্ধ করে নিকটস্থ পুলিশ স্টেশনে (বিমানবন্দর থানায়) জানায়। সেখান থেকে পুলিশ এসে প্রেমকান্তকে হেফাজতে নেয়।

ওই কিশোরীর বাবা বলেন, আমার মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক তা এয়ারপোর্ট থানার ওসি নিজে কলেজে এসে নিশ্চিত হয়ে গেছেন। সে মতে হাই কমিশনে জানালে, হাই কমিশন ওই যুবককে দেশে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু সে দেশে না ফিরে বিভিন্ন মাধ্যমে আমার অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে, আমার পরিবার নিয়ে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালিয়ে যায়। এমনকি সেসব অপপ্রচার টেলিভিশন-পত্রিকাতেও বলেছে। ফলে আমি আমার পরিবার নিয়ে কীভাবে বেঁচে থাকব, তা নিয়ে ঝুঁকিতে আছি। আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ওই যুবকের মিথ্যা তথ্যে আমরা মারাত্মক ক্ষতিতে রয়েছি। আমরা এলাকায় পালিয়ে বেড়াচ্ছি।

প্রেমকান্তের কথিত প্রেমিকা দাবি করেছে, ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে তার সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব হয়েছে। আমি তার প্রেমিকা না। আসলে তার কথায় রাজি না হওয়ায় আমার ক্ষতি করতে উঠে পড়ে লাগে।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভারতীয় ওই যুবকের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে কু-প্রস্তাব দেওয়া ও তাকে চাপ সৃষ্টি করে নিয়ে যাওয়ার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যদি এমন ঘটনা তিনি ঘটান তা অবশ্যই অপরাধ। আমরা অভিযোগটির তদন্ত করছি। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে প্রেমকান্ত সাংবাদিকদের বলেন,তালতলী থানায় যে অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে, আসলে এমন কোনো আচরণ আমি করিনি। তার সঙ্গে হোটেলে, কলেজে এবং কাশিপুর চৌমাথায় দেখা হলেও খারাপ কোনো প্রস্তাব দেইনি।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD