1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. salehbinmonir@gmail.com : News Editor : News Editor
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৈহিক গঠন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। - DeshBarta
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বেঁচে আছি যতদিন, মানবসেবায় আছি ততদিন” জামালপুর সদরের কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদের কোটি টাকার ভবনে ভাঙ্গন! আতঙ্কের ঝুকি নিয়ে অফিস রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। কুমারী পূজা দেখার জন্য জগদীশ্বরী কালি মন্দিরের মণ্ডপে ভক্তদের ঢল হাতিয়ায় গৃহকর্মীকে ধর্ষণ, আটক ১ জামালপুরের নান্দিনায় মা-মেয়ে খুনের প্রধান আসামি নিপুলের গ্রেফতারের দাবীতে জনসাধারণের সড়ক অবরোধ। লক্ষীছড়ি জিরো পয়েন্ট হবে মনিকা চত্বর ; তৈরী হবে মনিকা চাকমার ম্যুরাল চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন জেলা প্রশাসকের – সার্বিক প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ চকরিয়া পৌরসভা পূজামন্ডপে অনুদান প্রদান সাংবাদিক ইলিয়াছ আরমানের মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে চকরিয়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন

প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৈহিক গঠন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

  • সময় শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৮ পঠিত

চেহারা মোবারক : রাসুল (সা.)-এর চেহারা ছিল খুবই লাবণ্যময় ও নূরানি। পূর্ণিমার চাঁদের মতো ঝকঝকে। দুধে আলতা মিশ্রণ করলে যে রং হয়, রাসুল (সা.)-এর গায়ের রং তেমনি ছিল।

আকার : খুব লম্বাও নন, খুব বেঁটেও নন, মধ্যম আকৃতির। তাঁর আগে ও পরে কখনো তাঁর মতো সুপুরুষ দুনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেননি।

চুল : রাসুল (সা.)-এর মাথার চুল ছিল কানের লতি পর্যন্ত কিছুটা কোঁকড়ানো, ঢেউ খেলানো বাবরি। বাবরি কখনো ঘাড় পর্যন্ত আবার কানের লতি পর্যন্ত থাকত। শেষ বয়সে চুল লালাভ হয়েছিল।

মাথা : প্রিয় নবী রাসুল (সা.)-এর মাথা অপেক্ষাকৃত বড় ছিল।

চক্ষু : প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর চক্ষুযুগলের মণি খুব কালো ছিল। চোখের পাতা ছিল খুব বড় এবং সর্বদা সুরমা লাগানোর মতো দেখাত।
নাসিকা : রাসুল (সা.)-এর নাক ছিল অতীব সুন্দর ও উঁচু।

দাঁত : অতীব সুন্দর রজতশুভ্র দাঁত ছিল রাসুল (সা.)-এর। যা পরস্পর একেবারে মিলিত ছিল না, বরং সামান্য ফাঁকা ফাঁকা ছিল। হাসির সময় তাঁর দাঁত মুক্তার মতো চমকাত।

ঘাড় : রাসুল (সা.)-এর ঘাড় ছিল দীর্ঘ, মনোরম মাংস, কাঁধের হাড় আকারে বড় ছিল।
মোহর : দুই কাঁধের মধ্যস্থলে কবুতরের ডিমসদৃশ একটু উঁচু মাংস খণ্ড ছিল। এটাই মোহরে নবুয়াত। এতে লিখা ছিল “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ”। মোহরের উপর তিলক ও পশম ছিল এবং রং ছিল ঈসৎ লাল।

দাড়ি : রাসুল (সা.)-এর দাড়ি ছিল লম্বা, ঘন, যা প্রায় বক্ষ পর্যন্ত প্রসারিত ছিল।

হাত : হাত ও আঙুলগুলো লম্বা ছিল হাতের কবজি থেকে কনুই পর্যন্ত পশম ছিল। হাতের তালু ছিল ভরাট ও প্রশস্ত।

বক্ষ : রাসুল (সা.)-এর বক্ষ ছিল কিছুটা উঁচু ও বীর বাহাদুরের মতো প্রশস্ত। বক্ষস্থল থেকে নাভি পর্যন্ত চুলের সরু একটা রেখা ছিল।

পেট : রাসুল (সা.)-এর পেট মোটা কিংবা ভুড়ি ছিল না। সুন্দর সমান ছিল।

পদদ্বয় : সুগঠিত উরু ও পদদ্বয়। দুই পায়ের গোড়ালি পাতলা ছিল। পায়ের তালুর মধ্যভাগে কিছুটা খালি ছিল। চলার সময় সামান্য ঝুঁকে মাটির দিকে দৃষ্টিপাত করে হাঁটতেন।

চামড়া : রাসুল (সা.)-এর শরীরের চামড়া রেশম থেকেও অধিক মসৃণ ও নরম ছিল।

ঘাম : রাসুল (সা.)-এর শরীরে ঘাম হলে ঘামের বিন্দুগুলো মতির মতো চমকাত। তাঁর ঘাম ছিল অত্যন্ত সুগন্ধযুক্ত।

শরীর : তিনি অত্যন্ত স্থূলও ছিলেন না, অত্যন্ত ক্ষীণকায়ও ছিলেন না। তাঁর গম্ভীর চেহারা দেখলে যেকোনো মানুষের হৃদয় প্রভাবিত হতো। মহাপুরুষের যাবতীয় লক্ষণই মহানবী (সা.)-এর পবিত্র দেহে বর্তমান ছিল।

(সূত্র : সিরাতে ইবনে হিশাম-পৃ. ৪৯, বিশ্বনবী পরিচয়-পৃ. ৭৮)

লেখক: হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক দেশ বার্তা
Theme Customized By TeqmoBD